রিয়ালের জার্সিতে
শততম চ্যাম্পিয়ন্স লিগ
গোল রোনাল্ডোর

রিয়ালের জার্সিতে<br>শততম চ্যাম্পিয়ন্স লিগ<br>গোল রোনাল্ডোর
+

নিকোশিয়া (সাইপ্রাস), ২২শে নভেম্বর — লা লিগায় তাঁর দল বার্সেলোনার থেকে ১০ পয়েন্ট পিছিয়ে। গোলের দেখা নেই। সঙ্গে ছন্দে নেই রিয়াল মাদ্রিদও। সমালোচনার ঝড়ে তিনি বিদ্ধ। শেষ ম্যাচে অ্যাটলেটিকো মাদ্রিদের বিরুদ্ধে ০-০ ড্রয়ের পর আক্রমণের বাণে রোনাল্ডোকে বিদ্ধ করেছিল সংবাদমাধ্যম। কিন্তু চ্যাম্পিয়ন্স লিগে প্রত্যাবর্তন রিয়াল তারকা ক্রিশ্চিয়ানো রোনাল্ডোর। গ্রুপ পর্যায়ের শেষ ম্যাচে অ্যাপোলের বিরুদ্ধে জোড়া গোল করে সমালোচকদের উপযুক্ত জবাব দিলেন রোনাল্ডো। সেই সঙ্গে গোলের বন্যায় ভাসলেন রিয়াল মাদ্রিদ ফুটবলাররা। ৬-০ গোলে হারিয়ে নক আউটে জিনেদিন জিদানের রিয়াল মাদ্রিদ। জোড়া গোল রোনাল্ডো (৪৯,৫৪) এবং করিম বেঞ্জেমার (৩৯, ৪৬)। অন্য গোলগুলি লুকা মডরিচ (২৩), নাচোর (৪১)। শুধু তাই নয়, রিয়াল জার্সিতে ৯৫তম চ্যাম্পিয়ন্স লিগ ম্যাচে ১০০ গোলের মাইলফলক স্পর্শ করলেন পর্তুগিজ তারকা। রিয়ালের হয়ে শেষ ১০টি চ্যাম্পিয়ন্স লিগ ম্যাচের ৯টিতে গোল করেছেন রোনাল্ডো। এই জয় রিয়াল শিবিরে বিশুদ্ধ অক্সিজেনের সঞ্চার ঘটাবে তা বলার অপেক্ষা রাখে না। ম্যাচ শেষে জিদান জানান, ‘রোনাল্ডো এবং বেঞ্জেমা গোলে ফেরা দলের জন্য ইতিবাচক। প্রচুর সমালোচনার সত্ত্বেও গোলের মধ্যে ফিরেছে দুজনেই।’ 
অ্যাপোল ম্যাচে গোলের পর ফরাসি ফুটবলার হিসেবে ৫৩ গোল করে চ্যাম্পিয়ন্স লিগের সর্বোচ্চ গোলদাতার তালিকায় শীর্ষে বেঞ্জেমা। ফ্রান্স এবং আর্সেনাল কিংবদন্তি থিয়েরি অঁরিকে (৫১) টপকে শীর্ষে তিনি। ২৭৯ পর চ্যাম্পিয়ন্স লিগে গোল করলেন তিনি। সাংবাদিকদের ভূমিকায় ক্ষুব্ধ রোনাল্ডো। বিরক্ত হয়ে জানিয়েছেন, ‘আমি একরকম কথা বলি। আর সংবাদমাধ্যমে অন্য কথা লেখা হয়। তা হলে আমার মতামত নেওয়ার কি দরকার?’
অন্যদিকে জার্মানিতে পিছিয়ে থেকেও জয়ী টটেনহ্যাম। ইদুনা পার্কে ডর্টমুন্ডের বিরুদ্ধে ১-০ গোলে পিছিয়ে থেকেও ২-১ জয়ী ইংলিশ ক্লাব। স্বপ্নের ফর্মে টটেনহ্যাম এবং ইংল্যান্ড স্ট্রাইকার হ্যারি কেন। ৩১ মিনিটে এমরিক আবোমিয়াঙের গোলে এগিয়ে যায় জার্মান দল। মৌরিসিও পোচেটিনোর দলকে সমতায় ফেরায় হ্যারির ৪৯ মিনিটের গোল। ৭৬ মিনিটে সান হুয়েঙ মিনের গোলে ২-১ এগিয়ে যায় ইংলিশ দলটি। এরপর আর গোল হয়নি। গ্রুপ শীর্ষে থেকেই শেষ ষোলোয় টটেনহ্যাম।
অন্যদিকে সেভিয়ার বিরুদ্ধে ৩-০ গোলে এগিয়ে থেকেও ৩-৩ গোলে ড্র করেছে য়ুরগেন ক্লপের লিভারপুল। ২ মিনিটে রবার্তো ফার্মিনহোর গোলে এগিয়ে যায় লিভারপুল। ২২ মিনিটে ২-০ করেন সেনেগাল স্ট্রাইকার সাদিও মানে। ৩০ মিনিটে ৩-০ করেন সাদিও মানে। কিন্তু দ্বিতীয়ার্ধে বেন ইয়েদারের (৫১,৬০) এবং বাঁশি বাজার শেষ মিনিটে গুইডো পিজারোর (৯৩) নাটকীয় গোলে হার বাঁচায় স্প্যানিশ দলটি। যদিও গ্রুপ শীর্ষে থেকেই নক আউটে লিভারপুল। গ্রুপ পর্যায়ে বারবার রক্ষণের ভুলে জয় হাতছাড়া হয়েছে য়ুরগেন ক্লপের। যার পুনরাবৃত্তি দেখা গেল সেভিয়া ম্যাচে।
সব থেকে খারাপ অবস্থা গতবারের সেমিফাইনালিস্ট এফ সি মোনাকোর। জার্মান দল লিপজিগের কাছে ৪-১ হার ফরাসি দলের। অন্যদিকে, এফ সি পোর্তোর বিরুদ্ধে ১-১ গোলে ড্র করে চ্যাম্পিয়ন্স লিগের শেষ ষোলোয় প্রথমাবারের জন্য যোগ্যতা অর্জন করেছে বেসিকতাস।

Featured Posts

Advertisement