পুনর্নির্বাচনেও
একই প্রহসন

পুনর্নির্বাচনেও<br>একই প্রহসন
+

নিজস্ব প্রতিনিধি: কলকাতা, ১৬ই মে—খোদ শাসকেরই নির্দেশে বাছাই করা ৫৭২টি বুথে পুনর্নির্বাচনের নামে ফের আরেক দফা প্রহসনের ভোটপর্ব সাঙ্গ হলো।
চিহ্নিত ৫৭২টি বুথের সিংহভাগেই বুথ এলাকার ধারেকাছে ঘেঁষতে পারেননি এলাকার ভোটাররা। বুথে বিশেষ প্রবেশাধিকার ছিল সশস্ত্র তৃণমূলী বহিরাগতদের। বুথ থেকে বেশ কিছুক্ষণের জন্য উধাও হয়ে যায় ভোট বাক্স, ব্যালট পেপার। তারপর ভরাট ভোট বাক্স জমা পড়ে বুথকেন্দ্রে। তারপর এলাকার ভোটারদের বাড়ি বাড়ি গিয়ে হাতে কালি লাগানোর মতো মহৎ কাজও করে ফেলে তৃণমূলীদের নির্দেশে এক কিশোর। কোন বুথ এলাকায় গ্রামে টহল দিয়েছে সশস্ত্র তৃণমূলী দুষ্কৃতীরা। কোথাওবা আগের রাত থেকে পুলিশি অত্যাচারে গাঁ-ছাড়া হয়ে রয়েছেন ৮০শতাংশ মানুষ। কিন্তু দিব্যি সে বুথে কোন ভোটার না ঢুকলেও দিনের শেষে ভোট পড়েছে ৭৫শতাংশ।
যথারীতি বুধবার বিকেলে রাজ্য নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা গেল বিকেল ৫টা পর্যন্ত ৭০শতাংশ ভোট পড়েছে। তখনও বহু ভোটার লাইনে দাঁড়িয়ে। ফলে শতাংশের হিসেব রাতে বাড়তে পারে। ফের রাজ্য নির্বাচন কমিশনের দাবি এদিন দু-একটা বিচ্ছিন্ন ঘটনা ছাড়া ৫৭২টা বুথে নির্বাচন ছিল শান্তিপূর্ণ। তবে সোমবারের মতো বুধবারও উপনির্বাচনের জন্য নির্দিষ্ট ৫৭২টি বুথেই একতরফা শাসক হামলা, সন্ত্রাসে ভোট লুট চলেনি। কোন কোন এলাকায় স্থানীয় গ্রামবাসীরা ১৪ই মে’র মতোই প্রতিরোধ গড়ে ভোট লুট রুখেছেন। বুধবার হুগলীর জাঙ্গীপাড়ায় বুথে ভোট লুট করতে এসে মহিলাদের হাতে মার খেয়ে পালিয়ে বেঁচেছে তৃণমূলী দুষ্কৃতী।
পশ্চিম মেদিনীপুর জেলায় তৃণমূলকে সন্তুষ্ট করার লক্ষ্য নিয়ে পুনর্নির্বাচনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে রাজ্য নির্বাচন কমিশন। সবং ব্লকের ধামসাই বুথে মঙ্গলবার রাত থাকতেই তৃণমূলীদের সশস্ত্র তাণ্ডব চলে। ৪২টি ঘরবাড়ি ভাঙচুর করে সমস্ত জিনিসপত্র লুট করে নিয়ে যায়। গ্রামের দেড়শো পরিবারের মধ্যে একশো পরিবারই গ্রামছাড়া। এদিকে সোহাড় পূর্ব বুথে মঙ্গলবার রাত থেকে সশস্ত্র তৃণমূলী দুষ্কৃতীরা ১৭টি ঘরবাড়ি ভাঙচুর করে লুটপাট চালায়। এদিন দিনভর তৃণমূলী হুমকিতে বুথ থাকলো ফাঁকা। আর দিনের