আমাদের মারাকানা

শুভ্র মুখোপাধ্যায়

৯ জুলাই, ২০১৭

ঠিকঠাক দিন গুনলে বাকি আর ৯০দিন, অর্থাৎ তিন মাস। তারপরে যুবভারতী হয়ে যাবে পুরোপুরি আন্তর্জাতিক নিদর্শন। অনুর্ধ্ব ১৭ যুব বিশ্বকাপের ফাইনালও হবে কলকাতায়। ফিফা শীর্ষ আধিকারিকদের কথা অনুযায়ী এই স্টেডিয়ামকে গড়ে তোলা হচ্ছে রিও ডি জেনেইরোর মারাকানা স্টেডিয়ামের আদলে। তাই কী? মারাকানা স্টেডিয়ামকে গত তিনবছর আগে স্বচক্ষে দেখার পরে এবার নবকলেবর যুবভারতী দেখে এই বিশেষ প্রতিবেদন।

প্রথম তাজমহল দেখার যা আনন্দ, ঠিক একইরকম শিহরণ জেগেছিলো রিও ডি জেনেইরোর মারাকানা স্টেডিয়াম দেখার সময়। অপূর্ব এক ভালো লাগা, নিদারুণ এক রোমাঞ্চ। বেশ মনে আছে, প্রথম মারাকানা দর্শনের দিন। ল্যাপটপ ব্যাগে সেদিন কলা, পাউরুটি, আপেল নিয়ে মাঠে প্রবেশ করছি। স্টেডিয়ামে এতোটাই নিরাপত্তা যে, তিনবার ব্যাগ খুলে সব চেক করাতে হলো। দু’বারের পরীক্ষায় আপেল, কলা, পাউরুটি পার পেয়ে গেলেও শেষবার দশাসই চেহারার নিরাপত্তারক্ষী গোঁ ধরে বসে রয়েছেন, ‘নয় মাঠে ঢুকবে ওই তিন ধরনের খাবার, আর নয় আপনারা! ওইগুলো নিয়ে কোনওমতেই নয়।’ যতোই সেইসময় তিন বঙ্গজ সাংবাদিক বোঝানোর চেষ্টা করছি যে, আপনাদের দেশের অলিভ অয়েলের খাবারে আমরা এখনও অভ্যস্ত হয়ে উঠতে পারেনি। একটু সময় দিন আমরা ঠিক মানিয়ে নেবো। কিন্তু ওই নিরাপত্তারক্ষী নাছোড়, আপেল, কলা নিয়ে কোনওভাবেই ঢোকা যাবে না। নিয়ম সকলের জন্যই এক, এখানে কেউ আইনের ঊর্ধ্বে নয়। অগত্যা, কী আর করা যাবে, তাঁর জেদের কাছে হার মেনেই বিশ্বের ঐতিহাসিক স্টেডিয়ামে প্রবেশের ছাড়পত্র।

মারাকানা প্রবেশের মুহূর্তে কলকাতার সাংবাদিকদের যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গনের কথা মনে পড়বেই। আধুনিকতা কিংবা ঐতিহ্যের কথা ভেবে নয়, আবেগের নিজস্ব একটা জায়গা থেকে মনে হবে আমাদের মারাকানা যেন যুবভারতী, মনে হবেই! সে যতোই বড় ম্যাচের সময় সল্টলেকের আই ও সি গেট দিয়ে বিনা টিকিটে দর্শক প্রবেশ করে যান। কিংবা ভি আই পি গেটের পাশের পাঁচিল টপকে পুলিশের নাগাল এড়িয়ে সমর্থকরা স্টেডিয়ামের চৌহদ্দিতে ঢুকে পড়ুন না কেন। যুবভারতী মানে বাংলার ফুটবল প্রেমীদের কাছে অনেককিছু। বহু ঘটনার সমারোহ রয়েছে আমাদের মাঠটিতেও। একবার ডালহৌসি ক্লাবে ক্যুইজের আসরে জেনেছিলাম, বিশ্বের বৃহত্তম স্টেডিয়াম ব্রাজিলের পূর্বতন রাজধানী রিও ডি জেনেইরোর মারাকানা। দুই লক্ষ ১০হাজার মানুষ প্রায় একসঙ্গে বসে খেলা দেখতে পারতেন। কিন্তু গত ২০১৪ ব্রাজিল বিশ্বকাপে গিয়ে আধুনিক মারাকানা দেখে উদ্ধার করলাম অতীতের ওই সংখ্যার তিনভাগের এক ভাগে নেমে এসেছে স্টেডিয়ামের দর্শকসংখ্যা। মাঠের আয়তন একই রয়েছে, স্টেডিয়ামের বৃত্তটাকে ছোট করে দেওয়া হয়েছে। এখন খেলা দেখতে পারেন ৭৮হাজার মানুষ। নিরাপত্তার কথা ভেবেই দর্শকসংখ্যায় হ্রাস টানা হয়েছে। যুবভারতী অবশ্য নবকলেবর হয়ে ওঠার পরে মারাকানাকে এদিক থেকে টেক্কা দিয়েছে। অনুর্ধ্ব ১৭যুব বিশ্বকাপে যুবভারতীতে খেলা দেখতে পারবেন ৮০হাজার দর্শক।

