পণের টাকা যোগাতে
দাস শ্রমিক

কৃষ্ণেন্দু রায়

৯ অক্টোবর, ২০১১

Image

+

‘আমি কারখানায় কাজ করার সময়ে বাড়ি থেকে পাত্র দেখা হয়েছিল। বিয়েও ঠিক হয়ে গিয়েছিল। কিন্তু আমার বিয়ে ভেঙে যায়। কারণ পণের টাকা দেওয়া সম্ভব হয়নি। কারখানায় কাজ করে পণের জন্য যে টাকা জড়ো হয়েছিল, সে টাকা তো আমার চিকিৎসার জন্যই খরচ হয়ে যায়। আমার আর বিয়ে হওয়ার কোনো সুযোগ নেই। কারণ, আমার টাকা শেষ হয়ে গেছে আর শরীরও খারাপ। আবার কাজ করে কাজ করে এতো টাকা যোগাড় করার মতো শরীরের বল আর আমার নেই।’...

বিস্তারিত বিবরণ >>

উৎসবে ঠাঁই নেই

গণশক্তির প্রতিবেদন

২ অক্টোবর, ২০১১

কারো ছিল কয়েক ফালি জমি, কারো আবার চা-দোকান। কারো পেট চলতো অন্যের জমিতে জন খেটে। টানাটানির সে সংসারে তবু শান্তি ছিল। ‘পরিবর্তন’-এর স্রোত কেড়ে নিয়েছে জীবনের সেই শান্তিটুকুই। কারো হয়তো ঘরটাই মিশে গেছে জমির সাথে। কারো গেছে জমিটাই। কাউকে নিয়মিত চোখ-শাসানি সয়েও রয়ে যেতে হয়েছে গ্রাম-ঘরে। নতুন জামা-জুতো কোন ছাড়, কোথাও আবার বাচ্চাগুলোর মণ্ডপেই ‘প্রবেশ নিষেধ’। দুই জেলার দুই প্রান্তের অভিন্ন সেই ছাবিই উঠে এলো এবারের দুটি প্রতিবেদনে।...

বিস্তারিত বিবরণ >>

স্বপ্ন আর সাহস নিয়ে
ওরা ক্যাম্পাস পাহারায়

মধুজা সেনরায়

২৫ সেপ্টেম্বর, ২০১১

Image

+

পরিবর্তন এসেছে গো! পরিবর্তন! গত দু-তিন বছর ধরেই আসব আসব বলছিল, অবশেষে ২০১১-র ১৩ই মে এসেই পড়লো। দেশ-বিদেশর সংবাদ মাধ্যমে জোর প্রচার হলো, সি পি আই (এম)-এর সব অত্যাচার, ভণ্ডামি, নোংরামির অবসান। বাংলার মানুষ এবার মুক্ত, স্বাধীন! চৌত্রিশ বছরের জগদ্দল পাথরটা সরে গেছে, এবার থেকে বুকভরে শ্বাস নেওয়া যাবে।...

বিস্তারিত বিবরণ >>

পরিবর্তনের খানাকুলে দলনেত্রীকেই
বিবস্ত্র করে মারলো তৃণমূলীরা

প্রলয় হাজরা

২৫ সেপ্টেম্বর, ২০১১

‘মা-মাটি-মানুষের’ সরকার তৈরি হওয়ার পরেই গ্রামে গ্রামে শুরু হয়েছিল বামপন্থী বলে পরিচিত পরিবারের ওপর হামলা। খুন-সন্ত্রাস-জরিমানা, জমি কেড়ে নেওয়ার পর শুরু হয়েছিল পুরুষশূণ্য গ্রামে মা-বোনেদের ওপর অত্যাচার। ধর্ষণ, শ্লীলতাহানি, প্রকাশ্যে মারধর। শুধু গ্রামে কেন, কলকাতা শহর ও শহরতলির বহু জায়গাতেই তৃণমূলের হিংসার মুখে পড়েছেন মহিলারা। রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী সব জেনেও চুপ থেকেছেন, প্রতিদিন শুধু রবীন্দ্র সঙ্গীত শোনার পরামর্শ দিয়েছেন। পরিবর্তনের জমানায় মহিলাদের ওপর যথেচ্ছাচারের ছাড়পত্র মিলে গেছে তৃণমূলের কর্মীদের।...

