ইটাহার ও রায়গঞ্জে
শেয়ালের আক্রমণে আহত দুই

ইটাহার ও রায়গঞ্জে  <br>শেয়ালের আক্রমণে আহত দুই
+

 গণশক্তির প্রতিবেদন: ইটাহার ও রায়গঞ্জে শেয়ালের আক্রমণে আহত দুই। ইটাহারে একটি শেয়াল মানুষকে আক্রমন করে পালিয়ে যায়। রায়গঞ্জের আক্রমণকারী শেয়ালের ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয়। এই ঘটনায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়ায় ইটাহারের ডামডোলিয়া এবং রায়গঞ্জের দেহখন্ডা গ্রামে। আহত দুই ব্যক্তির চিকিৎসা চলছে রায়গঞ্জ সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে। এভাবে শেয়েলের আক্রমণের ঘটনায় আতঙ্ক ছড়িয়েছে এলাকায়। এরকম ঘটনার দৃষ্টান্ত ইটাহার এবং রায়গঞ্জে সাম্প্রতিক অতীতে পাওয়া যায়নি। বৃহস্পতিবার রাতে ইটাহারের ডামডোলিয়া গ্রামে নাসিমুল হক তাঁর দাদাকে মাঠে খাবার পৌঁছাতে যান। দাদা সেইসময় কৃষি জমিতে জল দেওয়ার কাজ করছিলেন। খাবার দিয়ে ফিরে আসার সময় আচমকাই একটি শেয়াল নাসিমুলে ওপর ঝাপিয়ে পরে। নাসিমুল হাত দিয়ে শেয়ালের কামড় খুলে ফেলতে সক্ষম হন। পালিয়ে যায় শেয়াল, তবে নাসিমুলের হাতের একটি আঙ্গুল ঘটনায় খোয়া যায়। আহত নাসিমুল কে রাতেই রায়গঞ্জ সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। অন্যদিকে শুক্রবার সকালে বাড়ির সামনে একটি মাঠে বসে কন কনে শীতের হাত থেকে বাঁচতে আগুনের তাপ নেওয়ার সময় আচমকাই শেয়ালের আক্রমণে পরেন রায়গঞ্জ থানার বীরঘই গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকার দেহখন্ডা গ্রামের গোবিন্দ বর্মন। গোবিন্দ বর্মনের সাথে শেয়ালের দীর্ঘ সময় লড়াই চললেও শেয়াল গোবিন্দ বাবুকে ছাড়তে চায়নি। পরে শাবল দিয়ে শেয়ালের কামড় থেকে মুক্ত করা হয় গোবিন্দ বাবুকে। তাঁকে রায়গঞ্জ সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। মারা গেছে আক্রমনকারী শেয়াল। এই দুই ঘটনার খবর ছড়িয়ে পড়তেই পার্শ্ববর্তী গ্রামগুলোতে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।

Current Affairs

Featured Posts

Advertisement