বি জে পি শাসিত রাজ্যেগুলিতে
মারাত্মক হারে বাড়ছে ধর্ষণ
শ্লীলতাহানীর ঘটনা

বিশেষ সংবাদদাতা

১৯ আগস্ট, ২০১৭

নয়াদিল্লি — ‘বেটি বাঁচাও বেটি পড়াও’ প্রকল্পের বিজ্ঞাপনের জন্য কোটি কোটি টাকা খরচ করছে মোদী সরকার। রাজ্যে রাজ্যে ‘বেটি’ বা ‘কন্যা’ আদৌ ভালো নেই। বিশেষকরে বি জে পি শাসিত রাজ্যগুলিতে নারীদের ওপর অত্যাচারের ঘটনা ভয়াবহ আকার নিয়েছে। উত্তর প্রদেশ মহারাষ্ট্র, হরিয়ানা থেকে রাজাস্থান। সর্বত্রই একই চিত্র দেখা যাচ্ছে। ২০১৫সালের ন্যাশানাল ক্রাইম রেকর্ড ব্যুরোর ( এন সি আর বি) রিপোর্ট অনুযায়ী গোটা দেশের মধ্যে বি জে পি শাসিত মধ্য প্রদেশেই ধর্ষণের ঘটনা সবচেয়ে বেশি। এই রাজ্যে ৪হাজার ৩৯১জন মহিলা পাশবিক অত্যাচারের শিকার হয়েছেন বলে জানিয়ছে এই রিপোর্ট। এরপরই রয়েছে মহারাষ্ট্র। বি জে পি শাসিত এই রাজ্যে ৪, ১৪৪টি ধর্ষণের ঘটনা ঘটেছে। বসুন্ধরারাজে সিন্ধিয়ার মুখ্যমন্ত্রীত্বে রাজস্থানেও নারীদের কোনো নিরপত্তা নেই। এন সি আর বি’র রিপোর্ট অনুযায়ী এই রাজ্য ধর্ষিতা হয়েছেন ৩হাজার ৬৪৪জন। নির্যাতিতাদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য সংখ্যায় রয়েছে নাবালিকা, স্কুল কলেজের ছাত্রীরা।

এর সঙ্গেই বৃদ্ধি পেয়েছে গার্হস্থ্য হিংসার ঘটনা। এই হিংসায় মহিলারা সবচেয়ে বেশি শিকার হয়েছেন পশ্চিমবঙ্গে। এন সি আর বি’র ২০১৬-র প্রাথমিক রিপোর্ট অনুযায়ী তৃণমূল কংগ্রেস শাসিত এই রাজ্যে স্বামী ও তার পরিবারের লোকজনদের হাতে মহিলাদের নিগৃহীত হওয়ার ঘটনা সবচেয়ে বেশি। এরপরই রয়েছে বি জে পি শাসিত উত্তর প্রদেশ।

দেশজুড়ে ৭০তম স্বাধীনতা দিবস পালতি হচ্ছে। চ্যানেলে চ্যানেলে সম্প্রচারিত হচ্ছে প্রধানমন্ত্রী মোদীর ভাষণ। মোদীর ভাষণে ‘নুতন ভারতর গড়ার সংকল্প’র কথা শোনাচ্ছেন। ওই সময়ই স্কুলে স্বাধীনতা দিবসের অনুষ্ঠাণে যোগ দিয়ে বাড়ি ফেরার পথে ধর্ষণের শিকার হয় ১২বছরের এক ছাত্রী। তাকে তুলে নিয়ে গিয়ে ধর্ষণ করে অস্ত্রধারী এক দুষ্কৃতী। চণ্ডীগড়ে সেক্টর ৩-তে একটি পার্কের ভিতর ওই ছাত্রীর ওপর পাশবিক অত্যাচার চালায় ওই দুষ্কৃতী।