দু’দিন আগে সকালে যুবভারতী দর্শনের পরে মনে হয়েছে মারাকানার ঐতিহ্যকে ফেরানোর কিছুটা চেষ্টা করেছেন স্টেডিয়ামের আর্কিটেক্টরা। রিওর ওই স্টেডিয়ামের ক্লাবহাউসে জিকোর একটি প্রতিকৃতি রয়েছে, যেখানে দেখা যাচ্ছে ‘সাদা পেলে’ (জিকোকে এই নামে ডাকা হয়) বাই-সাইকেল কিক নিচ্ছেন। যুবভারতীর অন্দরমহলেও ওই রকম একটি প্রতিকৃতি তৈরি করা হয়েছে, তবে দেখে বোঝা যাচ্ছে না কার মূর্তি বসানো হয়েছে। মারাকানায় গিয়ে সবচেয়ে যেটি নজর কাড়বে, সেটি পরিবেশ। ফুটবলের সঙ্গে ব্রাজিলের সম্পর্ক ঠিক কী তা এই নামী স্টেডিয়ামে গেলেই বোঝা যায়। ব্রাজিলের ফুটবল সংস্কৃতি পরতে পরতে বহন করছে এই মাঠ। যেখানে অস্থায়ী একটি মিউজিয়ামও রয়েছে। সেখানে পেলের জার্সি থেকে শুরু করে গ্যারিঞ্চার বুট, সক্রেটিসের মাথার হলুদ রঙের ফেট্টি, রোনাল্ডো দ্য লিমার জার্সি, রবার্তো কার্লোসের ট্রাউজার্স সব দেখতে পারবেন। ব্রাজিলের ফুটবল ইতিহাস নিয়ে নানা বইয়ের সম্ভারও রয়েছে। বিভিন্ন ম্যাচের দুর্লভ ছবি, কোথাও গ্যারিঞ্চার কোলে পেলে, কোথাও কাফুর সঙ্গে রোনাল্ডোর ছবিও রয়েছে। যুবভারতীতে এরকম কোনও মিউজিয়ামের ভাবনা আপাতত নেই, যা দেখে বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে আসা মানুষেরা ভারতীয় ফুটবলের সুদীর্ঘ ইতিহাস জানতে পারবেন।