শেষে ফাঁকা বুথে ভোট পড়ার পরিসংখ্যান ৭৫শতাংশ। ধামসাই বুথ এলাকাতেও ৮০শতাংশ মানুষ গাঁ-ছাড়া, অথচ বুথে ভোট পড়ল অঙ্ক কষে ৭৬শতাংশ। এদিন পূর্ব মেদিনীপুরের কোলাঘাটের সাগরবাড়ে সোমবারের মতোই দুটি বুথ দখল করে ছাপ্পা ভোট দিয়ে যায় তৃণমূলীরা। শহীদ মাতঙ্গিনী ব্লকে কার্যত ভোটারদের বুথের আশপাশে থাকতে দেওয়া হয়নি। মহিষাদল ব্লকের বেতকুণ্ডু গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকায় ভোটারদের গ্রামেই আটকে রেখেছিল সশস্ত্র তৃণমূলীরা। জেলার দেশপ্রাণ ব্লকে নন্দীগ্রামের খোদামবাড়ি-২ গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকায় সোমবার তৃণমূলী বাইকবাহিনীর হাতে নৃশংসভাবে খুন হন দুই সি পি আই (এম) কর্মী। শোকস্তব্ধ সেই গ্রামেও এদিন ফের কালো কাপড়ে ঢাকা তৃণমূলী দুষ্কৃতীরা দাপিয়ে ছাপ্পা ভোট মারল। সি পি আই (এম)-র জেলা সম্পাদক নিরঞ্জন সিহি এদিন বলেন, এই জেলার ২৪টি বুথে আজ পুনর্নির্বাচনও একইরকম প্রহসনে পরিণত হয়েছে।
এদিন মালদহের ৫৫টি বুথে ফের ভোটগ্রহণ সম্পন্ন হলো। ভোট পরবর্তী স্ক্রুটিনি না করে জেলা প্রশাসন একতরফা সিদ্ধান্ত নিয়ে সাকুল্যে ৫৫টি বুথে পুনর্নির্বাচনের নির্দেশ দেয়। ১৪ই মে’র ভোটচিত্রের সঙ্গে বিশেষ ফারাক ছিল না এদিন জেলার রতুয়া-১ ব্লকের ১৪টি বুথের পুনর্নির্বাচন। সোমবারের মতোই বুধবার একইরকম ভোট লুট চলল আর পুলিশ দর্শকের ভূমিকায়। পঞ্চায়েতে পুনর্নির্বাচনকে ঘিরে দক্ষিণ দিনাজপুরের কুশমন্ডি ব্লকের বিভিন্ন বুথে ব্যাপক সন্ত্রাস চালালো তৃণমূলী দুষ্কৃতিরা। কুশমন্ডির শিয়ালা, অনন্তপুর, মান্ডাহার, বাসল এই চারটি বুথে বুধবার পুনর্নির্বাচনকে কেন্দ্র করে সকাল থেকেই বুথ এলাকার গ্রামগুলিতে তৃণমূলী বাইকবাহিনী ব্যাপক ত্রাস চালায়। তবে তৃণমূলীদের চক্রান্ত এদিন কিছুটা ভেস্তে দিয়েছে সাধারন মানুষ। এদিন দুপুরের পর মান্ডাহারে পুলিস প্রশাসনের সামনেই তৃণমূলীরা বুথ দখল করে ছাপ্পা ভোট দিতে শুরু করে। ফের পুনর্নির্বাচনকে ঘিরে বুথ লুট হলো উত্তর দিনাজপুরের নানা এলাকায়।
এদিন পুলিশের কড়া পাহারা ছিল তৃণমূলী ভাড়াটে গুন্ডাদের গায়ে যেন কেউ হাত দিতে না পারে। ফের ছাপ্পা ভোটের অভিযোগ চোপড়া থেকে কালিয়াগঞ্জ। শাসক দুষ্কৃতী ও পুলিশ মিলেমিশে এক।