সম্প্রতি নারী নির্যাতনের ঘটনায় প্রায়ই সংবাদের শিরোনামে চলে আসছে চণ্ডীগড়। বি জে পি শাসিত এই রাজ্যে একের পর এক ঘটনা দেশজুড়ে শোরগোল ফেলে দিয়েছে। সম্প্রতি এক তরুণীকে পিছু ধাওয়া এবং অপহরণ করার চেষ্টার ঘটনাকে ঘিরে বিভিন্ন মহলে তীব্র প্রতিক্রিয়া তৈরি হয়েছিল। এই ঘটনায় অভিযুক্ত হরিয়ানার বি জে পি সভাপতির ছেলে ও তাঁর সঙ্গী এক যুবক।

দিন কয়েক আগে এই শহরের মহিলারা মোমবাতি মিছিল করেছিলেন। রাস্তাঘাটে তাঁদের চলাফেরার অধিকারের বার্তা দিতেই এই মিছিল হয়। তার মধ্যেই কিশোরী ছাত্রীকে টেনে নিয়ে ধর্ষণের মতো জঘন্য ঘটনা ঘটলো। চণ্ডীগড়ে এই ধরনের অপরাধের ঘটনা বৃদ্ধি এন সি আর বি’র রিপোর্টেও প্রতিফলিত হয়েছ। এন সি আর বি’র রিপোর্ট অনুযায়ী ২০১৬সালে সবচেয়ে বেশি শ্লীলতাহানীর ঘটনা ঘটেছে চণ্ডীগড়ে। এই ধরনের অপরাধের সংখ্যা ৮৪টি বলে ওই রিপোর্টে বলা হয়েছে। চলতি বছরের এই শহরে অন্তত ৫০টি শ্লীলতাহানীর ঘটনা ঘটেছে বলে পুলিশ সূত্র জানিয়েছে।

উত্তর প্রদেশের যোগী সরকারের শাসনে নারীদের ওপর অপরাধের ঘটনা মাত্রাতিরক্তভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। ১৯শে মার্চ যোগী আদিত্যনাথের শপথ নেওয়ার পর থেকেই রাজ্যজুড়ে অপরাধের ঘটনা কয়েকগুণ বৃদ্ধি পেয়েছে। উত্তর প্রদেশে বিধানসভায় দাঁড়িয়েই এই তথ্য দিয়েছেন পরিষদীয় মন্ত্রী সুরেশ কুমার খান্না। মন্ত্রীর দেওয়া তথ্য অনুযায়ী ১৯শে মার্চ থেকে ৯ই মে পর্যন্ত এই রাজ্যে ৮০৩টি ধর্ষণের ঘটনা ঘটেছে। রাজ্যে খুনের ঘটনা ঘটেছে ৭২৯টি। রাজ্যে অইন শৃঙ্খলার পরিস্থিতির অবনতি হওয়া নিয়ে বিরোধীরা সরব হলে পরিষদীয় মন্ত্রী এই তথ্য দিতে বাধ্য হন।

যোগীর আমলে নারী নির্যাতনসহ নানান ঘৃণ্য অপরাধ যেন প্রতিদিনকার ঘটনা। বি জে পি শাসিত এই রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীর দাবি, আগের তুলনায় রাজ্যে মহিলারা অনেক নিরাপদে আছেন! যোগীর দাবি, অ্যান্টি রোমিও স্কোয়াডের জন্যই নাকি মহিলাদের নিরাপত্তা বেড়ে গেছে! সরকারের যেওর থেকে শুরু করে রামপুর। গাজিয়াবাদ অথবা মথুরায় একের পর এক দলবদ্ধ ধর্ষণ ও খুনের ঘটনা যোগীর এই দাবিকে মিথ্যা বলেই প্রমাণ করছে। গত তিন মাসে যে হারে ধর্ষণ এবং শ্লীলতাহানির ঘটনা ঘটেছে তা গত বছরের তুলনায় কয়েকগুন বেশি।