মারাকানা বিখ্যাত বলুন বা কুখ্যাত হয়ে রয়েছে ১৯৫০সালের বিশ্বকাপ ফাইনালে উরুগুয়ের কাছে হারের পর থেকে। তারপর নামই হয়ে যায় ‘মারাকানজো’ ক্ষত, সেটি নিয়ে আক্ষেপ বয়ে বেড়ান ব্রাজিলের আপামর মানুষ। এমনিতে মারাকানা হোম মাঠ হিসাবে পরিচিত চারটি দলের, ফ্ল্যামেঙ্গো, ফ্লুমিনিজ, বোগাফোটো ও ভাস্কো দা গামা। যুবভারতীও কার্যত তাই, মোহনবাগান, ইস্টবেঙ্গল, মহামেডান ও অ্যাটলেটিকো কলকাতার হোম মাঠ হিসাবে পরিচিত। তবে মারাকানা বলুন কিংবা সাওপাওলোর কোরিন্থিয়ান্স স্টেডিয়াম, বিশ্বকাপের অধিকাংশ মাঠের রাস্তা ঢালু প্রকৃতির। মনে হবে যেন পাহাড়ে উঠছি। উঠতে গেলে জান বেরিয়ে যাবে, নামতে আরাম। কেন এমন ব্যবস্থা? আয়োজকদের প্রশ্ন করে জেনেছি, বিশ্বকাপের মতো মেগা মঞ্চগুলিতে হুলিগানদের ভিড় জমে, তারা মাঠে আসেই ঝামেলা করতে, যাতে মাঠে আসা আগন্তুকরা অশান্তি সৃষ্টি করলে পালিয়ে যেতে সমস্যা হয়, ধরা পড়ে পুলিশের খপ্পরে, সেই কারণেই এমন ব্যবস্থা করা। ঢালু জায়গায় দৌড়াতে গেলেই বিপত্তি বাধে। মারাকানা স্টেডিয়ামের রাস্তাও তাই একই ধরনের কারুকার্য করা। দারুণ লাগবে পার্কিং লটগুলি দেখলে। স্টেডিয়ামের রাস্তাটিকে এমনভাবে সাজানো হয়েছে, তার নিচেই গাড়ি রাখার ব্যবস্থা।

মারাকানা ক্ষত হিসাবে মারাকানজোর হারকে ধরা হয়। আর যুবভারতী মানে অতীতের নানা ঘটনার ডালি। ওই যে আগেই বলেছি, যুবভারতী মানে অনেককিছুই, নেহরু কাপের সূচনায় তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী জ্যোতি বসু ও প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধীর হাজির থেকে স্টেডিয়ামের উদ্বোধন। তারপরে বহু স্মরণীয় ম্যাচ, ইডেনের থেকে চাপ কমাতে এই মাঠে ফুটবলের নানা কর্মকাণ্ডের সূচনা। ফেডারেশন কাপ সেমিফাইনাল ম্যাচে মোহনবাগান-ইস্টবেঙ্গল ম্যাচে ১লাখ ৩১হাজার দর্শক সংখ্যা যুবভারতীর অহংকার। কোচ অমল দত্ত বনাম পি কে ব্যানার্জির যুযুধান লড়াইয়ের সাক্ষী ছিলো এই মাঠ ২০বছর আগে, ১৯৯৭সালের ১৩ই জুলাই। সেই ম্যাচে অমলের ডাকা ‘চুংচুং’, মানে বাইচুঙ ভুটিয়ার হ্যাটট্রিক লাল হলুদ সমর্থকদের মনের মণিকোঠায় চিরকালীন স্থান করে রয়েছে। ফুটবল বিশ্বের কারাই বা আসেননি এই মাঠে, তালিকা করলে রীতিমতো সম্ভ্রম জাগে, পেলে-মারাদোনা-সহ তাবড় কিংবদন্তীদের পা পড়েছে এই মাঠে। সবথেকে অবাক করার বিষয়, ২০১১সালের ২রা সেপ্টেম্বর যুবভারতীতে আর্জেন্টিনা দলের হয়ে অধিনায়ক হিসাবে অভিষেক হয় ফুটবল রাজপুত্র লিওনেল মেসির, আন্তর্জাতিক ওই প্রীতি ম্যাচে মেসির আর্জেন্টিনা ১-০গোলে হারিয়েছিলো ভেনেজুয়েলাকে। এমনকি আর্জেন্টিনার কোচ হিসাবে প্রথম ম্যাচ ছিলো আলেজান্দ্রো সাবেলারও। এর আগে নেহরু কাপসহ যুবভারতীতে মোট ২০টি আন্তর্জাতিক ম্যাচ হয়েছে। জাপানের কোচ হিসাবে জিকোও হাজির ছিলেন এই মাঠে ১২বছর আগে।

