আজকের দিনে



 

ছবির খাতা

ব্রিগেড সমাবেশ

আরো ছবি

ভিডিও গ্যালারি

Video

শ্রদ্ধাঞ্জলি

 

শতবর্ষে শ্রদ্ধা

আপনার রায়

গরিবের পাশে থেকেছে বামফ্রন্টই

হ্যাঁ
না
জানি না
 

ই-পেপার

বিশেষ পাতা

পাপিয়া অধিকারী১৫ই, এপ্রিল ২০১৫
রক্তাক্ত, আক্রান্ত, আতঙ্কে-ভরা ১৪২১ যেভাবে চলে গেলো তা রাজ্যের মানুষ ভালোভাবেই টের পেয়েছেন। আমি, আপনি সক্কলেই হাড়ে-হাড়ে বুঝছি রাজ্যের হাল কেমন। রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মহিলা হয়েও মহিলারা আজ দুষ্কৃতীদের লালসার শিকার। তারা নারীদের সম্ভ্রম লুট করে, খুন করেও প্রশাসনের মদতে রেহাই পেয়ে যাচ্ছে। এর শেষ কোথায় ? বাংলা নতুন বছরের লেখা শুরুর আগে এ-রকম ভূমিকার প্রয়োজন ছিল না।...

>>>

সুরেন মুখোপাধ্যায়১৫ই, এপ্রিল ২০১৫
চৈত্র অবসানে নববর্ষের সূচনা ঈষৎ পরবর্তীকালের সংযোজন। অতীতে ঋক্‌বেদের কাল থেকে শীত ঋতু তথা উত্তরায়ন আরম্ভের দিন থেকে নববর্ষ পালিত হতো। অর্থাৎ প্রাচীনকালে নববর্ষের দিন ছিল পয়লা মাঘ। পরবর্তীকালে শরৎ ঋতু থেকে বর্ষ গণনা প্রচলিত হয়। বর্তমানে যতদূর তথ্য পাওয়া যায় ২৪১ শকে অর্থাৎ ইংরেজি ৩১৯ সালের পয়লা বৈশাখ থেকে নববর্ষের প্রচলন ঘটে। ‍ এই গ্রামবাংলার প্রাচীন জনপদে এই অজস্র নববর্ষের পরব গড়ে উঠেছে মকর সংক্রান্তিকে ‍‌ঘিরে।...

>>>

স্বপনকুমার ঘোষ১৫ই, এপ্রিল ২০১৫
বাঙালি জীবনে অন্যজাতির মতো নববর্ষ উদ্‌যাপন একটি স্মরণীয় ঘটনা হিসেবে বলা চলে। আগে নববর্ষ আবাহন হতো ২৩শে অগ্রহায়ণে, পরে তা চলে আসে বৈশাখে। বৈশাখ যেমন রুদ্ররূপে জীর্ণতাকে দূরে ফেলে দেয়, নির্মোহ ভঙ্গিতে তেমনি সে সঞ্চয় করে নতুন সমিধ। নববর্ষ উদ্‌যাপনের তাৎপর্য এখানেই। রবীন্দ্রনাথ চিরকালই নতুনের অগ্রদূত। তিনি নববর্ষের এই দিনটিতে নিখিল ভুবনের চিরনবীনতাকে বিশেষভাবে উপলব্ধি করবার জন্য একটা পরম শুভক্ষণ বলেই মনে করতেন।...

>>>

প্রাণগোপাল জানা১৫ই, এপ্রিল ২০১৫
নতুন বছর, তোমার কাছে কি আমাদের চাইবার আছে কিছু? কিংবা না চাইবার? তোমার মধ্যে এমন কি ম্যাজিক আছে যে, যা চাইব তাই তুমি দু’হাত ভরে দেবে, যা চাইব না তা তুমি আড়াল করবে বা ঝেঁটিয়ে বিদায় করবে? আমি এ ধরনের কোনো ক্ষমতা তোমার আছে বলে জানি না। সময় তো মানুষের সৃষ্টি। আমি তো জানি মানুষ তোমাকে তৈরি করেছে, যেমন তৈরি করেছে বছর, মাস, দিন, ঘণ্টা, মিনিট, সেকেন্ড।...

>>>

কৃষ্ণ ধর১৫ই, এপ্রিল ২০১৫
এক শতাব্দী আগেও নতুন চিন্তার দিশারি হিসেবে বঙ্গ দেশের দিকেই তাকিয়ে থাকত গোটা দেশের মানুষ। এক মহামতি মরাঠি গোখলের সেই আপ্তবাক্য, ‘আজ বাংলা যা ভাবে ভারত ভাববে তা কাল’। সেসব কথা এখন স্তোকবাক্য বলেই একালে উপহসিত হবার যোগ্য। সমাজের অগ্রণী ভাবুকরা নিশ্চয়ই তা আজ উপলব্ধি করতে পারছেন। মিথ্যা হাততালি আর স্বঘোষিত শ্রেষ্ঠত্বের ঘোষণায় ভবি ভোলবার নয়। তথ্যযুক্তি দিয়ে প্রমাণ চাই। নইলে যার যেথা স্থান সে সারিতে গিয়ে শোভাবর্ধন করাই হবে বুদ্ধিমানের কাজ।...

