নীরব মহামারী

বিশেষ সংবাদদাতা

১৩ ফেব্রুয়ারী, ২০১১

প্রাথমিক স্বাস্থ্য সুরক্ষার অভাবে প্রতি বছর ভারতে কয়েক হাজার শিশু এবং মহিলার মৃত্যু হচ্ছে। একদিকে বিভিন্ন দেশের মানুষ যখন ভারতের বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক এবং হাসপাতালে চিকিৎসা করাচ্ছেন, বিশেষ করে প্রতিবেশীরা, তখন সাধারণ মানুষ কেন স্বাস্থ্যের সুযোগ থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন?...

বিস্তারিত বিবরণ >>

মান বাঁচানোর জান কবুল লড়াই

স্বর্ণেন্দু দত্ত

৬ ফেব্রুয়ারী, ২০১১

Image

+

4Ka54Ka+4Kec4KeL4Kef4Ka+4KawIOCmqOCni+Cnn+CmvuCmquCmvuCnnOCmviDgppfgp43gprDgpr7gpq7gp4cg4Kak4KeD4Kaj4Kau4KeC4Kay4KeH4KawIOCmuOCmqOCnjeCmpOCnjeCmsOCmvuCmuOCnh+CmsCDgppXgpqXgpr4g4Ka24KeL4Kao4Ka+4Kaa4KeN4Kab4KeH4KaoIOCmuOCmvuCnn+Cnh+CmsOCmviDgpqzgpr/gpqzgpr/gpaQ=

মিছিলে যাওয়া আটকাতে পরনের কাপড় টেনে খুলে নিয়েছিল তৃণমূলের দুষ্কৃতীরা। রুখে দাঁড়িয়েছিলেন মহিলারা। হাতে ধরা লাল পতাকা দেখিয়ে বলেছিলেন, কাপড় না দিলে এই লাল শালু জড়িয়েই যাব সমাবেশে। কিন্তু যাবই। আর পথ আটকানোর সাহস করেনি ‘মা-মানুষের’ ধ্বজাধারীরা।

বিস্তারিত বিবরণ >>

চপলার বোবা ছেলের যন্ত্রণার ভাষা হয়েই হাজির থাকবেন হাজারো মা

ভাস্কর দাশগুপ্ত

৬ ফেব্রুয়ারী, ২০১১

Image

+

রাতে ছেঁড়া কাথার তলায় শুয়ে এখনো মাকে খোঁজে বোবা-কালা ছেলেটা। ঘুমের ঘোরে হাতড়ে হাতড়ে মাকে খুঁজে না পেয়ে যখন ঘুমটা ভেঙে যায়, ঘোর কাটে, কেঁদে ওঠে দশ বছরের শিশু। মূক-বধিরের অস্ফূট কান্না- একটানা গোঁঙানি- বলতে না পারার অব্যক্ত যন্ত্রণা।

ঘুমের ঘোর কাটলে মনে পড়ে তার সাথে দিদিকে নিয়ে ভাত খেতে বসেছিল মা। কিন্তু হঠাৎই কারা যেন জোর করে ঢুকে পড়লো ঘরে। টেনে হিঁচড়ে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করলো মাকে।...

বিস্তারিত বিবরণ >>

তাণ্ডব দেখা সাবিরুন চায় পড়ার পরিবেশ

রাজর্ষি পাঠক

৬ ফেব্রুয়ারী, ২০১১

সাবিরুন খাতুন, চন্দ্রবান হাই স্কুলের দশম শ্রেণীর ছাত্রী। কোনো রকমে সংসার চালানো মোল্লাপাড়ার জনমজুর তাহের আলির মেয়ে সাবিরুনের ক্লাস ইলেভেনে পড়ার কথা। গত বছর পুরশুড়ার বড়দিগরুই গ্রাম ফাঁকা হয়ে গিয়েছিল তৃণমূল বাহিনীর নৃশংস তাণ্ডবে। সাবিরুন ১৩ই ফেব্রুয়ারি এলাকার অন্য সবার মতোই যাবে ব্রিগেডের সমাবেশে, যাওয়ার...

বিস্তারিত বিবরণ >>

মুখোমুখি দাঁড়িয়ে প্রতিরোধের রসদ নিতেই আসবেন ওঁরা

রূপশংকর ভট্টাচার্য

৬ ফেব্রুয়ারী, ২০১১

জবা মুর্মু আগামী রবিবার কলকাতা যাবেন। পঞ্চাশোর্ধ্ব মহিলা কলকাতা যাওয়ার কথাটা পা‍‌‍‌র্টিনেতাদের বেশ কয়েকদিন আগেই নিজ মুখে জানিয়ে দিয়েছেন। এখন শুধু কলকাতা যাওয়ার অপেক্ষা। যে কাপড়টা পরে সেদিন যাবেন, সেটাও ধুয়ে পরিপাটি করে ভাঁজ করে রেখে দিয়েছেন।

জবা মুর্মুর বাড়ি সালুকায়। লালগড় থানার অন্তর্গত জঙ্গলাকীর্ণ জনপদ সালুকা। জবা মুর্মুর স্বামী গোপীনাথ মুর্মু। ২০০৯সালের ২৩শে এপ্রিল সালুকা গ্রামে...

