বেলেঘাটায় মিছিলে, পার্টি অফিসে তৃণমূলের হামলা  | আক্রান্ত পার্টি নেতা, জখম গণশক্তি’র সাংবাদিক  | প্রথম দফায় খাতা খুলতে পারবে না তৃণমূল : মিশ্র  | মেদিনীপুরে মিছিল করে এসে মনোনয়ন দিলেন বামফ্রন্টের তিন প্রার্থী  | কালনায় গৌতম দেবের জনসভার প্রচার গাড়িতে তৃণমূলের হামলা  | জলপাইগুড়িতে ৮৪%, আলিপুরদুয়ার ৮২% তৃণমূলীদের বাধা, হুমকি উপেক্ষা করেই মানুষ ‍‌ভোট দিলেন  | গলসীতে বিশাল সমাবেশ মানুষের জয় রুখে দেবার সাধ্য কারোর নেই : মিশ্র  | চেন্নাইয়ের শ্রমজীবী মহল্লায় এখন ঢেউ তুলেছে লালঝাণ্ডা  | বি জে পি প্রধানমন্ত্রী পদপ্রার্থীকে এই প্রথম আক্রমণ গুজরাট মডেল ‘কাল্পনিক’, বললেন জয়ললিতা  | পঞ্চম দফায় ১২রাজ্যে ভোট পড়লো ৬০শতাংশের বেশি

আজকের দিনে



 

ছবির খাতা

জনতার ব্রিগেড

আরো ছবি

ভিডিও গ্যালারি

Video

শ্রদ্ধাঞ্জলি

আন্তর্জাতিক

 

লোকসভা নির্বাচন ২০১৪

আপনার রায়

গরিবের পাশে থেকেছে বামফ্রন্টই

হ্যাঁ
না
জানি না
 

ই-পেপার

অন্যরাজ্যের খবর

গণশক্তির প্রতিবেদন১৭ই, ফেব্রুয়ারি ২০১৪
প্রশ্নটা স্বাভাবিক। যার জবানবন্দীর জন্য বারে বারে সঙ্ঘ পরিবারকে মুশকিলে পড়তে হচ্ছে আসলে কে? বিভিন্ন পত্রপত্রিকা, নথি থেকে রহস্যজনক এই চরিত্র সম্পর্কে যতদূর পাওবা যাচ্ছে, এখানে সেটাই তুলে ধরা হলো। আসল নাম নবকুমার। পশ্চিমবঙ্গের হুগলী জেলার কামারপুকুরে জন্ম। বিভূতিভুষণ সরকারের ছয় ছেলের অন্যতম এই নবকুমার ওরফে যতীন চ্যাটার্জি ওরফে ওঙ্কারনাথ ওরফে অসীমানন্দ। ছোট বেলাতেই আর এস এস-এর সংস্পর্শে আসে। বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ফিজিক্সে মাস্টার ডিগ্রি করার সময়ে সেই যোগাযোগ আরো নিবিড় হয়। ১৯৭৭-এ পূর্ণসময়ের জন্য যোগ দেয় আর এস এস-এর যুক্ত বনবাসী কল্যান আশ্রমে। ’৮৮পর্যন্ত ছিল বর্ধমানের বনগ্রামে স্বামী পরমানন্দের আশ্রম। তার অসীমানন্দ নামটা পরমানন্দেরই দেওয়া।

