উদ্বোধনী ম্যাচে
রেফারি আর্জেন্টিনার 

উদ্বোধনী ম্যাচে<br>রেফারি আর্জেন্টিনার 
+

মস্কো, ১২ই জুন— সাজছে তো সবাই। সবাই মানে ফুটবলার, কোচ, স্টেডিয়াম, স্বেচ্ছাসেবক এবং রেফারিরা। দিন ঘুরলেই বিশ্বকাপের উদ্বোধনী ম্যাচ। লুঝনিকি স্টেডিয়ামে তখন উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের মহড়া চলছে। সাংবাদিক সম্মেলনের ঘরে উদ্বোধনী ম্যাচের রেফারির নাম ঘোষণা করছেন পিয়েরলুইগি কলিনা এবং মাসিমো বুসাকা।
বিশ্বকাপের পয়লা ম্যাচ হলেও ধারে এবং ভারে ততটা গুরুত্বপূর্ণ নয়। উদ্বোধনী এই ম্যাচ পরিচালনার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে আর্জেন্টিনার রেফারি নেস্তর পিতানাকে। সহকারী হিসাবেও থাকবেন দুই আর্জেন্টাইন হুয়ান পাবলো বেলাত্তি এবং হারনান মৈদানা। আর্জেন্টিনার রেফারিদের সঙ্গে চতুর্থ রেফারির ভার থাকবে ব্রাজিলের সান্দ্রো রিচ্চির ওপরে।
রেফারি, সহকারী রেফারিতেই যদিও তালিকা শেষ হয়ে যায়নি। চলতি বিশ্বকাপের সব থেকে আলোচ্য বোধ হয় ভিডিও অ্যাসিসট্যান্ট রেফারি (ভি এ আর)। ভি এ আর ব্যবহারের প্রতিবন্ধকতা নিয়ে বিস্তর আলোচনা করলেন নেদারল্যান্ডসের রেফারি জর্ন কুইপার। এখনও পর্যন্ত ভিডিও রেফারিংয়ের যাত্রা সম্পর্কে জানালেন ফিফা রেফারিং কমিটির প্রধান পিয়েরলুইগি কলিনা। ভিডিও রেফারিদের প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে। মোট বাইশটি পরিস্থিতি বর্ণনা করা হয়েছে। যেখানে খালি চোখে ফুটবলারদের ভুলত্রুটি ধরা পড়ে না। সেই কারণেই ভিডিও রেফারিদের কাজ গুরুত্বপূর্ণ। উদ্বোধনী ম্যাচের জন্য বাছাই করা ভিডিও রেফারি মাসিমিলিয়ানো ইরাত্তি এবং তাঁর তিন সহযোগী মউরো ভিগলিয়ানো, কার্লোস আস্ত্রোজা ও দিনিয়েলে ওরসাতো এর উত্তেজনায় এবং চিন্তার চোটে ঘেমে উঠেছেন। ভিডিও রেফারিরা যাতে সেই চাপমুক্ত হতে পারেন তাই তাঁদেরও রেফারিদের মতই জার্সি পরতে হবে। তা সে যতই স্টেডিয়ামের ভিতরে টেলিভিশনের সামনে কাজ হোক না। কলিনা ব্যাখ্যাও করেছেন, ‘উরুগুয়েতে ১৯৩০ সালে বিশ্বকাপ দেখুন, রেফারিরা তো প্রায় কোট টাই পরে ম্যাচ পরিচালনা করেছিলেন। সে সময় আর এই সময়ের পার্থক্য আছে। ঘরের মধ্যে যাঁরা থাকবেন তাঁদের কাজও ম্যাচ পরিচালনা করা। তাই তাঁদেরও রেফারির মতোই জার্সি পরতে হবে।’ 
২০১৬ থেকে টানা দুবছর ধরে ভিডিও রেফারিং ব্যবহার করা হয়েছে বিভিন্ন ম্যাচে। বিশ্বকাপকে যেন আরও নিঁখুতভাবে পরিচালনা করা যায় তার জন্যই এই ভিডিও রেফারিং। ‘এমন অনেক রেফারি আছে যারা এখন স্রেফ শ্রমিকের কাজ করেন। কারণ এমন কিছু ম্যাচে এমন ভুল করেছিলেন যে কারণে ম্যাচের রেফারিং জীবনই শেষ হয়ে গিয়েছিল। ভিডিও রেফারিং সেই রেফারিদের আরও নিরাপদ করবে’, বললেন কলিনা। 

Current Affairs

Featured Posts

Advertisement