মাঠ সাজানোর ক্ষেত্রে যুবভারতীতে নিয়োজিত এ মুহূর্তে মোট ১১০০কর্মী। তাঁদের কয়েকজনের সঙ্গে কথা বলে জানা গিয়েছে, এই মাঠ যুব বিশ্বকাপের দৌলতে নতুন জীবন পেলো। না হলে বছর তিনেক আগে গিয়েও দেখা গিয়েছে সারা মাঠ চত্বর জঞ্জালে ভরে গিয়েছিলো, বর্তমান রাজ্য সরকারের মদতপুষ্ট লোকেরা নানা হোটেল খুলে স্টেডিয়ামকে কদর্য রূপ দিয়েছিলো। ফিফা মাঠের দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকে বদলে গিয়েছে পুরো চিত্র। যুব বিশ্বকাপ উপলক্ষেও নামীদামি দোকান, ব্যাঙ্কের এ টি এম, বিভিন্ন মার্কেটিং স্বত্ব দেওয়ার কাজ শুরু হবে টেন্ডারের মাধ্যমে বিজ্ঞাপন দিয়ে। আচমকা কেউ ঘাঁটি গেড়ে বসতে পারবে না। তারথেকেও বড় কথা, ফিফা আধিকারিকরা বারবার পরিদর্শন করার জন্য মন্ত্রী-নেতারাও তটস্থ। তাঁরা এমনকিছু করবেন না, যাতে স্বজনপোষণের দায়ে অভিযুক্ত হওয়া যায়। যুবভারতীর এক অফিসার বলছিলেন, ফিফা এই স্টেডিয়ামের জন্য কমিটিতে এখানকার লোকদের রেখেছে ঠিকই, কিন্তু তারা সব খোঁজখবর রাখবে, তাঁদের কাছে মেগা আসরের মর্যাদা কলকাতাবাসীর চেয়ে কম কিছু নয়। সবথেকে বড় কথা, এই স্টেডিয়ামের দায়িত্বে রয়েছে ফেডারেশন, তারাই বিভিন্ন কমিটিতে রাজ্য সরকারের লোকদের বসিয়েছে, এরপর যদি কোনও কারণে কোনও ত্রুটি বিচ্যুতিতে কলকাতার মুখ পোড়ে, তার দায়ভার বর্তমান রাজ্য সরকারের কেষ্টবিষ্টুরা নেবেন তো? এটাই বড় প্রশ্ন।

বিশ্বকাপের প্রতিটি স্টেডিয়ামের আসল সৌন্দর্য মিডিয়া সেন্টার। সাংবাদিকদের কাছে এই ব্যবস্থা সবচেয়ে গ্রহণযোগ্য, তারা যাতে অত্যাধুনিক প্রক্রিয়া কাজে লাগিয়ে খবর পাঠাতে পারে সেটি আয়োজকরা খেয়াল রাখেন সর্বদা। যুবভারতীর পরিকল্পিত মিডিয়া সেন্টারটি হবে মাঠে প্রবেশের মুহূর্তেই, ভি আই পি গেটের লাগোয়া বলা যেতে পারে। প্রেস বক্স ও মিডিয়া সেন্টারের পৃথক ব্যবস্থা। মারাকানা স্টেডিয়ামের মিডিয়া সেন্টারটি সবচেয়ে বৃহৎ ছিলো গত বিশ্বকাপে। সব মিলিয়ে তিনটি নিউ মার্কেট ধরে যাবে, এতোই বিস্তৃত। মিডিয়া সেন্টারের মধ্যেই রেস্তোরাঁ ও পাব রয়েছে। যুবভারতীতেও সেরকমই থাকবে, ফিফার একই গাইডলাইন, তার অন্যথা হওয়া যাবে না। যুব হোক কিংবা মহাতারকাদের নিয়ে বিশ্বকাপ, তার রূপরেখা নির্দিষ্টই থাকে। যুবভারতীর মাঠ অনন্য সুন্দর, সে আগেই পরীক্ষিত, ইতিমধ্যে কৃত্রিম টার্ফ সরিয়ে নতুন ঘাসের চাদর পাতা হয়েছে, যা মূলত এসেছে জার্মানি থেকে। মাঠের প্রত্যেকটি ব্লকে বসবে লিফট, প্রতিবন্ধীদের জন্য পৃথক ব্লক থাকবে। মারাকানা স্টেডিয়ামে গোল করে বসে ছিলো বিভিন্ন স্টল, যা আপার কিংবা মিডল টায়ারে ছিলো, দর্শকরা খেলা দেখার ফাঁকে এসে সেখান থেকে খাবার কিনছিলেন। কোথাও আবার মোবাইল রিচার্জের দোকানেরও দেখা মিলেছে, সাইবার ক্যাফেও ছিলো। এখানে সেই ধরনের স্টল বসার সম্ভাবনা নেই। ব্রাজিলে প্রতিটি মাঠে ছিলো স্মোকিং জোন, তার বাইরে গিয়ে ধূমপান করলে বড়সড় জরিমানা দিতে হবে। এখানে তাও থাকবে না ধরে নেওয়া যায়।

