২৬শে রাজ্যে
বামফ্রন্টের মানববন্ধন

২৩শে দেশপ্রেম দিবস

২৬শে রাজ্যে<br>বামফ্রন্টের মানববন্ধন
+

নিজস্ব প্রতিনিধি: কলকাতা, ১১ই জানুয়ারি— আগামী ২৩শে জানুয়ারি নেতাজী সুভাষচন্দ্র বসুর জন্মদিবসকে এবারও দেশপ্রেম দিবস হিসাবে পালন করবে বামফ্রন্ট। সেই সঙ্গে আগামী ২৬শে জানুয়ারি সাধারণতন্ত্র দিবসে রাজ্যের সর্বত্র মানববন্ধন করে সম্প্রীতি ও ঐক্য রক্ষার শপথ গ্রহণ করা হবে। বৃহস্পতিবার রাজ্য বামফ্রন্টের বৈঠকের পরে বামফ্রন্ট চেয়ারম্যান বিমান বসু সাংবাদিকদের একথা জানিয়েছেন। 
বসু বলেছেন, এর আগে আমরা কেন্দ্র ও রাজ্য সরকারকে অনেকবার লিখিতভাবে আবেদন করেছিলাম নেতাজীর জন্মদিবসকে দেশপ্রেম দিবস হিসাবে ঘোষণা করার জন্য। কিন্তু তারা সাড়া দেয়নি। এই বছর আমরা আর কোনও আবেদন করিনি। আমরা বামফ্রন্টের পক্ষ থেকেই রাজ্যের সর্বত্র ২৩শে জানুয়ারি দেশপ্রেম দিবস পালন করবো। সুবোধ মল্লিক স্কোয়ারে সকাল ১১টায় জমায়েত করে সেখান থেকে মিছিল করে রেড রোডে নেতাজী মূর্তির সামনে যাওয়া হবে। তারপর কেন্দ্রীয় নেতাজী জন্মোৎসব কমিটির উদ্যোগে সেখানে অনুষ্ঠান ও সভা হবে, আমরা বামফ্রন্টের পক্ষ থেকে তাতে অংশগ্রহণ করবো। 
২৬শে জানুয়ারির কর্মসূচি সম্পর্কে বামফ্রন্টের সিদ্ধান্তের কথা জানিয়ে বিমান বসু বলেছেন, ঐদিন রাজ্যের সর্বত্র মানববন্ধন করা হবে, বামফ্রন্ট নেতৃবৃন্দও তাতে অংশ নেবেন। কলকাতায় রাজ্য নেতৃবৃন্দের যারা থাকবেন তাঁরা এখানেই মানববন্ধনে অংশ নেবেন। বহুজাতিক, বহু ধর্ম ও বহু ভাষার দেশ ভারতের সংবিধানে উল্লিখিত গণতন্ত্র, ধর্মনিরপেক্ষতা রক্ষার জন্য, দেশের মানুষের ঐক্য ও সম্প্রীতি রক্ষার জন্য যে কোনও আত্মত্যাগে প্রস্তুত থাকার শপথ গ্রহণ করা হবে ঐ মানববন্ধন থেকে। 
এদিকে গোর্খা জনমুক্তি মোর্চার নেতা বিমল গুরুঙের আলোচনায় বসতে চাওয়ার সিদ্ধান্ত সম্পর্কে সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে বিমান বসু বলেছেন, আমরা বারবার বলেছি, দার্জিলিঙের সমস্যার প্রকৃত সমাধান করতে হলে সবপক্ষকে নিয়ে আলোচনায় বসা ছাড়া কোনও পথ নেই। বাস্তবসম্মত সমাধান আলোচনার মাধ্যমেই সম্ভব। 
পশ্চিমবঙ্গে বি জে পি-র কর্মসূচি সম্পর্কে সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে বসু বলেন, যারা বিজ্ঞান ও যুক্তির বাইরে গিয়ে কথা বলে তাদের কথার কোনও গুরুত্ব নেই। তারা মনে করে মাধ্যাকর্ষণ তত্ত্ব নিউটনের আবিষ্কার নয়। মানুষকে রক্ষা করার বদলে গোরু রক্ষা করা নিয়েই ওরা বেশি ব্যস্ত। সেইজন্যই বেকারদের চাকরির ব্যবস্থা না করে গোরক্ষা নিয়েই ওদের হইচই। আর এস এস নির্দেশিত একমুখী রাজনৈতিক দর্শন নিয়ে ওরা চলছে। মানুষের ভালো করার বদলে মানুষের ঐক্য নষ্ট করাই ওদের উদ্দেশ্য। 

Featured Posts

Advertisement