ক্যাম্পাসে কুঁড়িরা ফুটে
উঠেছে সূর্যমুখী হয়ে

সুলতানা খাতুন

৫ ফেব্রুয়ারী, ২০১৭

‘আলো ক্রমে আসিতেছে। এ নভমণ্ডল মুক্তাফলের ছায়াবৎ হিম নীলাভ। আর অল্পকাল গত হইলে রক্তিমতা প্রভাব বিস্তার করবে। পুনর্বার আমরা, প্রাকৃতজনেরা, পুষ্পের উষ্ণতা চিহ্নিত হইব। ক্রমে আলো আসিতেছে।’ অন্তর্জলি যাত্রা উপন্যাসের এই অবিস্মরণীয় প্রথম কটি লাইন ২০১৭-র ছাত্র সংসদ নির্বাচনের অভিজ্ঞতা লিখতে বসে বার বার মনে পড়ছে।

গোধূলির আলো যখন গায়ে মাখছে ২৮-র বিকেল, লাল আবিরে স্নান করলাম আমরা; কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়। জয়টা শুধু কালীঘাট ও নবান্নের নাকের ডগায় আলিপুর ক্যাম্পাসে পাঁচ বছর পর ০ থেকে ৫-এ ফেরা বা কলকাতা বিশ্ববিদ‌্যালয়ে এস এফ আই ১৫টি আসন পেয়েছে তা নয়; জয়টা হলো ৪১১টা নমিনেশন ফরম জমা দিয়েছিল, ঘুরে দাঁড়িয়েছি, চোখে চোখ রেখে চ্যা‍লেঞ্জ করেছি; জয়টা হলো ওরা (টি এম সি পি) আমাদের ভয় পেতে শুরু করেছে। ওই দিন সকালে ক্যাম্পাস গেটে এসে জানতে পারি পলিটিক্যাল সায়েন্স বিভাগে ভোট হচ্ছে না, সিলেকশন হয়ে গেছে। নির্বাচনের আগের দিন রাতে এক টি এম সি পি প্রার্থী (আমার সহপাঠী) ফোন করে তাদের সঙ্গে সহযোগিতা করার প্রস্তাব দেওয়ায় উত্তরটা ছিল ‘পারছি না’! রাতে একজন প্রার্থী ও সকালে একজন প্রার্থী মনোনয়ন প্রত্যাহার করে নেয়। কীভাবে করে সেটা অন্য প্রশ্ন, মূল প্রশ্ন মনোনয়ন প্রত্যাহার করলো কেন? ভয় পায় ওরা (টি এম সি পি), এস এফ আই দেখলেই কাল্পনিক দীনতা আর হীনমন্যতায় ভোগে টি এম সি পি। তারা নিজেরাই জানে সমাজ ও রাজনীতি সচেতন সাধারণ ছাত্রছাত্রী তাদের সমর্থন করবে না। প্রতিদ্বন্দ্বিতা করলেই হারবে, তাই কোথাও পিছু হটতে শুরু করেছে আবার কোথাও আক্রমণ নামিয়ে আনছে।

ছাত্র সংসদ নির্বাচন নিয়ে রাজ্যজুড়ে একদিকে যেমন তৃণমূল ছাত্র পরিষদের গোষ্ঠী দ্বন্দ্ব প্রকাশ্যে চরম আকার ধারণ করেছিল তেমনই এস এফ আই দেখলেই ওরা পাগল সারমেয়র মতো আচরণ করতে শুরু করেছিল। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় এর ব্যতিক্রম না হলেও চিত্রটা ছিল কিছুটা ভিন্ন।