>>>

শুভঙ্কর চক্রবর্তী১৫ই, এপ্রিল ২০১৫
আজ পয়লা বৈশাখ। বাংলা নববর্ষের প্রথমদিন। বাংলা সন ১৪২২ সালে পা দিলো। পয়লা বৈশাখ উৎসবের দিন। হালখাতার উৎসব। নতুন খাতা খুলে নতুন করে হিসেব লেখার উৎসব। এই হিসেব একদিকে ব্যবসা-বাণিজ্য জমা-খরচের হিসেব। যা পাওনা আছে শোধ করো। এসো, নতুন খাতায় জমা-খরচ নতুন করে লিখি। মিষ্টি-মুখ করো। ক্রেতা বিক্রেতা আমাদের যাত্রা নবব‍‌র্ষে শুভ হোক। নববর্ষের হিসেব লেখার উৎসবের আরেকটি দিক আছে। তারিখ, মাস ছাড়িয়ে তার বার্তা চলে।...

>>>

মালিনী ভট্টাচার্য১৫ই, এপ্রিল ২০১৫
সুলেখা সান্যালের ‘নবাংকুর’ উপন্যাসের পটভূমি গত শতাব্দীর চল্লিশের দশক। সে উপন্যাসে রক্ষণশীল মধ্যবিত্ত ঘরের কিশোরী ছবির মনকে তোলপাড় করে রবীন্দ্রনাথের ‘বর্ষশেষ’ কবিতাটি; কেবলই সে ভাবে ঝড়ে চুরমার হয়ে যাক তার চারপাশের দেওয়ালগুলি, তার মুক্তি হোক এক নতুন পৃথিবীতে। একুশ শতকে এলে কি তার মনে হতো ‘বর্ষশেষ’ এখনও বহুদূর? স্বাধীনতা আন্দোলনের ঝড় বহুদূরের স্মৃতি; তার জাগিয়ে-তোলা নবাংকুরগুলি শুকিয়ে ছাই। খরার দাপট শুষে নিয়েছে নদীনালা।...

>>>

আবুল বাশার১৫ই, এপ্রিল ২০১৫
বাঙালির সময় এসেছে তার ধর্মনিরপেক্ষ উৎসবগুলিকে আরও মুখর করে তোলবার জন্য যত্ন করার। ধর্মনিরপেক্ষ উৎসবের মধ্যে বাংলা নববর্ষ একটি। এটির উপর যত্ন নেওয়া চাই। যেমন বই নিয়ে উৎসব বইমেলা, যেমন ভাষা নিয়ে উৎসব ভাষাদিবসের উৎসব। এগুলির ‍পশ্চাতে তেমন কোনো ধর্মীয়‍‌ প্রেরণা নেই। রবীন্দ্রনাথ ও নজরুলের জন্মদিনকে ঘিরে যে উৎসব, সে ব্যাপারে আরও পরিকল্পনা চাই। নজরুলের বিষয়ে বাঙালির বিশেষ ঔদাস্য লক্ষ্য করা যা‍চ্ছে।...

>>>

দেবেশ রায়১৫ই, এপ্রিল ২০১৫
সততা বা সৌন্দর্য, আধ্যাত্মিকতা বা নাস্তিকতা, সুখ বা দুঃখ, আধিপত্য বা অধীনতা, আশা বা হতাশা, উন্নয়ন বা অবনয়ন — এসব কি কখনো কোনো ব্যক্তির বা সেই সুবাদে কোনো দলের ব্র্যান্ড হতে পারে? এগুলো তো কোনো বস্তুও নয়, দ্রব্যও নয়। ব্র্যান্ড হয় কোনো বস্তু বা দ্রব্যের — যে সব বস্তু বা দ্রব্যের উৎপাদক থাকে ও খদ্দের থাকে। খদ্দের যখন দোকানে গিয়ে বলেন, একটা সার্ফ দিন বা এক শিশি ডেটল দিন তখন অনেক সময়ই তিনি বলতে চান — কাপড় কাচার কোনো গুঁড়ো সাবান বা তরল কোনো নিরাময়তা।...

>>>

পার্থ ভট্টাচার্য৬ই, এপ্রিল ২০১৪
দু’টি পাতার মা‍‌ঝে একটি কুঁড়ি। সেই কুঁড়ি ফুল হয়ে উঠতেই বাগান থেকে সোজা শ্রমিক মহল্লার ভাঙাচোরা রান্না ঘরে গিয়ে ঢুকেছে। এই চা ফল কড়াইতে নুন দিয়ে নেড়ে খেয়েই পেট ভরাতে হচ্ছে ঢেকলাপাড়া, দলমোড়, রেডব্যাঙ্ক সুরেন্দ্রনগরকে। চা ফুল না মিললে ফুটন্ত ভাতের হাঁড়িতে চায়ের পাতা বেশি করে ফেলে জল ঢেলে ‘চা ভাত’ তো খেতে হচ্ছে। আর কচুর কন্দমূল তো আছেই।...

>>>

পৃষ্ঠা :   1 | 2 |