বুধবার পুরুলিয়ার ৫টি কেন্দ্রের ৭টি বুথে পুনর্নির্বাচনের আগের রাতে পাড়ার হরিহরপুরে মানুষের ঘরে ঘরে ঢুকে পুলিশি অত্যাচার চলেছে নির্বিচারে। পুলিশের এমন বর্বর আক্রমণের হাত থেকে রেহাই পাননি গ্রামের মহিলারাও। সি পি আই (এম) জেলা নেতা দীননাথ লোধা এদিন জানান, শাসকদলের এমন পরিকল্পিত সন্ত্রাসের মোকাবিলায় রুখে দাঁড়াচ্ছেন সাধারণ মানুষ। এদিনও গত ১৪ তারিখের মতোই জীবনবাজি রেখে ভোট দিয়েছেন গ্রামের মানুষ। এদিকে বাঘমুণ্ডির মাঠাতে গত ১৪ই মে ব্যালট পুড়িয়ে দেওয়া হয়েছিল। ভোটকেন্দ্র ছেড়ে ভোটকর্মীরা পালিয়ে গেলেও বহিরাগত দুষ্কৃতীদের রুখতে স্থানীয় মানুষ বুথ আগলে দাঁড়িয়েছিলেন। সেই কেন্দ্রেও এদিন ভোট হয়েছে নির্বিঘ্নে। বুধবার সকালে নিতুড়িয়ার একটি ভোটকেন্দ্রে সাংবাদিকদের ছবি তুলতে বাধা দেওয়া হয়।
বুধবার পুনর্নির্বাচনের দিন উত্তর ২৪পরগনার বাগদা ব্লকের আষাড়ু গ্রাম পঞ্চায়েতের অন্তর্গত জগদীশপুর ১৭০নম্বর বুথে বামফ্রন্ট প্রার্থী এবং এজেন্টকে ঢুকতে দিল না তৃণমূলবাহিনী। গত ১৪ ই মে ভোট লুটের অভিযোগে পঞ্চাশটি বুথে পুনর্নির্বাচনের দাবি করা হয়েছিল সি পি আই (এম)-র তরফে। সেই দাবি অগ্রাহ্য করাই শুধু নয়, ওইদিন যে বুথগুলিতে ছাপ্পা ভোট দিতে এসে তৃণমূলীরা ব্যর্থ হয় বাগদার, সেই বুথগুলিতে পুনর্নির্বাচনের নির্দেশ দেয় নির্বাচন কমিশন। প্রহসনের এই ভোটে পুনর্নির্বাচনের নামে, হয়রানির শিকার হয়েছেন বাগদা ব্লকের মানুষ। মঙ্গলবার রাত থেকে তৃণমূল দুষ্কৃতীদের বোমাবাজি শুরু হয় দেগঙ্গার বুথ এলাকায়। বুধবার পুনর্নির্বাচন হলো বটে চাংদানা-স্বরূপনগর প্রাথমিক বিদ্যালয়, রাজকুবের প্রাথমিক বিদ্যালয়, মানিকপুর ফ্রি প্রাইমারি স্কুল, ঘোষালের আবাদে কিন্তু গ্রামের মানুষের উপস্থিতি নেই।
মুর্শিদাবাদ জেলাতেও বুধবার যথারীতি বাইরে পুলিশ পাহারা রেখে সকাল থেকে চলল ছাপ্পা ভোট। আগের রাত গ্রামে টহল দিল তৃণমূলের সশস্ত্র দুষ্কৃতীরা। জেলার ৬৩টা বুথে এদিন পুনর্নির্বাচন হয়। লালগোলার শ্যামপুর, মৃদাদপুরে সন্ত্রাসের মধ্যেও নির্বাচনে অংশ নেন গ্রামবাসীরা। সকাল থেকেই নামো ঝাউবোনা প্রাথমিক বিদ্যালয়ের দখল নেয় তৃণমূল। ৭টার আগেই শুরু হয়ে যায় ‘ছাপ্পা’। একই ঘটনা লালগোলার মধুপুরে। বেলডাঙ্গার বেনাদহ-১ এবং ২নম্বর বুথে সারাদিন