>>>

গণশক্তির প্রতিবেদন১৭ই, ফেব্রুয়ারি ২০১৪
সন্ত্রাসবাদী মানেই মুসলিম। দেশের বিভিন্ন প্রান্তের সন্ত্রাসবাদী হামলা মানেই তার সঙ্গে জড়িত ইসলামিক সন্ত্রাসবাদী গোষ্ঠী। মিডিয়া থেকে সাধারন মানুষ, ধারনা এমনই। কিন্তু ২০০৭সালে আজমীর শরিফে বিস্ফোরণের তদন্ত সেই ধারনাটাতেই আঘাত করলো, সব হিসেব উলটে পালটে গেল। মুসলিম মৌলবাদীদের পাশাপাশি উগ্র হিন্দুত্ববাদীরাও যে সন্ত্রাসবাদী কাজে যুক্ত, তা সামনে এসে গেলো। সেই সূত্রেই আরো বহু নাশকতায় রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সঙ্ঘের শীর্ষ কর্তাদের জড়িত থাকার ঘটনা জানা গেলো। সম্প্রতি ‘ক্যারাভান’ পত্রিকায় অসীমানন্দের সাক্ষাৎকার নিয়ে হই চই শুরু হয়েছে। বি জে পি’র মস্তিষ্ক আর এস এস। ভোটের আগে ‘গণহত্যার কারবারী মোদী’ যখন উদার সাজতে চাইছেন, তখন সঙ্ঘ প্রধান মোহন ভাগবতের বিরুদ্ধে সন্ত্রাসবাদী কাজে জড়িত থাকার অভিযোগ ওঠায় বেশ খানিকটা ব্যাকফুটে বি জে পি। কিন্তু তথ্য প্রমাণ যা মিলেছে তাতে উগ্র হিন্দুত্ববাদীদের বিরুদ্ধে সন্ত্রাসবাদী কাজে প্রত্যক্ষভাবে যুক্ত থাকার অভিযোগ আর উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না। বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যমে প্রকাশিত সেই সব তথ্যেরই কিছু এখানে তুলে দেওয়া হলো।

>>>

গণশক্তির প্রতিবেদন২২শে, অক্টোবর ২০১৩
বিপর্যয়ের মুখ থেকে লক্ষ লক্ষ মানুষকে বাঁচিয়ে নেওয়ার জন্য যখন ওডিশা সরকার সকলের প্রশংসা পাচ্ছে তখন শ্রীকাকুলাম জেলায় প্রায় এক হাজার পরিযায়ী পাখি মারা গেছে। ভয়ঙ্কর প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের মুখে প্রায় ৪হাজার পাখির বাসা ভেঙে গেছে। ২০০কিলোমিটার বেগে ধেয়ে আসা ঝড়ের দাপটে অসংখ্য গাছ ভেঙে পড়ে। বড় বড় গাছের সঙ্গে ভেঙে পড়ে সুদূর সাইবেরিয়া থেকে আসা পরিযায়ী পাখির বাসা। ডিম-ছানা সহ অসংখ্য পাখির মৃত্যু হয়েছে।...

>>>

বনবাসী সিংহ ১৪ই, অক্টোবর ২০১৩
শিলচর — ৩০শে সেপ্টেম্বর কমিউনিস্ট বিপ্লবী স্বাধীনতা সংগ্রামী জননেতা কমরেড হিজম ইরাবত সিংহের ১১৭তম জন্মদিবস। শিলচরে ইরাবত সিংহ স্মৃতি রক্ষা কমিটির উদ্যোগে বিপুল উৎসাহ উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে জননেতা ইরাবত সিংহের জন্মদিবস উদযাপিত হয়। সকাল সাড়ে ন’টায় ইরাবত সিংহের মূর্তিতে মাল্যদানের মাধ্যমে শ্রদ্ধা জানাতে কাছাড় জেলার গ্রাম শহর থেকে বিভিন্ন সংগঠনও ইরাবত অনুরাগী নারী-পুরুষ সমবেত হয়ে পুষ্প অর্পণ করেন। সঙ্গে চলতে থাকে ইরাবত সিংহের গণসঙ্গীত। মাল্যদান অনুষ্ঠান শেষ হওয়ার পর শিলচর সঙ্গীত বিদ্যালয় ভবনে প্রদীপ প্রজ্জ্বলনের মধ্য দিয়ে দ্বিতীয়পর্ব শুরু হয়।...

>>>

শুদ্ধসত্ত্ব গুপ্ত৯ই, জানুয়ারি ২০১২
উত্তর প্রদেশ কি বদলে দেবে দেশের রাজনৈতিক সমীকরণ? ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু রাজ্যের সাত দফা ভোটের আগে এই আলোচনা ক্রমশ বাড়ছে। জানুয়ারির শেষ থেকে মার্চ পর্যন্ত বিধানসভা নির্বাচন পাঁচ রাজ্যে। পাঞ্জাব, মণিপুর, গোয়া এবং উত্তরখণ্ডেও ভোট উত্তর প্রদেশের সঙ্গেই। তার মধ্যে মণিপুর এবং গোয়ায় সরকার কংগ্রেসেরই। কিন্তু, দেশের নজর টানছে বেশি উত্তর প্রদেশেই। যে রাজ্যে আসীন মায়াবতীর নেতৃত্বাধীন বি এস পি সরকার।...