ইলেকশন ঘোষণা হওয়ার পর থেকে দুই গোষ্ঠীর দড়ি টানাটানির মাঝখানে পড়ে গিয়েছিল সাধারণ ছাত্রছাত্রীরা। বিশেষ করে বিভিন্ন হস্টেলে থাকা ছেলেমেয়েরা। প্রথম বর্ষের নবাগত ছাত্রছাত্রী থেকে শুরু করে দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্রছাত্রী তারা যেই মতেরই হোক না কেন তাদের দিয়ে জোর করে মনোনয়নপত্রে সই করানো, পরিচয়পত্র কেড়ে নেওয়া; ক্যাম্পাসে ঢুকতে না দেওয়া, পরীক্ষায় বসতে না দেওয়ার মত হুমকি দিতেও তারা দ্বিধাবোধ করেনি। প্রাচীন ইতিহাস (অ্যানসিয়েন্ট হিস্ট্রি) বিভাগে টি এম সি পি’র গোষ্ঠী সংঘর্ষে নষ্ট হয়েছে ক্যাম্পাসের সম্পত্তি। ইসলামিক ইতিহাস (ইসলামিক হিস্ট্রি) বিভাগে টি এম সি পি এক ছাত্রকে মারধর করে চাপ সৃষ্টি করে মনোনয়ন প্রত্যাহার পত্রে সই করাতে চাইলে, সে সই না করায় পুলিশ ডেকে রেপ কেসে ফাঁসিয়ে দেওয়ার হুমকি দিয়ে পুলিশের সামনেই জোর করে প্রত্যাহারপত্রে সই করায়। রাষ্ট্রবিজ্ঞান (পলিটিক্যাল সায়েন্স) বিভাগেও ক্লাস উত্তীর্ণ হতে না পারা এক সিনিয়র সহপাঠী ও অন্যান্য বিভাগ থেকে আসা তার গোষ্ঠীর ছেলেমেয়েরা অন্য গোষ্ঠীর টি এম সি পি প্রার্থী সহপাঠীদের জোর করে, হুমকি দিয়ে, ক্লাসরুমে আটকে রেখে মনোনয়ন প্রত্যাহার করাতে চাইলে নিজেদের মধ্যে বচসা বেঁধে যায়। এমনকি এক গোষ্ঠীর হাত থেকে অন্য গোষ্ঠীকে বাঁচাতে এইচ ও ডি এবং উপাচার্যের হস্তক্ষেপের দরকার পড়ে। গোষ্ঠী সংঘর্ষ এতোটাই চরম আকার ধারণ করেছিল যে বিবাদ মীমাংসার জন্য স্বয়ং শিক্ষামন্ত্রী গোপনে ময়দানে নেমেছিলেন।

সারা বছর ক্যাম্পাসে কোন কথা বলতে না পারার বাতাবরণই ঘুরে দাঁড়ানোর শপথ নিয়েই আমাদের প্রার্থী দাঁড় করানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। ৩৪৪টি মনোনয়নপত্র অনৈতিকভাবে বাতিল করার পর মানসিকভাবে সুস্থ কারোরই বুঝতে বাকি রইলো না কেন ১৬ই জানুয়ারি আমাদের নমিনেশনের রিসিভ কপি ওরা ছিঁড়ে ফেলেছিল। এই পরিস্থিতিতে ক্লাস ক্যাম্পেন, স্ট্রিট ক্যাম্পেন, সোশাল মিডিয়া ক্যাম্পেন, পোস্টারিং, গেট মিটিংয়ের মতো প্রচারের মাধ্যমগুলি ব্যবহার করতে না পারলেও ২২টি আসনে লড়াই করে ১৫টিতে জয়ী হতে পেরেছি। আমাদের ভরসা ছিল বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক এবং আস্থা ছিল আমাদের মতাদর্শের ওপর। আমরা দাবি তুলেছিলাম ক্যাম্পাসে বন্ধ হওয়া ‘চিপ স্টোর’ পুনরায় চালু করতে হবে। প্রতি ডিপার্টমেন্টে ন্যাপকিন ভেন্ডিং মে‍‌শিন রাখতে হবে। অবশ্যই মেডিসিন সেন্টার তৈরি করতে হবে প্রতি ক্যাম্পাসে। রাতের অন্ধকারে এই কথাগুলোই পোস্টারে লিখে ক্যাম্পাসের বাইরের দেওয়ালে ভরিয়েছি।

