সত্যজিৎকে
আক্রমণ সুব্রতর

সত্যজিৎকে<br>আক্রমণ সুব্রতর
+

নিজস্ব প্রতিনিধি : কলকাতা, ১৫ই মে — মোহনবাগানের অচলাবস্থায় হঠাৎ করেই মোহনবাগানে সুব্রত ভট্টাচার্য। নতুন ফুটবল সচিবের ফোন পেয়ে মঙ্গলবার বিকালে ক্লাবে এলেন বাবলু। এসেই আলোচনা সারলেন ফুটবল সচিবের সঙ্গে। সুব্রতর ক্লাবে আসার পরই তৈরি হয়েছে নতুন সমীকরণ। তাহলে কি নির্বাচনে অঞ্জন মিত্র গোষ্ঠীর হয়ে ভোটে দাঁড়াচ্ছেন মোহনবাগানের ঘরের ছেলে? গতবছর শাসক গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে দাঁড়িয়ে হেরে যেতে হয়েছিল। তাহলে কি এবার শাসকগোষ্ঠীর হয়ে দাঁড়াচ্ছেন? বাবলু আপাতত সেই সম্ভাবনায় জল ঢালছেন, ‘ভোটে দাঁড়ানোর ইচ্ছা নেই। গতবার দাঁড়িয়েছিলাম একটা নীতির উপর ভরসা করে। নীতিটা যখন ভ্রষ্ট হয়েছে, আর দাঁড়ানোর ইচ্ছা নেই।’ পাশে বসে ফুটবল সচিব অবশ্য সেই সম্ভাবনা জিইয়ে রাখলেন। 
তবে মোহনবাগানে পা দিয়েই সুব্রত আক্রমণ করে বসলেন মোহনবাগানের আরেক ঘরের ছেলেকে। সরাসরি বিঁধলেন সদ্য পদত্যাগী ফুটবল সচিব সত্যজিৎ চ্যাটার্জিকে। সাংবদিক সম্মেলনে সত্যজিৎ বলেছিলেন, তিনি মোহনবাগানের হয়ে ৮৮টি বড় ম্যাচ খেলেছেন। সুব্রতর কটূক্তি, ‘সত্যজিৎ বলছে ৮৮টা বড় ম্যাচ খেলেছে। ৮টা খেলেছে কিনা সন্দেহ। আমার সামনে এসে বলুক। ৮৮টা ম্যাচ খেলতে হলে ২২ বছর খেলতে হয়। অর্ধেক বড় ম্যাচে বসে যেতো। এখন কথা বলছে ক্ষমতা পেয়ে গেছে বলে। ওদের থেকে আমার অবদান অনেক বেশি। ওরা ক্ষমতায় ঢুকে পড়েছে। সেটা আঁকড়ে বাঁচতে চাইছে। স্বীকৃতি চাইছে। কৃতিত্বই নেই, তার স্বীকৃতি কি?’ শুধু সত্যজিৎ চ্যাটার্জি নন সুব্রতর আক্রমণের নিশানা থেকে বাদ জাননি সদ্য কর্মসমিতির আমন্ত্রণী সদস্য শিশির ঘোষও। ‘শিশির তো কয়েকটা টাকা বেশির জন্য ইস্টবেঙ্গলে চলে গিয়েছিল। আমি বারণ করেছিলাম যেতে। শোনেনি। এখন ক্লাবের প্রতি ভালোবাসা দেখাচ্ছে। আমি ইস্টবেঙ্গলের ১.৫ লক্ষ টাকার প্রস্তাব ফিরিয়ে ২৬০০০ টাকায় মোহনবাগানে খেলেছিলাম’ বলছেন সুব্রত।
এরই মধ্যে অবশ্য শোনা যাচ্ছে আই লিগের জন্য টিডি করা হতে পারে সুব্রত ভট্টাচার্যকে। এই সম্ভাবনা একেবারে উড়িয়ে দিচ্ছেন না তিনি। ‘আমি ভবানীপুরকে কোচিং করাবো কথা দিয়েছি। পরের কথা পরে দেখা যাবে’ বলছেন তিনি। সূত্রের খবর মোহনবাগানের নতুন ফুটবল সচিব ভীষণভাবে সুব্রতকে টিডি হিসাবে চাইছেন। সুব্রতর বিরুদ্ধে অবশ্য মুখ খুলতে চাননি সত্যজিৎ। ‘আমার কিছু বলার নেই, আপনারাই পরিসংখ্যান দেখে নিতে পারেন’ বলছেন তিনি। মোহনবাগানের এক পদত্যাগী কর্তা জানালেন, ‘বাবলুদার যেমন মোহনবাগানের প্রতি অবদান আছে, সত্যজিতেরও আছে। আর সেটা সবাই জানে। আর সত্যজিৎ কিন্তু আগেরবার সদস্যদের ভোটে জিতে এসেছেন। বাবলুদা কিন্তু হেরে গিয়েছিলেন।

Current Affairs

Featured Posts

Advertisement