আরুষি খুনে বেকসুর
খালাস তলোয়ার দম্পতি

সংবাদসংস্থা

এলাহাবাদ, ১২ই অক্টোবর— গাজিয়াবাদ সি বি আই আদালত তাদের যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের নির্দেশ দিয়েছিল। চার বছর ধরে গাজিয়াবাদের দসনা জেলই ছিল রাজেশ তলোয়ার এবং নূপুর তলোয়ারের ঠিকানা। মেয়ের মৃত্যুতে এবার বেকসুর খালাস হয়ে গেলেন এই চিকিৎসক দম্পতি। সম্ভবত শুক্রবারই জেল থেকে মুক্তি পাবেন তাঁরা। এলাহাবাদ হাইকোর্ট বৃহস্পতিবার তাঁদের বিরুদ্ধে ওঠা সমস্ত অভিযোগ খণ্ডন করে দিয়েছে। রাজেশ-নূপুর কন্যা আরুষি এবং তাঁদের বাড়ির পরিচারক হেমরাজ খুনে অভিযোগের আঙুল ওঠে স্বামী-স্ত্রীর বিরুদ্ধেই। ‘প্রমাণ বা পরিস্থিতি কোনওটাই যথেষ্ট নয় এই দুজনকে দোষী সাব্যস্ত করে রাখার ক্ষেত্রে’, জানিয়েছে এলাহাবাদ হাইকোর্ট। অনুমানের ভিত্তিতে কাউকে দোষী সাব্যস্ত করে আটকে রাখা ঠিক নয়, মত আদালতের। বিচারপতি বি কে নারায়ণ এবং এ কে মিশ্রর বেঞ্চ বৃহস্পতিবার রায় ঘোষণা করে জানিয়েছে, এদের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হচ্ছে সন্দেহের অবকাশের তত্ত্ব। কারণ, এমন কোনও স্পষ্ট তথ্যপ্রমাণ পাওয়া যায়নি, যে তারাই আরুষিকে খুনের ঘটনায় দায়ী।

২০০৮ সালের মে মাসের ১৫ এবং ১৬ তারিখের মাঝের রাতে খুন হয় বছর ১৪’র আরুষি তলোয়ার। সেইসময় নিখোঁজ ছিল হেমরাজ। প্রাথমিকভাবে হেমরাজের উপরই আরুষি খুনের অভিযোগ চাপে। কিন্তু পরের দিনই নয়ডায় তলোয়ার দম্পতির বাড়ির ছাদের জলের ট্যাঙ্ক থেকে উদ্ধার হয়েছিল হেমরাজের পচাগলা দেহ। তারপর সন্দেহ দানা বাঁধে রাজেশ আর নূপুরকে ঘিরে। অভিযোগ ওঠে, নিজের মেয়েকে খুন করেছেন বাবা-মা দুজনে মিলে। পরে মামলাটি সি বি আই-কে হস্তান্তর করা হলে ২০১৩ সালে তলোয়ার দম্পতিকে দোষী সাব্যস্ত করে সি বি আই আদালত। সেই রায়কে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে এলাহাবাদ হাইকোর্টে মামলা করেছিলেন রাজেশ ও নূপুর।

Featured Posts

Advertisement