গোলাপ বিলানো সকালের পর তখন ঘড়ির কাঁটায় সময়টা ঠিক চারটে। পড়ন্ত বিকালের আলো তখনও ছুঁয়ে আছে এই বইপাড়ার অলিগলি; আমি আর দেবাঞ্জন সেনেট হল থেকে বেরিয়ে ঝামেলা এড়াতে ও নমিনেশন রিসিভ কপিগুলো অক্ষত অবস্থায় প্রার্থীদের হাতে তুলে‍‌ দেওয়ার জন্য ক্যাম্পাসের পিছনের গেট দিয়ে বার হতে যাচ্ছি এমন সময় কানে এলো ‘ওরা এস এফ আই। ওদের বের হতে দিবি না’ বলতে বলতে আমাদের দিকে ছুটে আসছে কয়েকজন; সামনে এসেই পথ আটকালো। কোন কথা না বলে না শুনে দেবাঞ্জনকে ধাক্কা দিল, ব্যাগ ছিনিয়ে নিল। মনোনয়নের রিসিভ কপিগুলো আমাদের চোখের সামনেই টুকরো টুকরো করে ফেলছিল মাটিতে। না তখনও ভয় পাইনি আমরা। বাধা দেওয়ার চেষ্টা করায় দেবাঞ্জনকে মারধের করা হলো, শার্ট ছিঁড়ে দেওয়া হলো, সজোরে ধাক্কা মেরে ওকে মাটিতে ফেলে দেওয়া হলো, আমার হাত ধরে টানাটানি করলো অক্ষত রিসিভ কপিগুলো ছিনিয়ে নেবে বলে। সমস্ত ঘটনা দাঁড়িয়ে দেখছিলেন স্বয়ং রেজিস্ট্রার, পুলিশ ও কিছু কর্মচারী। আমাকে হেনস্তা করছে দেখে কিছু কর্মচারী বার বার চলে যাওয়ার জন্য বলছিলেন, আমি শুনিনি। মার খাওয়া অবস্থায় সহযোদ্ধাকে ছেড়ে পালিয়ে আসার মানসিকতা নিয়ে আমরা ক্যাম্পাসে ঢুকিনি। ওরা ভুলে গেছে আমরা এস এফ আই, প্রয়োজনে রক্ত ঝরিয়েও সাদা পতাকাটা ঊর্ধ্বে তুলে ধরার সাহস দেখাই। তাই আমারই সহযোদ্ধা হার না মানা সাহস দেখিয়েছে সেদিনও। মার খাচ্ছে তা সত্ত্বেও রিসিভ কপির ছেঁড়া টুকরোগুলো মাটি থেকে কুড়িয়ে বুকে করে আগলে রাখতে দেখেছি। রিসিভ কপির বেশ কিছু টুকরো ও অক্ষত কিছু ফরম নিয়ে খ্যাপা পাগলের মতো ধাওয়া করা টি এম সি পি-র হাত থেকে বাঁচতে কাঁটার (পিছন) গেট পার করে ছুটতে ছুটতে গোলাপ (সামনের) গেটে এসে পৌঁছালাম। সকালে মিডিয়ার সামনে ‘বিরোধীদের স্বাগতম’ ব্যানার ও গোলাপ হাতে মুখোশধারী গান্ধিগিরি টি এম সি পি দেখেছিলাম আমরা জংলি গোলাপের তেতো সুবাসে গোলাপ জল ছড়িয়ে বেশিক্ষণ ঢেকে রাখা যায়? মুখোশের আড়ালের মুখটা বেরিয়ে পড়ে তখনই, যখন মনে কাঁটা হাতে গোলাপধারীদের উপেক্ষা করে লড়াইয়ে থাকার প্রতিজ্ঞা নিয়ে এস এফ আই-র দুজন প্রতিনিধি হিসাবে দেবাঞ্জন দ্বারভাঙা বিল্ডিং (সেনেট হল), আমি আশুতোষ হলে বিল্ডিংয়ে ঢুকি। নমিনেশন হলে ঢোকার মুখেই ওদেরই এক গোষ্ঠীর চার-পাঁচজন ‘দালাল’ পথ আটকে নানারকমের প্রশ্ন করতে থাকে। আমার হাতে থাকা পরিচয়পত্র, মনোনয়ন পত্র নিয়ে টানাটানি করে। সেদিনে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বটা ছিল আমাদের ওপর। রাজ্য নেতৃত্বের পরামর্শ অনুযায়ী মাথায় বরফ চাপিয়ে রাখতে হয়েছিল, তাই তাদের কোন প্রশ্নের উত্তর না দিয়েই তাদের ভ্রূক্ষেপ না করে, স্বজোরে ফরমটা টেনে নিয়ে জোর করে হলে ঢুকে পড়ি। নিজের মনোনয়নপত্র ও আমার বিভাগের আরো দুটো নমিনেশন জমা দেওয়ার পর। একের পর এক বিভাগে যখন নমিনেশনপত্র জমা দিচ্ছি লক্ষ্য করলাম হলের ভিতরে বেশকিছু বহিরাগত ছিল, যাদের নজর ছিল আমার উপর। কিছু কিছু বিভাগের নমিনেশন জমা দিতে গিয়ে ওই বিভাগের টি এম সি পি-দের নানা প্রশ্ন, আবার কোথাও তাদের ইচ্ছা অনুযায়ী বিলম্ব করা হয়েছে মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার সময়। শেষে লাইব্রেরি সায়েন্সের মনোনয়নপত্র জমা দিতে দেওয়া হবে না বলে তারা ভিত্তিহীন দাবি করে। অধ্যাপকদের সামনে আমার সঙ্গে অভদ্র আচরণ করতে শুরু করে। আমার গা ঘেঁষে দুজন বসে একজন অনবরত স্যার, ম্যাডামদের সঙ্গে তর্ক করে যাচ্ছে, অন্যজন আমার কাজে ব্যাঘাত ঘটানোর জন্য নানা রকমের কটূক্তি করছিল। কফি খাওয়ানোর প্রস্তাবটাও বাদ দেয়নি। পিছনে দাঁড়িয়েছিল আরো কয়েকজন ছেলে। তাদের এই আচরণ সামনে বসে থাকা অধ্যাপিকা সহ্য করতে না পেরে প্রতিবাদ করেন একটা মেয়ের সঙ্গে এমন ব্যবহার করছো! তোমাদের নমিনেশনপত্র জমা দেওয়া হয়ে গেছে, বেরিয়ে যাও।’’ তখন তাকেই হেনস্তা করতে শুরু করে। অধ্যাপিকার প্রতি তাদের উক্তি ‘চাচিজী কো মাফ কর দো’। ছিঃ! খারাপ লেগেছিল কলকাতা বিশ্ববিদযালয়ের একজন পড়ুয়া হিসাবে। সেই অতীত ঐতিহ্যশালী কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় যা এখনও সারা বিশ্বের মানুষ উৎকর্ষের চর্চাকেন্দ্র হিসাবে চেনে। কলকাতার মাটিতে পা দিয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের মুখোমুখি হয়ে ফুটবলের রাজপুত্র দিয়েগো আর্মান্দো মারাদোনাও বলেছিলেন কলকাতা বলতে বুঝি মাদার টেরেজা, টেগর ও কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়। সেই সেনেট বিল্ডিং যেখানে বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বাধিকার বজায় রাখার স্বার্থে লাইব্রেরি সায়েন্সেরই অধ্যাপক দিব্যেন্দু পাল আক্রমণের ঝড় মাথা পেতে নিয়েছিলেন। সেই আশুতোষ বিল্ডিং যেখানে একসময় পদধূলি পড়েছে শিক্ষক (আমন্ত্রিত) হিসাবে কবিগুরুর। সেই গর্বের কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে একজন ছাত্রীকে কটূক্তি ও একজন অধ্যাপিকাকে হেনস্তা করছে দেখেও অন্যান্য পড়ুয়া ও অধ্যাপকরা নীরব থেকে সবটাই ‘দেখছিলেন’। আলিপুর ক্যাম্পাসের এক টি এম সি পি ছাত্রনেতার উক্তি ‘দাদাদের কথা মাঝে মাঝে শুনে নিতে হয়।’’