ফুটবলারদের মাঠে যাওয়ার টানেল ও তাঁদের সাজঘর একান্তভাবে গোপনীয়। টেনিসের লকার রুমে সকলের জন্য প্রবেশের নিষেধাজ্ঞা রয়েছে। তেমনি ফুটবলে ড্রেসিংরুমে প্রবেশাধিকার কারোর নেই। যুবভারতীতে আগে ছিলো টানেল দিয়ে সাজঘর পর্যন্ত যাওয়ার রাস্তা সকলের জন্য খোলা, সমর্থকরা ফুটবলারদের ভালো খেললে যেমন জয়গান করতেন, কিংবা খারাপ খেললে তাঁদের গালিগালাজ থেকে শুরু করে ভর্ৎসনা প্রকাশ্যে করা হতো, এমনকি মেসি যেবার খেলতে এলেন, সেইসময়ও একই ঘটনা দেখা গিয়েছে। সেবার তো প্রেস কনফারেন্স রুমে বিদ্যুৎই চলে গিয়েছিলো। মোবাইলের আলোয় কনফারেন্স কোনওক্রমে শেষ হয়। যেমন এর আগে মাঠের বিদ্যুৎও চলে গিয়ে চরম অস্বস্তির মুখে পড়েছিলো, তাও আবার হয় ভারত ও জাপান প্রাক বিশ্বকাপের ম্যাচে। এবার অবশ্য যেভাবে নকশা করা হয়েছে মাঠ থেকে পুরো টানেল দিয়ে ফুটবলাররা ড্রেসিংরুমে অদৃশ্য হয়ে যাবেন। যেমনটি আমরা টিভিতে আন্তর্জাতিক ম্যাচের ক্ষেত্রে দেখতে পাই।

তিন মাস বাকি। কাজ চলছে পুরোদমে, অনেককিছুই হয়ে গিয়েছে, আবার বহুকিছুই বাকি। ফিফা আধিকারিকরা আবারও আসবেন পরিদর্শনে জুলাই মাসের শেষদিকে। যুব বিশ্বকাপে ফিফার ডিরেক্টর জেভিয়ার সেপ্পি একবার যুবভারতীর কাজ দেখে বলেছিলেন, ‘এই মাঠকে আমরা মারাকানার মতো করতে চাই, কাজ সম্পূর্ণ হলে সেরকমই আদল হবে।’ কাজ শেষ হয়নি, ৭০শতাংশ কাজ হয়েছে, বাকি কাজ হয়ে গেলে সবশেষে মূল্যায়ন হবে। তারমধ্যে আশাও রয়েছে, তেমনি স্বপ্নও দেখছি। একটাই কথা, যুব বিশ্বকাপের দৌলতে আমাদের প্রিয় মাঠের হাল ফিরলো। এবার শুধু মেগা দলগুলির নতুন তারকাদের নিয়ে মাঠে নেমে পড়ার অপেক্ষা। যাই বলুন, কলকাতার আর তর সইছে না।

Featured Posts

Advertisement