আজকের দিনে



 

ছবির খাতা

জনতার ব্রিগেড

আরো ছবি

ভিডিও গ্যালারি

Video

শ্রদ্ধাঞ্জলি

 

শতবর্ষে শ্রদ্ধা

আপনার রায়

গরিবের পাশে থেকেছে বামফ্রন্টই

হ্যাঁ
না
জানি না
 

ই-পেপার

সম্পাদকীয়


যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য সম্ভবত তৃণমূল নেতা অনুব্রত মণ্ডলের মতোই মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আশীর্বাদধন্য। মুখ্যমন্ত্রীর কাছ থেকে পাওয়া লাইসেন্সের বলে যে কোন অন্যায় অপরাধ করতে পারেন ঐ উপাচার্য। মুখ্যমন্ত্রীর দেওয়া রাজনৈতিক শক্তিতে বলীয়ান হয়ে উপাচার্য বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসের মধ্যে পুলিস ডাকতে পারেন। তাঁর কাছ থেকেই সবুজ সংকেত পেয়ে পুলিস নির্বিচারে ছাত্রছাত্রীদের লাঠি পেটা কর‍‌তে পারে। উপাচার্যের অঙ্গুলি হেলনে পুলিস ছাত্রছাত্রীদের ক্যাম্পাসের মধ্য থেকে গ্রেপ্তার করতে পারে। ক্যাম্পাসের মধ্যে পুলিসী অত্যাচারের এই নজিরবিহীন ঘটনায় রাজ্য তথা গোটা দেশের শিক্ষাজগতে আলোড়ন সৃষ্টি হয়েছে। ছাত্রছাত্রীদের শত্রু এই উপাচার্যের কোন‍‌ নৈতিক অধিকার নেই তার পদে থাকার।...

>>>


ক্ষমতায় আসার পর তিন বছরের মধ্যেই রাজ্যের পরিবহন শিল্পকে খাদের কিনারায় এনে হাজির করেছে তৃণমূল সরকার। বিশেষ করে যাত্রী পরিবহন ব্যবস্থা এমন একটা জায়গায় এসে ঠেকেছে যে, যে-কোনো সময় তা ভেঙে পড়তে পারে। এমন একটি সরকার ক্ষমতায় এসেছে যারা পরিবহন শিল্পের মৌলিক সমস্যাগুলি তিন বছরেও উপলব্ধি করতে পারেনি। ফলে সমস্যার সমাধান তো দূরের কথা, সমস্যাগুলিকে দিন দিন জটিল থেকে জটিলতর করে তোলা হয়েছে। সমস্যাগুলির সমাধান এবং ক্রমবর্ধমান চাহিদা ও প্রত্যাশা অনুযায়ী পরিবহন ব্যবস্থাকে যদি উন্নত করার সদিচ্ছা থাকত তাহলে সরকার গোড়া থেকেই সক্রিয় হতো। কিন্তু তা তারা করেনি। বরং বেসরকারী পরিবহন ব্যবস্থার পাশাপাশি সরকারী পরিবহন ব্যবস্থাকে পঙ্গু করার কাজে অতি সক্রিয় হয়ে ওঠে। ...

>>>