সঞ্জয় সেনকে দেখতে গেলেন
খালিদ জামিল মহামেডানকে
নিয়েই ভাবছেন ইস্টবেঙ্গল কোচ

নিজস্ব প্রতিনিধি

কলকাতা, ১২ই সেপ্টেম্বর — কলকাতা লিগ প্রায় শেষের দিকে। ২৪শে সেপ্টেম্বর শিলিগুড়ির বড় ম্যাচেই নিস্পত্তি হবে এবারের লিগ কার! সপ্তাহ দুয়েক আগে থাকতেই বাকবিতন্ডায় উত্তপ্ত ময়দান। এই যুদ্ধের আবহেই মঙ্গলবার বিকালে সুন্দর মৈত্রীর ছবি দেখা গেল বাইপাসের ধারের একটি বেসরকারি হাসপাতালে। কয়েকদিন আগেই এই হাসপাতালেই বাইপাস সার্জারি হয়েছে মোহনবাগান কোচ সঞ্জয় সেনের। মঙ্গলবার গোলরক্ষক কোচ আব্দুল সিদ্দিকিকে সঙ্গে নিয়ে সঞ্জয় সেনকে দেখতে আসেন ইস্টবেঙ্গল কোচ খালিদ জামিল। বিকাল সাড়ে চারটে নাগাদ হাসপাতালে আসেন তিনি।

সঞ্জয় সেনের কেবিনে মিনিট পনেরো ছিলেন খালিদ। দুজনের মধ্যে বেশ কিছুক্ষণ ব্যক্তিগত কথাবার্তাও হয়। কেবিন থেকে বেরোবার সময় মোহনবাগান কোচের দ্রুত আরোগ্য কামনা করেন খালিদ। সঞ্জয় সেনও কলকাতা লিগের জন্য শুভেচ্ছা জানান ইস্টবেঙ্গল কোচকে। হাসপাতাল ছাড়ার আগে খালিদ জানালেন, ‘অনেকদিন পর সঞ্জয়দার সঙ্গে দেখা করে বেশ ভালো লাগছে। আমার সকালে আসার কথা থাকলেও ভিসিটিং আওয়ার না থাকায় আসতে পারিনি। তাই এখন এলাম। সঞ্জয়দা ভালোই আছেন। উনি খুব দ্রুত মাঠেও ফিরবেন।’ প্রসঙ্গত, সঞ্জয় সেন এখন বিপন্মুক্ত। বুধবারই জেনারেল বেডে স্থানান্তরিত করা হবে মোহনবাগান কোচকে।

অন্যদিকে মঙ্গলবার সকালে ইস্টবেঙ্গলের অনুশীলন হওয়ার কথা থাকলেও শেষ মুহূর্তে তা বাতিল হয়। গোলরক্ষকরা অনুশীলন করেন। কয়েকজন জুনিয়র ফুটবলার জিমে সময় কাটান। খালিদ জামিল জানান, ‘কাল মহামেডান ম্যাচ দেখেছি। আপাতত মোহনবাগান নয়। মহামেডান নিয়েই ভাবছি। ওদের দলে বেশ কয়েকজন ভালো ফুটবলার আছে।’ এতোদিন নিজেদের মাঠে ম্যাচ খেলেছেন ইস্টবেঙ্গল ফুটবলাররা। তাই শনিবার মহামেডান ম্যাচে নামার আগে মাঠ কিছুটা চিন্তায় রাখছে খালিদকে। এই কারণে একদিন আগে কল্যাণী যেতে চাইছেন তিনি। ‘আমরা একদিন আগেই কল্যাণী চলে যাব। কল্যাণীর মাঠের সঙ্গে ফুটবলারদের মানিয়ে নেওয়ার সময় দেওয়া উচিত।’ তবে সুহেরের চোট থাকলেও খালিদ জানিয়েছেন তার দলে কোন চোট সমস্যা নেই। মঙ্গলবার সন্ধ্যাবেলা ইস্টবেঙ্গল ফুটবলারদের মেডিক্যাল টেস্ট হয়।