নাগাড়ে বৃষ্টি,জলাধারের ছাড়া জলে
বীরভূমের নদীগুলিতে জল বাড়ছে

নিজস্ব সংবাদদাতা

Image

+

সিউড়ি, ১১ই অক্টোবর— শুধু এ রাজ্যেই নয়, পাশের ঝাড়খণ্ড রাজ্যেও নাগাড়ে বৃষ্টির কারণে বীরভূমের নদীগুলির জলস্তর উদ্বেগজনক অবস্থায় পৌঁছেছে। ম্যাসাঞ্জোর, তিলপাড়া, বৈধরা প্রভৃতি জলাধার থেকে জল ছাড়ার ফলে ময়ূরাক্ষী, অজয়, শাল, ব্রাহ্মণী প্রভৃতি নদীগুলি রীতিমতো ফুলেফেঁপে উঠেছে। প্রশাসনিক সূত্রে জানা গেছে, এইসব নদী তীরবর্তী ব্লকগুলিকে ইতিমধ্যে সতর্ক করা হয়েছে।

রবিবার অবিরাম বৃষ্টির সঙ্গে ঝোড়ো হাওয়ায় ছিঁড়ে যাওয়া বিদ্যুতের তারে স্পৃষ্ট হয়ে শাশুড়ি ও বৌমার মর্মান্তিক মৃত্যু ঘটেছে। ময়ূরেশ্বরের নিমপুরডাঙ্গা বালিঘাটি নদীর জল আচমকা বেড়ে যাওয়ায় তলিয়ে যায় আস্ত একখানা লরি। এখনও সেটি জলমগ্নই রয়েছে। গত দুদিন নাগাড়ে বৃষ্টির পর বুধবার বৃষ্টি থেমে সূর্যের দেখা মিলেছে ঠিকই। তবে জলস্তরের উদ্বেগজনক অবস্থায় নিশ্চিন্ত হতে পারছেন না কেউই। জেলা বিপর্যয় মোকাবিলা দপ্তর সূত্রে জানা গেছে, বুধবার সকাল ৮টা পর্যন্ত ম্যাসাঞ্জোর জলাধার থেকে জল ছাড়া হয় ৪৬,১১৯কিউসেক। ফলে ময়ূরাক্ষী নদীর জলস্তর অনেকটাই বেড়ে যায়। পরিস্থিতি সামাল দিতে তিলপাড়া জলাধার থেকে তড়িঘড়ি ৪১,৭০৬কিউসেক জল ছাড়ে সেচ দপ্তর। অন্যদিকে হিংলো জলাধার থেকে ৪৬৪১কিউসেক, বৈধরা থেকে ৭২৮১কিউসেক এবং ডেউচা জলাধার ২৫৪০কিউসেক জল ছাড়া হয়েছে।

ম্যাসাঞ্জোর ও তিলপাড়া জলাধার থেকে জল ছাড়ার ফলে মহম্মদবাজার, সাঁইথিয়া, লাভপুর ব্লকের বিস্তীর্ণ এলাকায় সতর্কতা জারি করা হয়েছে। জেলা বিপর্যয় মোকাবিলা দপ্তরের আধিকারিক রামাশিস প্রসাদ জানান, জেলার বিভিন্ন জলাধার থেকে জল ছাড়া হয়েছে। তবে আশার কথা বৃষ্টি থেমেছে। আমরা সতর্ক রয়েছি।

Featured Posts

Advertisement