আলিপুর চিড়িয়াখানা চত্বরে
ফানুস রুখতে উদ্যোগী
হল চিড়িয়াখানা কর্তৃপক্ষ

আলিপুর চিড়িয়াখানা চত্বরে <br> ফানুস রুখতে উদ্যোগী <br>হল চিড়িয়াখানা কর্তৃপক্ষ
+

 গণশক্তির প্রতিবেদন: বিমানবন্দরের মতো এবার আলিপুর চিড়িয়াখানা চত্বরেও ফানুস রুখতে উদ্যোগী হল চিড়িয়াখানা কর্তৃপক্ষ । চিড়িয়াখানা চত্বরের ২.৫ কিলোমিটারের মধ্যে ওড়ানো যাবে না ফানুস । ইদানীং দীপাবলীতে বাজির পাশাপাশি উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে ফানুস ওড়ানোর হিড়িক । সেই ফানুসই কখনও জ্বলন্ত অবস্থাতেই পড়ছে চিড়িয়াখানার এদিক সেদিকে, তাতেই ঘটছে বিপত্তি । মানুষ নয় তাও সময় মতো সরে যেতে পারে । কিন্তু নিরীহ পশুর দল তা পারছে না ।

আলিপুরের এই চিড়িয়াখানায় প্রায় অধিকাংশ পশুর খাঁচাই মাথাখোলা । এবছর দীপাবলীর মরশুমে এই চিড়িয়াখানা চত্বরেই প্রচুর জ্বলে যাওয়া ফানুস উদ্ধার করেন চিড়িয়াখানার কর্মীরা । ইতিমধ্যেই শব্দবাজি ও ফানুসের কারণে পশুদের মধ্যে অস্বাভাবিক আচরণ দেখা গেছে । ইতিমধ্যেই পশুদের শান্ত রাখতে ওষুধ প্রয়োগ করতে হয়েছে কর্তৃপক্ষকে । পাশাপাশি কলকাতা পুলিশ ও পুরসভার কাছে ফানুস নিষিদ্ধ করার আবেদন জানানো হয়েছে চিড়িয়াখানা কর্তৃপক্ষের তরফে ।
শব্দবাজির আওয়াজে হরিণরা ক্ষতিগ্রস্থ হয় । হরিণরা এমনিতেই ভিতু প্রকৃতির হয় । শব্দবাজির আচমকা আওয়াজে তাদের আচরণে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন আসে। ভয়ে দৌড়দৌড়ি শুরু করে দেয় । সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত হয় ক্যাঙারুরা । শব্দবাজির প্রচন্ড আওয়াজে ক্যাঙারুদের হার্টের সমস্যা দেখা দিতে পারে, পরবর্তীকালে ফুসফুস ও কিডনির সমস্যাও দেখা দেয় । তাই এই মরশুমে সাধারণত তাদের ভিতরের খাঁচায় স্থানান্তরিত করা হয় ।
পশুরা সাধারণত এইসময় বিশ্রাম নেয় । সেইসময় বাজির বিকট আওয়াজে বিরক্ত হয় । সেইকারণেই প্রতিবছর এইসময় আলিপুর চিড়িয়াখানায় তাই বিশেষ সতর্কতার ব্যবস্থা জারি করা হয় । নিরাপত্তাকর্মীদের নির্দেশ দেওয়া হয় পশুপাখিদের উপর বিশেষ নজর রাখার ।

Current Affairs

Featured Posts

Advertisement