সম্প্রতি এই রাজ্যের বালিয়া জেলায় দ্বাদশ শ্রেনির ছাত্রী রাগিনী দুবের হত্যাকাণ্ডকে ঘিরে দেশজুড়ে তুমুল হৈ চৈ হয়েছে। বি জে পি’র নেতার ছেলে ও তার সঙ্গীরা মিলে ১৭বছরের এই কিশোরীকে গলার নলি কেটে হত্যা করে। ওই কিশোরীর অপরাধ বি জে পি নেতার ছেলের দেওয়া বিয়ের প্রস্তাব নাকচ করে দিয়েছিলো। সে আরো পড়তে চেয়েছিলো। তাঁর চোখে ছিলো ডাক্তার হওয়ার স্বপ্ন। কিন্তু অকালেই ঝড়ে গোলো তার সেই স্বপ্ন।

উত্তর প্রদেশের বালিয়া জেলায় বাজাহান গ্রামের দ্বাদশ শ্রেনির ছাত্রী রাগিনী দুবকে এভাবেই হত্যা করলো বি জে পি নেতার ছেলে ও তার সঙ্গীরা। বোনের সঙ্গে সাইকেল চালিয়ে স্কুলে যাওয়ার সময় স্থানীয় বি জে পি নেতা এবং গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান কৃপাশঙ্কর তেওয়ারির ছেলে প্রিন্স তেওয়ারি ও তার সঙ্গীরা মোটর সাইকলে চেপে এসে রাগিনী ও তার বোন সিয়াকে সাইকেল থেকে ধাক্কা মেরে মাটিতে ফেলে দেয়। এরপরই প্রিন্স ও সোনু নামের তার আরেক সঙ্গী রাগিনীকে টানাতে টানতে রাস্তার মাঝখানে নিয়ে গিয়ে ধারালো ছুড়ি দিয়ে তার গলার নলি কেটে হত্যা করে। পুলিশকে এইকথা জানিয়েছে ওই দিনের প্রত্যক্ষদর্শী রাগিনীর বোন সিয়া। সিয়াই রক্তাত অবস্থায় দিদিকে কোনোমতে সাইকেলে চাপিয়ে স্থানীয় হাসপাতালে নিয়ে যায়। কিন্তু চিকিৎসকরা রাগিনীকে পরীক্ষা করে মৃত বলে ঘোষণা করেন। এই ঘটনায় ২২বছরের প্রিন্স ও তার খুড়তোতো ভাই সোনু তিওয়ারি, নীরাজ তিওয়ার এবং রাযু যাদব নামের যুবক জড়িত ছিলো বলে পুলিশকে জানিয়েছে সিয়া।

রাগিনীর বাবা জিতেন্দ্র দুবে জানিয়েছেন, বেশ কয়েকমাস স্কুলে যাতায়াতের পথে তাঁর মেয়েকে উত্যক্ত করত প্রিন্স ও তার সঙ্গীরা। রাগিনীকে উদ্দেশ্য করে কটূক্তিও করত তারা। এমনকি রাগিনীকে বিয়ের প্রস্তাবও দিয়েছিল। কিন্তু রাগিনী তাতে রাজি না হাওয়ায় ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠে প্রিন্স। প্রতিদিন স্কুলে যাতায়াতের পথে রাগিনীকে নানাভাবে হেনস্থাও করতে থাকে প্রিন্স ও তার সঙ্গীরা। মেয়েকে রক্ষা কতে বি জে পি নেতা ও প্রিন্সের বাবা কৃপাশঙ্কর তেওয়ারির কাছেও দ্বারস্থ হয়েছিলেন তিনি। কিন্তু তাতেও কোনো উপকার হয়েনি। এই ঘটনায় যোগী শাসনে নরীদের নিরাপত্তাহীনতার করুণ চিত্র আরো একবার ধরা পড়ল।

