কোটলা টেস্ট বিরাটদের
প্রাণশক্তিকে শুষে নিলো 

কোটলা টেস্ট বিরাটদের<br>প্রাণশক্তিকে শুষে নিলো 
+

উৎপল চ্যাটার্জি
দক্ষিণ আফ্রিকা সফরে যাওয়ার আগে কোটলা টেস্ট বিরাট কোহলিদের প্রাণশক্তিকে শুষে নিলো। হয়তো বিরাট ডাবল সেঞ্চুরি করেছে, পূজারা ও বিজয় সেঞ্চুরি করেছে, রোহিত হাফসেঞ্চুরি পেলো দুই ইনিংসেই। তবুও নিষ্ফলা ড্র, সবদিক থেকে নেতিবাচক ভাবনাকেই প্রশ্রয় দেয়। ৮৭ওভারে দুই উইকেট ফেলতে পেরেছে ভারতের বোলাররা। এদিক থেকে এই পরিসংখ্যান বেশ কষ্টদায়কই। ঈশান্ত শর্মার বোলিং হতাশাজনক। অশ্বিন-জাদেজাকে উইকেট তুলতে হয়েছে। আমার মনে হয় দক্ষিণ আফ্রিকা সফরে যাওয়ার আগে ব্যাটসম্যান ও বোলারদের আরও কঠিন পিচের সামনে ফেলা উচিত ছিলো। এতে করে সুবিধে হতো সফরে গিয়ে। বিরাটের নেতৃত্বের ক্যারিশমা চলছেই। ঘর-বাইরে মিলিয়ে টানা নয়টি সিরিজ জয়ের স্বাদ পেলো ভারত। যদি কোনওভাবে কোহলির দল দক্ষিণ আফ্রিকা সফরে ড্র-ও করে, সেক্ষেত্রে নয়া মুকুট যোগ হবে। 
কোটলা টেস্টে বিরাটদের জয় প্রয়োজন ছিলো। কিন্তু এটাও ভাবতে হবে শ্রীলঙ্কার ব্যাটসম্যানরা গত টেস্টগুলিতে ভারতের বোলারদের খেলে অনেকটাই সড়গড় হয়ে গিয়েছিলো। তাই ওদের ব্যাটসম্যানরাও প্রত্যাঘাত হানতে পেরেছে। এমনিতেই টেস্টে যে কোনও পিচ প্রথম দু’দিন যেভাবে সজিব থাকে, পরেরদিন গুলিতে তরতাজা ভাবটা কমে যায়। তারচেয়েও বড় কথা, দিল্লি টেস্টে অপ্রত্যাশিতভাবে দূষণের একটা প্রভাব ছিলো। সেই কারণে শ্রীলঙ্কা ক্রিকেটারদের মুখোশ পরে খেলতে হয়েছে। এতে করে দুটি দলের কাছেই অপ্রীতিকর পরিস্থিতি সামনে চলে এসেছিলো। তবে আবারও বলবো, ভারতীয় দল টেস্টে এ মুহূর্তে অন্যতম সেরা দল। সেই দলের বোলাররা সারা দিনে দুটির বেশি উইকেট তুলতে পারলো, সেটি এই সিরিজের সবচেয়ে হতশ্রী বিজ্ঞাপন। অনেকে বলছে ঠিকই, দলের এই স্পিন আক্রমণের কথা ভেবে কুলদীপকে দক্ষিণ আফ্রিকাগামী টেস্ট দলে দরকার ছিলো, আমার তা মনে হয় না। অশ্বিন-জাদেজা থাকতে কুলদীপকে দরকার নেই, এখনও বিদেশের মাঠে দলকে ভরসা জোগানোর মতো সাবালক হয়নি কুলদীপ। 

Featured Posts

Advertisement