কেলেঙ্কারি লুকোতে
চায় সরকার: পলিট ব্যুরো

কেলেঙ্কারি লুকোতে <br> চায় সরকার: পলিট ব্যুরো
+

 গণশক্তির প্রতিবেদন: নয়াদিল্লি, ১১ জানুয়ারি- সিবিআই অধিকর্তার পদ থেকে অলোক ভার্মাকে  বদলির  ঘটনাকে দ্বিতীয় অভ্যুত্থান বলে চিহ্নিত করেছে সিপিআই (এম) পলিট ব্যুরো। শুক্রবার এক বিবৃতিতে পলিট ব্যুরো বলেছে, সুপ্রিম কোর্ট তাঁকে পুনর্বহাল করার ৪৮ঘন্টার মধ্যে তাঁকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে। সিবিআই যাতে সরকারের নিয়ন্ত্রণে থাকে, রাজনৈতিক ও নির্বাচনী হাতিয়ার হিসাবে যাতে তা ব্যবহার করা যায় তা নিশ্চিত করতেই এই সিদ্ধান্ত। বিজেপি-র লক্ষ্য সরকারের সমালোচক ও বিরোধীদের হয়রানি, ব্ল্যাকমেল, মুখ বন্ধ করা এবং অনুগতদের রক্ষা করা। মোদী সরকার নিজেদের দুর্নীতির উন্মোচন বন্ধ করতেও এই পদক্ষেপ নিয়েছে।

পলিট ব্যুরো বলেছে, ২০১৮-র ২৩ অক্টোবর মধ্যরাতের অভ্যুত্থানে সিভিসি-র অপরীক্ষিত, প্রশ্নযোগ্য সিভিসি রিপোর্ট ব্যবহার করা হয়েছিল। সুপ্রিম কোর্ট সেই পদক্ষেপকে বেআইনি মনে করে ভার্মাকে পুনর্বহাল করে। দ্বিতীয় অভ্যুত্থানের মাধ্যমে তাঁকে বদলি করা হয়েছে। কয়েকদিনের মধ্যেই তাঁর অবসর নেবার কথা ছিল। জোরালো আপত্তি সত্ত্বেও এবং সিভিসি রিপোর্ট সম্পর্কে ভার্মাকে আত্মপক্ষ সমর্থনের কোনও সুযোগ না দিয়ে প্রধানমন্ত্রী মোদী এই পদক্ষেপ নিয়েছেন। ধান্দার কারবার, দুর্নীতি, জাতীয় নিরাপত্তাকে লঘূ করার অভিযোগ উঠেছে সরকারের সর্বোচ্চ স্তরের বিরুদ্ধে। তা যাতে উন্মোচিত না হয় সেই লক্ষ্যেই এই পদক্ষেপ। এটা স্পষ্টই যে মোদী সরকারের অনেক কিছুই গোপন করার রয়েছে। রাফালে বরাত সহ বিভিন্ন কেলেঙ্কারি উন্মোচিত হয়ে যেতে পারে এই আতঙ্ক ও ভয় থেকেই এই পদক্ষেপ নিয়েছে সরকার।

পলিট ব্যুরো বলেছে, সিবিআই-র স্বাধীনতা পুরোপুরি খর্ব করা হচ্ছে। সিবিআই ছাড়াও আরবিআই, বিচারবিভাগ, তথ্য কমিশন সহ ভারতের গণতন্ত্রের অন্যান্য স্তম্ভকে ধ্বংস করার জন্য সরকার মরিয়া চেষ্টা করছে। দেশের মানুষ এই প্রহসন দেখছেন, আগামী নির্বাচনে বিজেপি-এনডিএ-কে যথার্থ জবাব দেবেন। 

Current Affairs

Featured Posts

Advertisement