কে দাদা? কার দাদা? কেন শুনবো আমরা?

ক্যাম্পাস বাঁচানোর লড়াই করছি আমরা; শিরদাঁড়া সোজা রাখি আমরা। সাইফুদ্দিন দা, সুদীপ্তদা, স্বপনদার মতো শহীদ আরো কয়েকশো হলেও আমরা মাথা নোয়াবো না। টি এম সি পি-র গোষ্ঠী কোন্দল মেটাতে বাড়িতে মিটিং ডেকে শিক্ষামন্ত্রীর সি আর ঠিক করে দেওয়া। সেন্ট্রাল প্যানেল নির্বাচনের আগে জি এস ঠিক করে দেওয়ার তীব্র ধিক্কার জানাচ্ছে এস এফ আই। আমরা চাই স্বশাসিত ছাত্র ইউনিয়ন, সেনেটে নির্বাচিত ছাত্র প্রতিনিধি। অডিট না হওয়া ইউনিয়নের বেলাগাম চুরির বিরুদ্ধে, ক্যাম্পাসকে দুর্নীতি মুক্ত করতে; মত বিনিময়ের মুক্তাঞ্চলে পরিণত করতে, সুস্থ ক্যাম্পাস পরিবেশ ফিরিয়ে আনতে আমাদের যে লড়াই, আমাদের যে দাবি সেখান থেকে এক পাও নড়বো না। যত পথ রুদ্ধ করতে চাইবে আমাদের জেদ আরো চারগুণ বাড়বে। বিভিন্ন ক্যাম্পাসে ক্যাম্পাসে কুঁড়িরা ফুটে উঠেছে শীতের সূর্যমুখী হয়ে।

IF winter comes, can spring be far behind?

বসন্ত আসবে, আসবেই। নতুন প্রভাত আনতে আমরা দৃঢ় প্রতিজ্ঞ।

—আত্মবিশ্বাস, চিন্তার স্বাধীনতা, নির্ভীক তারুণ্য;

চির ক্ষুধার্ত অগ্নি শিখার মতো।

নির্ভয়ে রোদ ওঠে জ্বলে,

যা ধারণ করে তার সব কিছু আলো

যা ফেলে যাই তার সব ছাই

অগ্নিশিখা হয়ে উঠি আমরা সুনিশ্চয়ে।

তাই সাধারণ ছাত্রছাত্রীদের কাছে আমাদের আহ্বান—

উচ্ছলতা, সোনালী সত্তা এসো!

দীপ্তিমান হয়ে ওঠো।।

কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের স্পর্ধা ফেরানোর লড়াই আরো জোরদার হবে। দেড়শো বছরের বৌদ্ধিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে রক্ষা করতেই হবে আমাদের। তাই প্রতি ক্যাম্পাস হোক নতুন লড়াইয়ের শপথ—আসুক প্রতিরোধের বসন্ত।

Current Affairs

Featured Posts

Advertisement