২৮তারিখ যুবভারতীতেই
খেলবে ইস্টবেঙ্গল

২৮তারিখ যুবভারতীতেই<br>খেলবে ইস্টবেঙ্গল
+

নিজস্ব প্রতিনিধি : কলকাতা, ২২শে নভেম্বর — শেষ কয়েকদিন ধরে চলা টালবাহানার অবশেষে অবসান। ২৮শে নভেম্বরের ইস্টবেঙ্গল-আইজল এফ সি ম্যাচ নিয়ে জটিলতা অবশেষে কাটলো। নির্দিষ্ট সময়েই যুবভারতীতেই হচ্ছে এই ম্যাচ। বুধবার সন্ধ্যাবেলা সরকারি চিঠি এসে পৌঁছালো ইস্টবেঙ্গল ক্লাবে। চিঠি পেয়েই স্বস্তির নিশ্বাস ফেললেন ইস্টবেঙ্গল কর্তা, খেলোয়াড়, কোচ সমর্থক সবাই। ক্রীড়ামন্ত্রীর ফতোয়ায় প্রথম ম্যাচেই ওয়াকওভারের খাঁড়ার সামনে পড়তে হচ্ছিলো ইস্টবেঙ্গলকে। ক্রীড়ামন্ত্রী জানিয়েছিলেন, দুদিনের ব্যবধানে ম্যাচ হতে পারে যুবভারতীতে। ২৬শে নভেম্বর যুবভারতীতে এ টি কে-এর ম্যাচ। সেই হিসাবে ৪৮ঘণ্টার ব্যবধান থাকা সত্ত্বেও প্রশ্নচিহ্ন ওঠে ইস্টবেঙ্গলের ম্যাচ হওয়া নিয়ে। ফেডারেশনের কাছে ম্যাচ পিছানোর আবেদন করে ইস্টবেঙ্গল। ফেডারেশনের পক্ষ থেকে সাফ জানিয়ে দেওয়া হয়েছিল ম্যাচ পিছানো সম্ভব না। ম্যাচের স্থান পরিবর্তনও সম্ভব না। যার ফলস্বরূপ ইস্টবেঙ্গলের সামনে ম্যাচ খেলা ছাড়া আর গতি ছিল না। ম্যাচ না হলে ৩পয়েন্ট কাটা যেত তাদের। শেষ দুদিন রাজ্য সরকারের সঙ্গে দফায় দফায় আলোচনা করেও সদুত্তর মেলেনি। শেষ অবধি বুধবার সন্ধ্যাবেলা সরকারের চিঠি আসায় স্বস্তি ইস্টবেঙ্গলে। 
অবশ্য সম্পূর্ণ স্বস্তি কি পাওয়া যাচ্ছে? না বোধহয়। প্রথম ম্যাচ খেলতে পারলেও বড়সড় আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়তে চলেছে ইস্টবেঙ্গল। সেই সঙ্গে সৃষ্টি হতে চলেছে চরম বিভ্রান্তির। বৃহস্পতিবার এবং শুক্রবার টিকিট ছাপাবে ইস্টবেঙ্গল। শনি এবং রবিবার রাজ্য সরকারের ছুটি। সোমবারের টিকিটে স্ট্যাম্প মারা হবে সরকারের পক্ষে। ম্যাচ মঙ্গলবার। ইস্টবেঙ্গলের এক শীর্ষকর্তা জানালেন, ‘আমরা শনিবার সরকারকে স্ট্যাম্পিংয়ের কাজটা করতে অনুরোধ করেছি। তবে জানি না সেই অনুরোধ মানা হবে কিনা।’ যদি মানা না হয় ইস্টবেঙ্গলের পক্ষে সোমবার রাতের আগে টিকিট বিক্রি শুরু করা সম্ভব নয়। শেষে হয়তো স্টেডিয়ামে এসে টিকিট সংগ্রহ ছাড়া উপায় থাকবে না সমর্থকদের।
মাঠ নিয়ে বিভ্রান্তি আছে। খালিদের অবশ্য কোন বিভ্রান্তি নেই। তিনি ইতিমধ্যেই তার প্রথম একাদশ গুছিয়ে নিয়েছেন। গোলরক্ষক পজিশনে ব্যারেটো নাকি মিরশাদ? তা নিয়ে ধোঁয়াশা আছে। রক্ষণে সালাম রঞ্জন, এডুয়ার্ডোর সঙ্গে মেহতাব সিং এবং দীপক কুমার। মাঝমাঠে আমনা, বাইজু, ব্রেন্ডন এবং কাটসুমি। আক্রমণে প্লাজা এবং সুহের। বুধবার অনুশীলনের পর সালাম জানালেন, ‘আমি দলে অনেকটা জুনিয়র। অর্ণব ভাই, গুরবিন্দর ভাইরা আছেন। তবে এই প্রতিযোগিতা দলের উন্নতিতেই কাজে লাগবে।

Current Affairs

Featured Posts

Advertisement