আজকের দিনে



 

ছবির খাতা

জনতার ব্রিগেড

আরো ছবি

ভিডিও গ্যালারি

Video

শ্রদ্ধাঞ্জলি

আন্তর্জাতিক

কলকাতা

 

শতবর্ষে শ্রদ্ধা

আপনার রায়

গরিবের পাশে থেকেছে বামফ্রন্টই

হ্যাঁ
না
জানি না
 

ই-পেপার

Back Previous Page

এস এস সি পরীক্ষা, এবার
৫কেন্দ্রের দায়িত্বে চেয়ারম্যানরা

নিজস্ব প্রতিনিধি : কলকাতা, ৮ই আগস্ট— এস ডি ও অথবা বি ডি ও-এর উপর আর ভরসা রাখতে পারছে না স্কুল সার্ভিস কমিশন। তাই যে পাঁচটি কেন্দ্রে ফের এস এস সি পরীক্ষা নেওয়া হবে সেই কেন্দ্রগুলির দায়িত্বে থাকবেন খোদ কমিশনের সংশ্লিষ্ট আঞ্চলিক চেয়ারম্যানরা। বুধবার, বিষয়টি নিয়ে স্কুল সার্ভিস কমিশনের অফিসে এক বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।

নজিরবিহীনভাবে, এবারের এস এস সি পরীক্ষায় বেশ কয়েকটি কেন্দ্রে প্রশ্নপত্র না পাওয়ার ফলে অনেকে পরীক্ষা দিতে পারেননি। পরীক্ষার দিন এ নিয়ে রাজ্যজুড়ে এক চূড়ান্ত বিশৃঙ্খলা দেখা দেয়। পরে পাঁচটি কেন্দ্রে ফের পরীক্ষা নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য হয় কমিশন। আগামী ২রা সেপ্টেম্বর, হাওড়ার বাগনান আদর্শ বালিকা বিদ্যালয়, হুগলী চুঁচুড়ার দেশবন্ধু মেমোরিয়াল স্কুল, বর্ধমানের রাইপুর-কাশিয়ারা হাইস্কুল ও রসুলপুর ভূবনমোহন হাইস্কুল, মালদহের মহিলা মহাবিদ্যালয়—এই পাঁচটি কেন্দ্রে ফের পরীক্ষা নেওয়া হবে। তবে এই পাঁচটি কেন্দ্রে এবার সরাসরি দায়িত্ব সামলাবেন এস এস সি’র পাঁচটি আঞ্চলিক অফিসের চেয়ারম্যানরা। কমিশনের রাজ্য চেয়ারম্যান নিজে দায়িত্ব সামলাবেন চুঁচুড়ার দেশবন্ধু মেমোরিয়াল স্কুল কেন্দ্রটিতে।

এ পর্যন্ত রাজ্যস্তরে নানা পরীক্ষায় এস ডি ও অথবা বি ডি ও-রা যেভাবে দায়িত্ব সামলেছেন হঠাৎ করে তাঁদের সরিয়ে দিয়ে কেনই বা কমিশনের চেয়ারম্যানরা রাস্তায় নেমে পড়লেন? যুক্তি হিসেবে কমিশনের পক্ষ থেকে ‘বাড়তি সর্তকতা’র কথা বলা হয়েছে। সূত্রের খবর, আসলে জেলাস্তরের এই আধিকারিকদের উপর কমিশন আর ভরসা রাখতে রাজি নয় বলেই এই সিদ্ধান্ত। প্রসঙ্গত, ট্রেজারি থেকে যথাসময় পরীক্ষা কেন্দ্রে প্রশ্নপত্র পাঠানো, পরীক্ষা কেন্দ্রে যাতে কোনো ধরনের বিশৃঙ্খলা না হয় তার দেখভাল করা, আবার কেন্দ্রের মধ্যে পরীক্ষা নিয়ে কোনো বিভ্রাট দেখা দিলে জরুরী ভিত্তিতে সিদ্ধান্ত নেওয়ার মতো বিষয়গুলিতে যথাসম্ভব দায়িত্ব সামলে এসেছেন এস ডি ও এবং বি ডি ও-রা। কিন্তু তাঁদের সরিয়ে দিয়ে পাঁচটি পরীক্ষা কেন্দ্রে চেয়ারম্যানদের সরাসরি হস্তক্ষেপ বকলমে তাঁদের প্রতি অনাস্থাই দেখানো হলো বলে মনে করছে একাংশ।