বুথ আগলে থাকলেন সি পি আই (এম) কর্মীরা। বেলডাঙা-২ ব্লকের বুথগুলিও সকাল থেকেই ছিল তৃণমূলের দখলে। এদিন সকালে কদমখালিতে বামপন্থীরা ভোট দিতে গেলে, পুলিশ তেড়ে আসে লাঠি নিয়ে। তৃণমূল কর্মী ছাড়া কেউই ভোট দিতে পারেননি। সুতির অজগরপাড়া, রাতুড়ি, ফতেপুরসহ বিস্তীর্ণ এলাকায় পুলিসী হেনস্তায় গ্রাম ছেড়েছেন পুরুষ মহিলারা। এদিকে নয়াগ্রাম, নয়াবাহাদুরপুর, সোভারঘাট, ফতেপুর বুথে গিয়ে তৃণমূলের সমর্থকরাও জানতে পারেন ভোট হয়ে গিয়েছে। উত্তর নুরপুরের দুটি বুথ এবং ভরতপুর ব্লকের বৈদ্যপুরে পুলিশের সামনেই দখল করে তৃণমূল। ফরাক্কার যজ্ঞেশ্বরপুর, খয়রাকান্দী, পাচুলা, বটতলায় ছিল তৃণমূলের সন্ত্রাসে ভোট দিতে পারলেন না গ্রামের মানুষ। পঞ্চায়েত সমিতি প্রার্থী হায়দার আলির বাড়িতে চলে ভাঙচুর, লুট। বুথের সামনেই চলেছে বোমাবাজি।
জলপাইগুড়িতে গত ১৪ই মের মতোই বুধবার সরাসরি বুথে ঢুকে গেল অন্য এলাকার ভোটার। বুধবার জলপাইগুড়ির পাহাড়পুর গ্রাম পঞ্চায়েতের বজড়া পাড়া বুথে ঢুকলেন শাসকদলের নেতা নিতাই কর। এদিন অতিরিক্ত জেলাশাসক অম্লানজ্যোতি সাহা যখন ভোটের পরিস্থিতি দেখতে বুথে ঢুকছেন তখন তৃণমূলের ব্লক সভাপতি নিতাই করের সঙ্গে অঞ্চল সভাপতি শেখ আলমগীর আলিকে নিয়ে বুথ থেকে বের হচ্ছেন। সোমবার এই বুথে অবাধে ছাপ্পা ভোট পড়ার অভিযোগ উঠে। তৃণমূলের সশস্ত্র বাহিনীর হাতে আক্রান্ত হন সাংবাদিকরা। এদিন জেলার গড়ালবাড়ির বুথ দখল করে ছাপ্পা ভোট দেয় তৃণমূল। এই কেন্দ্রের বামফ্রন্টের প্রার্থী তুলে নেন নেতৃত্ব। উত্তরবঙ্গের কোচবিহার জেলাতেও গত সোমবারের মতোই আরেক দফা ভোট লুট চললো তৃণমূলীদের হাতে। কোচবিহার-২ ব্লকের বড়রাংরস গ্রাম পঞ্চায়েতের তিনটি বুথ ভোট ৬টা থেকে দখল নেয় সশস্ত্র তৃণমূলীরা। বিরোধী এজেন্ট এমনকি সংবাদমাধ্যমের কর্মীদেরও বুথ এলাকার ধারেকাছে ঘেঁষতে দেওয়া হয়নি। মেখলিগঞ্জ ও হলদিবাড়ি ছাড়া জেলার কোচবিহার-১, ২ ব্লক এবং দিনহাটা-১ ও ২ ব্লকের বুথগুলিতে অবাধে চলে ছাপ্পা ভোট।
