গুলির লড়াইয়ে কাশ্মীরে
তিন সন্ত্রাসবাদীর মৃত্যু

গুলির লড়াইয়ে কাশ্মীরে<br>তিন সন্ত্রাসবাদীর মৃত্যু
+

 শ্রীনগর, ১১ই অক্টোবর— মাঝপথে পি এইচ ডি ছেড়ে নাশকতায় নাম লেখায় মান্নান বশির ওয়ানি। পরে নিষিদ্ধ সন্ত্রাসবাদী সংগঠন হিজবুল মুজাহিদিনের শীর্ষ কম্যান্ডারের স্থান দখলে আসে তার। সেই ওয়ানিকেই বৃহস্পতিবার হত্যা করা হয়েছে বলে দাবি করল নিরাপত্তা বাহিনী। কুপওয়ারার হান্দওয়ারায় বৃহস্পতিবার সকালে নিরাপত্তা বাহিনীর সঙ্গে সন্ত্রাসবাদীদের গুলির লড়াইয়ে তিনজন সন্ত্রাসবাদীর মৃত্যু হয়েছে। তাদের মধ্যে রয়েছে ২৭ বছরের ওয়ানিও। পুলিশের দাবি, আলিগড় মুসলিম বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়তো সে। পড়াশোনা ছেড়ে গত জানুয়ারিতে সন্ত্রাসবাদী কাজকর্মে যোগ দেয় ওয়ানি। তিন সন্ত্রাসবাদীর মৃত্যুর পাশাপাশি এদিন গুলির লড়াইয়ে দুজন জওয়ানও জখম হয়েছেন। 

বিশ্বস্ত সূত্রে সন্ত্রাসবাদীদের উপস্থিতির খবর পেয়ে কুপওয়ারায় অভিযান শুরু করে সেনাবাহিনী ও স্থানীয় পুলিশ। ভোররাত থেকেই এলাকা ঘিরে ফেলে তারা। বেরনোর সমস্ত পথ বন্ধ করে দেওয়া হয়। সন্ত্রাসবাদীদের গোপন ডেরার দিকে নিরাপত্তা বাহিনী এগতে শুরু করলেই তারা গুলি চালায়। পালটা জবাব দেন জওয়ানরাও। বেলা ১১টা পর্যন্ত গুলির শব্দ শোনা গিয়েছে বলে জানান স্থানীয় মানুষজন। নিহত আরও দুই সন্ত্রাসবাদীর মধ্যে একজনের পরিচয় জানা গিয়েছে— হান্দওয়ারারই বাসিন্দা আশিক হুসেন। ওয়ানির মৃত্যুকে কেন্দ্র করে এদিন উত্তর কাশ্মীরের বিভিন্ন জায়গায় বিক্ষোভও দেখান অনেকে। বন্ধ হয়ে যায় স্কুল-কলেজ। আপাতত বাতিল করা হয়েছে ইন্টারনেট পরিষেবাও। বিচ্ছিন্নতাবাদীরা শুক্রবার ধর্মঘটের ডাক দিয়েছে ওয়ানির মৃত্যুর প্রতিবাদে। 
 এদিকে, সোপিয়ানে নিজের বাড়িতেই বৃহস্পতিবার খুন হয়েছেন হুরিয়ত কনফারেন্সের এক কর্মী, তারিক আহমেদ গনাই। পুলিশ জানিয়েছে, কয়েকজন অজ্ঞাতপরিচয় দুষ্কৃতী আচমকাই তারিকের বাড়িতে চড়াও হয়ে তাঁকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে আঘাত করে। গুরুতর জখম অবস্থায় তাঁকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলেও সেখানেই প্রাণ হারান তিনি। অভিযুক্তদের খোঁজে পুলিশ তল্লাশি অভিযান শুরু করলেও বৃহস্পতিবার রাত পর্যন্ত পাওয়া খবর অনুযায়ী, কাউকে গ্রেপ্তার করতে পারেনি। অন্যদিকে নিরাপত্তা বাহিনী দাবি করেছে, এদিন নিয়ন্ত্রণ রেখা বরাবর পুঞ্চে ভারতীয় সেনাছাউনি লক্ষ্য করে পাকিস্তান গুলি চালিয়েছে। পাকিস্তানের এই সংঘর্ষ বিরতি লঙ্ঘন করে গুলি চালানোয় কৃষ্ণঘাঁটি সেক্টরে জখম হয়েছেন এক জওয়ান। সেনা হাসপাতালে তাঁর চিকিৎসা চলছে।

Current Affairs

Featured Posts

Advertisement