‘বড় মঞ্চে খেলার অভিজ্ঞতাই
আজ কাজে লাগাবো’

‘বড় মঞ্চে খেলার অভিজ্ঞতাই<br>আজ কাজে লাগাবো’
+

নিজস্ব প্রতিনিধি : ভুবনেশ্বর, ১৯শে এপ্রিল —ইস্টবেঙ্গলে তিনি যেন অনেকটা ‘ফ্লাড গেট’ এর কাজ করছেন। তাঁর আসার পরই আই লিগের ম্যাচে লালহলুদ রক্ষণের কাঁপুনিটা অনেকটা কমেছে। সুপার কাপের তিন ম্যাচে মাত্র এক গোল হজম করেছে ইস্টবেঙ্গল। সেটি ফ্রিকিক থেকে। খালিদ আউচোকে নিয়ে বেশ উচ্ছ্বসিত ইস্টবেঙ্গল শিবির। বিশেষজ্ঞ মহলের ধারণা সুপার কাপ ফাইনালে বেঙ্গালুরুর আক্রমণভাগের বিরুদ্ধে লালহলুদের বড় ভরসা হতে চলেছেন আউচো। ইস্টবেঙ্গল টিম হোটেলের ২২০ নম্বর ঘরে দেখা গেলো রুম পার্টনার আমনার সঙ্গে দিব্বি আড্ডা মারছেন আউচো। ঘরে বসেই ফাইনালের পরিকল্পনা, চাপ, পরের মরশুম সমস্ত কিছু নিয়ে গণশক্তির সব প্রশ্নের সামনে খোলামেলা আউচো।
প্রশ্ন: ভারতের সব থেকে শক্তিশালী দলের বিরুদ্ধে ফাইনাল। কতটা কঠিন ম্যাচ হতে চলেছে?
আউচো: বেঙ্গালুরু ভালো দল। এই ম্যাচটার আগেও কিন্তু আমি অনেক বড় ম্যাচ খেলেছি। বিশ্বকাপের যোগ্যতার্জন পর্ব, আফ্রিকান নেশনস কাপ। জীবনে অনেক কঠিন ম্যাচ খেলেছি। সেই অভিজ্ঞতাগুলোই ফাইনালে কাজে লাগাবো। আমি বেঙ্গালুরুর জন্য তৈরি। আর পাঁচটা ম্যাচের থেকে আমার কাছে একটাই পার্থক্য, এটা ফাইনাল।
প্রশ্ন: মিকু, সুনীল, উদান্ত। ভয়ঙ্কর ত্রিভুজ। ফাইনালে আপনার উপর নিশ্চয় বাড়তি দায়িত্ব থাকছে?
আউচো: সেটা কোচ ম্যাচের আগের টিম মিটিংয়ে বলবে। কোচ বেঙ্গালুরুর ম্যাচ খুঁটিয়ে দেখেছেন। আমাদের সেভাবেই অনুশীলন করিয়েছেন। কোচের পরিকল্পনা মতোই খেলবো। আমরা কোচের নির্দেশের অপেক্ষায় রয়েছি। বেঙ্গালুরুর মিকুদের নিয়ে অবশ্যই আলাদা ভাবনা আছে। কাউকে থামানোর কথা মাথায় রেখে নামবো না। নিজেদের খেলাটা খেলবো। কাজটা আমার একার নয়। দল হিসাবে খেলে ফাইনালে পৌঁছেছি, ফাইনালেও দল হিসাবেই খেলবো।
প্রশ্ন: আপনি আসার পর থেকে ইস্টবেঙ্গল রক্ষণ তুলনামূলকভাবে অনেকটা মজবুত। প্রথম প্রতিযোগিতাতেই আপনার সামনে ট্রফির হাতছানি।
আউচো: ইস্টবেঙ্গল আমাকে ট্রফি জেতার জন্যই এনেছে। নিজের সেরাটা দিয়েছি। ফাইনালে নিজেকে ছাপিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করবো। ভারতে এসে প্রথম প্রতিযোগিতাই জিততে পারলে আমারও ভীষণ ভালো লাগবে। 
প্রশ্ন: আপনি খুব অল্প সময়েই দলের সঙ্গে দারুণভাবে মিশে গিয়েছেন।
আউচো: এটা ঠিক। সব ফুটবলারের সঙ্গেই আমার দারুন বন্ধুত্ব। এডুয়ার্ডো এবং ক্রোমার সঙ্গে সব থেকে বেশি কথা হয়। 
প্রশ্ন: ডুডুর খেলা নিয়ে অনিশ্চয়তা। আপনার কি মনে হয়?
আউচো: ডুডু খেলবে কিনা পুরোটাই তাঁর নিজের বিষয়। কোচই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে। ডুডুকে ছাড়াই আমরা তৈরি। ও যদি খেলতে পারে, আমাদের কাছে একটা বাড়তি অনুপ্রেরণা।
প্রশ্ন: পরের মরশুমে কি আপনি ইস্টবেঙ্গলেই থাকছেন?
আউচো: পরের মরশুম নিয়ে ইস্টবেঙ্গল এখনও আমার সঙ্গে কথা বলেনি। প্রস্তাব পেলে কোন অসুবিধা নেই। ইস্টবেঙ্গলের পরিবেশ আমার খুব পছন্দ হয়েছে।

Current Affairs

Featured Posts

Advertisement