এখানেই শেষ না। সম্প্রতি বেরিলিতেই দলবদ্ধ ধর্ষণের দায়ে হিন্দু যুব বাহিনীর ৩সদস্যকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। এই রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথই নিজের হাতে তৈরি করেছিলেন এই ‘হিন্দু যুব বাহিনী’। মহিলাদের ওপর অত্যাচারের ঘটনা উদ্বেগজনক ভাবে বৃদ্ধি পাওয়া শুধু উত্তর প্রদেশেই আটকে নেই। বি জে পি শাসিত রাজ্যগুলিতে খুন, ধর্ষণ, অপহরণের ঘটনা মারাত্মকভাবে বৃদ্ধি পাচ্ছে।

বি জে পি শাসিত হরিয়ানার গুরগাঁও দুষ্কৃতীদের মুক্তাঞ্চলে পরিনত হয়েছে। একের পর এক দলবদ্ধ ধর্ষণের ঘটনা সংবাদের শিরোনামে এসেছে এই শহর। তাতেও কোনো ব্যবস্থা নেয়নি বি জে পি সরকার। সম্প্রতি দলবদ্ধ ধর্ষণের শিকার হন এক তরুণী। ৩৫বছরের এই তরুণীকে অপহরণ করে একটি গাড়িতে তুলে নিয়ে যায় দুষ্কৃতীরা। টানা ৫ঘণ্টা ধরে চলন্ত গাড়ির মধ্যেই তাঁকে পরপর ধর্ষণ করে। এরপর গ্রেটার নয়ডার কাছে চলন্ত গাড়ি থেকে ওই তরুণীকে ছুঁড়ে ফেলে দিয়ে পালিয়ে যায় দুষ্কৃতীরা।

গুরগাঁওয়ের কাছে মানেসারে শিশুকন্যাকে হত্যা করে মায়ের ওপর দলবদ্ধ ধর্ষণের ঘটনার একমাসের মধ্যেই এই ঘটনা এখানকার নিরপত্তা নিয়ে প্রশ্ন তুলে দিলো। হরিয়ানার গুরগাঁও এবং উত্তর প্রদেশের নয়ডা অঞ্চলে আইনশৃঙ্খলার পরিস্থিতি উদ্বেগজনক। দুটো রাজ্যেই বি জে পি সরকার। অথচ মহিলাদের নিরাপত্তা দিতে তারা ব্যর্থ এই দুই অঞ্চলে পরপর মহিলাদের পাশবিক অত্যাচারের ঘটনা একথাই প্রমাণ করে দিচ্ছে।

সম্প্রতি এই অঞ্চলে পরপর এই ঘটনায় দেশজুড়ে চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে। ২৯শে মে রাতে শিশুকন্যাকে সঙ্গে নিয়ে অটোতে করে বাবার বাড়িত যাচ্ছিলেন এক তরুণী। গুরগাঁওয়ের মানসরের কাছে অটোর ভিতর ৩জন যুবক মিলে তাঁকে শ্লীলতাহানি করে। ওই সময় তাঁর কোলে থাকা ন’মাসের মেয়ে কেঁদে উঠলে খেপে যায় তারা। তাঁর কোল থেকে শিশুকন্যাকে ছিনিয়ে নিয়ে আটোর বাইরে ছুঁড়ে ফেলে দেয়। এরপর ঘণ্টা চারেক ধরে তাঁর ওপর অত্যাচার চালিয়ে পালিয়ে যায়।

পরের দিন সকাল হতেই নিজের সন্তান খুঁজতে বেরোন নির্যাতিতা মা। রাস্তার ধারে মেয়েকে মৃত অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখেন তিনি। মৃত সন্তানের দেহ আঁকড়ে গুরুগ্রাম ফেরার মেট্রো ধরেছিলেন ওই তরুণী। মাঝে একটি স্টেশন থেকে ওই তরুণীকে উদ্ধার করে গুরুগ্রাম থানার পুলিশ। সেখানে ছিলেন তরুণীর স্বামীও। এই ঘটনায় গোটা দেশ শিউড়ে উঠেছিল। তার একমাস যেতে না যেতেই সেই গুরগাঁওতেই একই ঘটনা ঘটলো।