এদিকে দক্ষিণ ২৪পরগনার ফুলমালঞ্চর একটি বুথে পুনর্নির্বাচন হলো। এদিনও যথারীতি লুট হয় ভোট। সকাল থেকেই ৮৯ নম্বর বুথ দখল করে তৃণমূলের সশস্ত্র দুষ্কৃতীরা। জনা কুড়ি পুলিশকর্মী বুথের বাইরে বসে দিনভর দোকানে চা খেয়ে বেঞ্চে বসে ভাত ঘুম দিয়েছে। ভোটারদের আর কষ্ট করে ভোট দিতে যেতে হয়নি। বুথের ভেতরে তৃণমূলীরা ছাপ্পা ভোট দিয়ে গিয়েছে। গ্রামে পাহারায় ছিল তৃণমূলের সশস্ত্র দুষ্কৃতীরা। হাওড়ায় ৩৮টি বুথে পুনর্নির্বাচনের মধ্যে জগৎবল্লভপুরের পোলগুস্তিয়ায় ফের ভোট লুটের চেষ্টা চললে গ্রামের মানুষ প্রতিরোধে শামিল হন। জগৎবল্লভপুরের তৃণমূল বিধায়ক গুলশন মল্লিক বেলা সাড়ে এগারোটার সময় বুথ এলাকায় দলবল নিয়ে গিয়ে ঘাঁটি গাড়েন। ফের ভোট লুট করবে দুষ্কৃতীরা এটা বুঝতে পেরে গ্রামের মানুষ জড়ো হয়ে প্রতিরোধে নামেন। তবে সংকরহাটি ১ নম্বর গ্রাম পঞ্চায়েতের বামনপাড়া হাই স্কুলে এদিনও ভোট লুট করেছে তৃণমূলের দুষ্কৃতীরা।
বুধবার পূর্ব বর্ধমান জেলার ১৮টি বুথের অধিকাংশই শাসকদলের দুষ্কৃতীরা দখল করে ছাপ্পা ভোট দিয়েছে। ভাতারের ওড়গ্রাম আদিবাসী প্রাইমারি স্কুলে এদিন তৃণমূলীরা বুথে ঢুকে প্রকাশ্যে ব্যালটে ছাপ্পা মারে। পুলিশ ছিল নীরব দর্শক। পূর্বস্থলীর চাঁদপাড়া, সরডাঙা, ধীতপুর সর্বত্র শাসকদলের দুষ্কৃতীরা পুলিশের সাহায্যে বুথ দখল করে ছাপ্পা ভোট দেয়। পূর্বস্থলী-২ ব্লকের গ্রামগুলোতে সোমবার রাত থেকেই পুলিশ ও তৃণমূলের অত্যাচারে গ্রামবাসীরা ঘরছাড়া। এদিন রানিগঞ্জের বল্লভপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের ৬৯ ও ৭০ নম্বর বুথে পুনর্নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। এখানেও ভোটাররা ভোট দিতে পারেননি এমন অভিযোগ উঠেছে।
নদীয়ার বেশ কয়েকটি ব্লক এলাকায় যথারীতি আরেক দফা ভোট লুঠ হল। নাকাশীপাড়া ব্লকে মঙ্গলবার থেকেই বোমাবাজি চালিয়ে সন্ত্রস্ত করা হয় মানুষকে। বুধবার সকাল থেকে বিলকুমারী ৩টি বুথে ভয় দেখিয়ে সাধারণ মানুষকে বের হতে দেয়নি শাসকদল। গোপালপুরের মানুষ ভোট দিতে গেলে হাতে কালি লাগিয়ে ব্যালট কেড়ে নেয় তৃণমূলীরা। বিধায়ক কল্লোল খাঁ’র নেতৃত্বে বুথ দখল হয়েছে বলে অভিযোগ গ্রামবাসীদের। মোটরবাইকে চেপে এসে দুষ্কৃতীরা ম্যাচপোতা বুথ দখল করে নেয়। বীরপুরে একই কায়দায় ভোট করেছে তৃণমূলীরা। নাকাশিপাড়া ব্লকে ৮টি বুথ পুলিশের সাহায্য নিয়ে দখল হয়। চাকদহের হিংনাড়াতে এবং রানাঘাট ২ব্লকের দত্তফুলিয়ায় দিনভর দাপিয়ে বেড়ায় তৃণমূলী দুষ্কৃতীরা।

Featured Posts

Advertisement