বিস্তারিত বিবরণ >>

অসম্মানের বোঝা বইছে নাকুসা’রা

কেয়া পাল

১৮ সেপ্টেম্বর, ২০১১

Image

+

‘নাকু, ও নাকু এদিকে আয়!’ বলেই লজ্জা জড়ানো হাসিতে মুখ চাপা দিয়েছিলেন নারায়ণ ওয়াগলে।

মহারাষ্ট্রের সাতারা জেলার নরবদেব গ্রামে এই ওয়াগলেদের ঘর। পাথর আর মাটি দিয়ে তৈরি দশ ফুট বাই দশ ফুটের মাথা গোঁজার আস্তানায় এমনিতেই ঠাঁই হয় না গোটা পরিবারের। তার ওপর বৃষ্টি নামলে তো কথাই নেই! খাঁচায় মুরগিরা যেভাবে থাকে তেমনই দশা হয় ওয়াগলে পরিবারের। ঠাসাঠাসি’র সংসারে তার ওপর এসেছে ‘নাকু’।...

বিস্তারিত বিবরণ >>

হালদুবালার জন্য কলাবতীদের লড়াই
লড়তে শিখিয়েছে আদিবাসীদের

গণশক্তির প্রতিবেদন

১৮ সেপ্টেম্বর, ২০১১

Image

+

একদিন সকালে হঠাৎ দেখা গেলো হালদুবালা আর নেই। হালদুবালা একটা পুকুরের নাম। উত্তরাখণ্ড জেলার উধম সিং নগর জেলার খেমাপুর গ্রামের এই জলাশয়টি ধীরে ধীরে প্রায় বুজিয়ে ফেলা হয়েছে।...

বিস্তারিত বিবরণ >>

অপুষ্টির মোকাবিলা
কুমীরের কান্না!

গণশক্তির প্রতিবেদন

১১ সেপ্টেম্বর, ২০১১

চার মাসে সাড়ে চারশো শিশু মারা গেছে অপুষ্টিতে। শুধুমাত্র মহারাষ্ট্রের নাসিক জেলায়। কিন্তু শিশুকল্যাণ খাতে ৬০০কোটি টাকা খরচ করে ফেলেছে সরকার। তাহলে সেই টাকা গেলো কোথায়? টাকার খোঁজ করতে গিয়ে চক্ষু চড়কগাছ!...

বিস্তারিত বিবরণ >>

লড়াইয়ের তিন সাহসী মুখ

কেয়া পাল

১১ সেপ্টেম্বর, ২০১১

দিনে দুপুরে ভরাট হয়ে যাচ্ছে পুকুর, ডোবা। তৈরি হচ্ছে খামার। গ্রামের প্রভাবশালী, বিত্তবানদের অর্থ আর পেশীশক্তির দাপটে একের পর এক জলাশয় চলে যাচ্ছে মুনাফাখোরদের গর্ভে। আর দিনে দিনে নিঃস্ব হয়ে পড়ছেন উত্তরাখণ্ডের উধম সিং নগরের একাধিক গ্রামের গরিব মানুষ।...

বিস্তারিত বিবরণ >>

জলবন্দী রমজান মাসে
এমন দুর্ভোগ, আগে দেখিনি

রাজীব চৌধুরী

২৮ আগস্ট, ২০১১

Image

+

দিন সাতেক আগে বাড়ির দাওয়ায় বসে আশঙ্কার কথা শুনিয়েছিলেন ষাট ছুঁইছুঁই বৃদ্ধা বিশাখা মণ্ডল। তখনও পদ্মা থেকে তাঁর বাড়ির দূরত্ব পঞ্চাশ মিটার। কথা হয়েছিল বিশাখা মণ্ডলের দাওয়ায় বসেই। সরকার যদি আমাদের রাখে তা হলে আমরা থাকবো। না হলে আমাদের ফের ভাঙনে ছিন্নমূল হওয়া ছাড়া আর কোন উপায় নেই। দিন কয়েক ধরে রাতের ঘুম কেড়ে নিয়েছে ভরা পদ্মার তীব্র তর্জন গর্জন। এর আগেও বছর কুড়ি হলো একবার পদ্মার ভাঙনে ছিন্নমূল হয়েছিলেন বিশাখা মণ্ডল ও তাঁর পরিবার।...

বিস্তারিত বিবরণ >>

বাজার আগুন, সবাইকে খাইয়ে
অর্ধাহারে, অনাহারে মায়েরা

অনিল কুণ্ডু

২৮ আগস্ট, ২০১১

এখন আর দু’বেলা পেট ভরে খাবার জোটে না মর্জিনা বিবির। সংসারে সকলকে খাওয়ানোর শেষে নিজের জন্য থাকা যৎসামান্য অবশিষ্ট মুখে দিয়েই দিন গুজরান করেন তিনি। বারুইপুরের মল্লিকপুরে ফরিদপুর গ্রামের বাসিন্দা তিনি। সংসারে রয়েছেন স্বামী, দুই ছেলে আর চার মেয়ে। হতদরিদ্র এই পরিবার আগে তবু দু’বেলা পেট পুরে খেতে পারতো।

আর এখন?...

বিস্তারিত বিবরণ >>

Current Affairs

Featured Posts

Advertisement