>>>

মৃণাল রায় || লক্ষ্ণৌ ৯ই, জানুয়ারি ২০১২
তীক্ষ্ণ রাজনৈতিক মেধা ও দূরদর্শিতার পরিচয় দিয়ে ২০০৭-এর রাজ্য বিধানসভা নির্বাচনে এক অভূতপূ্র্ব নজির গড়তে সক্ষম হয়েছিলেন মায়াবতী। সমাপ্তি ঘটেছিল দু’দশকেরও বেশি সময় ধরে চলা জোটবন্ধন রাজনীতির। সরকার গড়েছিলেন ৪০৩আসনবিশিষ্ট বিধানসভায় ২০৬টি আসন হাসিল করে, নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী মুলায়ম সিংয়ের সমাজবাদী পার্টিকে ১০৯আসনের ব্যবধানে পেছনে ফেলে দিয়ে। ডানা ছেঁটে ফেলেছিলেন বি জে পি-র। কংগ্রেসের মাথা চাড়া দেবার মতো অবস্থাই ছিল না।...

>>>

গণশক্তির প্রতিবেদন৯ই, জানুয়ারি ২০১২
বিরাট রাজ্যের সব অংশের মানুষের সমান উন্নয়নের জন্যই রাজ্য ভেঙে ছোট করার প্রয়োজন, দাবি তাঁর। বিরোধীদের দাবি ভোটের মুখে গিমিক। তাঁর পাল্টা, মোটেই ভোটের মুখে নয়- ২০০৭সালের নভেম্বরেই জনসমাবেশে প্রথম এই প্রস্তাব দিয়েছিলেন। দিল্লি আটকে রেখেছে অসাংবিধানিকভাবে। বিরোধীদের তীব্র প্রচার- দুর্নীতি, জমি অধিগ্রহণ আর ভেঙে পড়া আইন-শৃঙ্খলার মতো ইস্যু থেকে চোখ ঘোরাতেই রাজ্যভাগের নাটক। তাঁর জবাব, উত্তর প্রদেশের প্রতিটি প্রান্তের মানুষের আশা-আকাঙ্খা পূরণ হবে একমাত্র ছোট রাজ্য হলেই। তাই যারা এর বিরোধিতা করবে, ভোটে তারা সাফ হয়ে যাবে।...

>>>

গণশক্তির প্রতিবেদন৯ই, জানুয়ারি ২০১২
...

>>>

নিজস্ব প্রতিনিধি৩১শে, অক্টোবর ২০১১
এই নরেন্দ্র মোদী যেন অচেনা। কিছু দিন আগেও যে গুজরাটে সংখ্যালঘু গণহত্যার দায় তুড়ি মেরে উড়িয়ে দিত। বরং মোদী এখন কোমড় বেধে নেমেছেন। নিজের কলঙ্কজনক অতীত সন্তর্পণে আড়াল করতে। তাই গুজরাটের মুখ্যমন্ত্রীর গলায় এখন মুসলিম প্রীতির সুর। সুচতুরভাবে নিজেকে সরিয়ে দেখাতে চাইছেন ২০০২সালে রাজ্যে ঘটনা সংখ্যালঘু গণহত্যার ঘটনা থেকে। কারণ একটাই, ২০১২সালে গুজরাটে বিধানসভার ভোট।...

>>>

নিজস্ব প্রতিনিধি২২শে, আগস্ট ২০১১
হরিয়ানার পর পাঞ্জাবেও জোর করে জমি অধিগ্রহণের প্রতিবাদে আন্দোলনে নামলেন মানসা জেলার কৃষকরা। রাজ্যে নতুন তাপবিদ্যুৎ প্রকল্পের জন্য এই জমি অধিগ্রহণ চলছে। এর সঙ্গে রাজস্থানেরও তিনটি শহরে রিং রোড প্রকল্পের বিরোধিতায় সেখানকার চাষীরা আন্দোলন চালাচ্ছেন। তাঁদের দাবি প্রয়োজনের অতিরিক্ত জমি ফিরিয়ে দিতে হবে। এবং ক্ষতিপূরণের পরিমাণ বাড়াতে হবে। জমি অধিগ্রহণের বিরোধিতায় ২রা আগস্ট থেকে কৃষকরা আন্দোলনে বসার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।...

>>>

পৃষ্ঠা :   1 | 2 | 3 |