বিস্তারিত বিবরণ >>

বিজ্ঞাপনে নারী

মনজীত রাঠি

৩০ জানুয়ারী, ২০১১

Image

+

গত দু’দশকের বিশ্বায়নের সময়ে সংবাদ মাধ্যমের প্রভাব বেড়েছে কয়েকগুণ। বিশেষ করে বৈদ্যুতিন সংবাদ মাধ্যমের। মানুষ কীভাবে নিজেকে, তার আশপাশ এবং সমাজকে দেখবে তার অনেটাই টেলিভিশন তৈরি করে দিতে সচেষ্ট। দেশের প্রায় প্রতিটি কোণায় এখন টেলিভিশনের পৌঁছে গেছে। আর টেলিভিশনের মাধ্যমে আমাদের বিনোদন এবং সংস্কৃতিকে এখন কার্যত নিয়ন্ত্রণ করছে বৈদ্যুতিন মাধ্যম।...

বিস্তারিত বিবরণ >>

মালেগাম কমিটি’র রিপোর্ট ‘সীমাবদ্ধ’ এবং ‘ত্রুটিপূর্ণ’, বললো মহিলা সমিতি

নিজস্ব প্রতিনিধি

৩০ জানুয়ারী, ২০১১

ক্ষুদ্রঋণ সংস্থা নিয়ে মালেগাম কমিটি’র রিপোর্টের বিষয়ে গভীর হতাশা জানালো সারা ভারত গণতান্ত্রিক মহিলা সমিতি (এ আই ডি ডব্লিউ এ)। ক্ষুদ্রঋণ সংস্থার প্রদত্ত ঋণের প্রভাবে গ্রামাঞ্চলে বহু মানুষ ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছেন। এই তালিকায় অসংখ্য দরিদ্র্য মহিলাও রয়েছেন। বিভিন্ন স্বনির্ভর গোষ্ঠী (এস এইচ জি) এর সঙ্গে জড়িত। এ আই ডি ডব্লিউ এ এর বিরুদ্ধে ধারাবাহিকভাবেই আন্দোলন করে চলেছে।...

বিস্তারিত বিবরণ >>

একবছরে পাকিস্তানে ১২০০ মহিলা খুন

সংবাদ সংস্থা

৩০ জানুয়ারী, ২০১১

গত বছর ১১৯৫জন মহিলা খুন হয়ে গেছেন পাকিস্তানে। মহিলাদের সহায়তা দেওয়ার জন্য তৈরি হওয়া পাকিস্তানের প্রথম হেল্প লাইন এই তথ্য জানিয়েছে। ‘মদতগার’ নামে একটি স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন এই হেল্প লাইন তৈরি করেছে। তারাই জানিয়েছে, গোটা দেশে ২০১০সালে মহিলা ও শিশুদের নির্যাতনের ৫হাজার ঘটনা নথিভুক্ত হয়েছে।...

বিস্তারিত বিবরণ >>

ক্ষুদ্র ঋণ প্রতিষ্ঠানের ঝুঁকি পথ দেখাচ্ছেন বামপন্থীরাই

অর্চনা প্রাসা

২৩ জানুয়ারী, ২০১১

Image

+

ক্ষুদ্র ঋণ সংস্থা নিয়ে সম্প্রতি দেশজুড়ে বিতর্ক শুরু হয়েছে তা আসলে ক্ষুদ্র ঋণের নয়া উদারনীতির কাঠামো নিয়েই প্রশ্ন তুলেছে। অর্থৈনতিক সংস্কারের পথ ধরেই দেশের সরকার এদেশের গরিব মানুষকে এই মডেলের গিনিপিগ হিসেবে ব্যবহার করতে শুরু করেছে। নব্বইয়ের শুরু থেকেই নয়া-উদারনীতির পথে চলা রাষ্ট্রগুলি দারিদ্র্য দূরীকরণের একটি বড় কৌশল হিসেবে এই ক্ষুদ্র ঋণ ব্যবস্থাকে ব্যবহার করতে শুরু করেছিল। আসলে কল্যাণমুলক কর্মসূচীগুলিকে সরকারী ব্যয় ছাঁটাইয়ের পথ হিসেবেই একে ব্যবহার করা হতো। স্বনির্ভর গোষ্ঠীর গঠন ও ব্যাঙ্ক ও সরকারী প্রকল্পের সঙ্গে তাদের জুড়ে দেওয়ার বিষয়টি আসলে দেখা হতো স্বনির্ভরতার জন্য ও অন্যান্য কর্মসূচীর জন্য পুঁজির সংস্থানের প্রতিবন্ধকতা দূর করার উপায় হিসেবে। এগুলির বেশিরভাগ প্রকল্পই ছিল গরিব মহিলাদের কথা ভেবে।...

বিস্তারিত বিবরণ >>

Featured Posts

Advertisement