এর কয়েকদিন আগেই ২৫শে মে গ্রেটার নয়ডার জেওর থেকে রাত দেড়টা নাগাদ একটি গাড়িতে করে বুলন্দশহর যাচ্ছিলেন এক পরিবারের আটজন। এঁদের মধ্যে চারজন মহিলা ছিলেন। বুলন্দশহরের একটি বেসরকারি হাসপাতালে তাঁদের এক সন্তানসম্ভবা আত্মীয়ের শারীরিক অবস্থার অবনতির খবর পেয়ে হাসপাতালে যাচ্ছিলেন পরিবারের সদস্যরা।

যমুনা এক্সপ্রেসওয়ে দিয়ে যাওয়ার সময়ে সাবৌতা গ্রামের কাছে তাঁদের গাড়ির দুটি চাকা ফেটে যায়। এরপরেই পাঁচ থেকে ছয়জনের দুষ্কৃতী দল চড়াও হয়। প্রথমে তারা মারধর শুরু করে পুরুষদের। অস্ত্র দেখিয়ে লুটপাট করা হয়। চিকিৎসার জন্য প্রায় ৫০হাজার টাকা লুট করে দুষ্কৃতীরা। মহিলাদের অলংকারও লুট করা হয়। এরপরে মহিলাদের গাড়ি থেকে জোর করে টেনে হিঁচড়ে নিয়ে যাওয়া হয় পাশের খেতে। পুরুষ সদস্যরা বাধা দিতে গেলে দুষ্কৃতীরা গুলি করে হত্যা করে একজনকে। এরপরে বন্দুকের মুখে চার মহিলাকে পরপর ধর্ষণ করা হয়। ধর্ষিতা মহিলারা নিহত যুবকের মা, বোন, স্ত্রী এবং বৌদি।

এরও আগে, ১৩ই মে রাতে গুরগাঁওতেই নির্মম অত্যাচারের শিকার হন আরেক তরুণী। সিকিমের বাসিন্দা ২২বছরের তরুণীকে দলবদ্ধভাবে ধর্ষণের পর তাঁকে চলন্ত গাড়ি থেকে ফেলে দিয়ে চলে যায় দুষ্কৃতীরা। চলন্ত বাসের মধ্যেই ধর্ষণের অভিযোগ উঠলো মহারাষ্ট্রের বি জে পি-র এক নেতার বিরুদ্ধে। গড়চিরলি জেলায় ১৯বছরের এক তরুণীকে ধর্ষণের অভিযোগে বি জে পি নেতা রবীন্দ্র বওয়ানথাড়েকে পুলিশ গ্রেপ্তার করেছে। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে মঙ্গলবার সকালে বেসরকারি বিদ্যালয়ের শিক্ষক রবীন্দ্র বওয়ানথাড়েকে চন্দ্রপুর জেলার ব্রহ্মপুর অঞ্চল থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। এছাড়াও এই ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে বাসের চালকসহ ৩জনকে এদিন পুলিশ গ্রেপ্তার করেছে।

গার্হস্থ্য হিংসায় মহিলারা সবচেয়ে বেশি শিকার হয়েছেন পশ্চিমবঙ্গে। এরপরই রয়েছে বি জে পি শাসিত উত্তর প্রদেশ।

ধর্ষণে

প্রথম মধ্য প্রদেশ ধর্ষিতার সংখ্যা : ৪, ৩৯১জন

দ্বিতীয় মহারাষ্ট্র ধর্ষিতার সংখ্যা : ৪, ১৪৪জন

তৃতীয় রাজস্থান ধর্ষিতার সংখ্যা : ৩, ৬৪৪জন

Featured Posts

Advertisement