তথ্য জানার অধিকার আইনে
জবাব দিতে দীর্ঘসূত্রিতা
করছে প্রধানমন্ত্রীর দপ্তর

নিজস্ব প্রতিনিধি   ১৩ই জানুয়ারি , ২০১৮

নয়াদিল্লি, ১২ই জানুয়ারি- তথ্য জানার অধিকার আইনে যে প্রশ্ন প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরে আসে তার তথ্য জানানোর ক্ষেত্রে কেন দীর্ঘসূত্রতা তা জানতে চাইলেন মুখ্য তথ্য কমিশনার আর কে মাথুর। এই নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরকে কড়া চিঠি দিয়েছেন মাথুর। চিঠিতে বলা হয়েছে, প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরের বিভিন্ন বিষয়ে তথ্য জানতে চেয়ে যে চিঠি কমিশনে আসে, তা সরাসরি প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরে পাঠিয়ে দেওয়া হয়। প্রধানমন্ত্রী দপ্তরের এরপর চিঠিগুলি সংশ্লিষ্ট দপ্তরে পাঠিয়ে দেওয়ার কথা, যাতে তারা জবাব প্রস্তুত করে তথ্য কমিশনে দেয়। কমিশন দ্রুততার সঙ্গে এই জবাব প্রশ্নকারীকে পাঠিয়ে দেয়। এদিকে সমস্যা দেখা দিয়েছে প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরে পাঠানো প্রশ্ন সংশ্লিষ্ট দপ্তরে পাঠাতে চলে চরম ঢিলেমি। ফলে তার জবাব আইন অনুযায়ী যে সময়ের মধ্যে পাওয়ার কথা তা তারা পান না। এই ঢিলেমি কেন সেটাই প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরের কাছে জানতে চেয়েছেন তথ্য কমিশনার।

এদিকে তথ্য কমিশনার মাথুরের প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরের ঢিলেমির কৈফিয়ৎ তলবের সূত্রপাত প্রশ্নকারী অবসরপ্রাপ্ত কর্মী লোকেশ বাত্রার এক চিঠিকে কেন্দ্র করে। তিনি কমিশনে প্রধানমন্ত্রীর বিদেশ সফরের যাতায়াতের খরচ কত তা জানতে চেয়ে চিঠি দেন। তাঁর আরও প্রশ্ন ছিল, ২০১৭ সালের তথ্য কমিশনার নিয়োগের ফাইল সংক্রান্ত বিষয়ে। তথ্য জানার অধিকার আইন অনুসারে এই তথ্য যে দপ্তরের দেওয়ার কথা তার কাছে তা পাঠিয়ে দেবে প্রধানমন্ত্রীর দপ্তর। তবে তা দেরি করা চলবে না। আইন অনুসারে খুব বেশি হলে চিঠি পাওয়ার পাঁচ দিনের মধ্যে তা সংশ্লিষ্ট দপ্তরে পাঠাতেই হবে। বাত্রা ঢিলেমির অভিযোগ নিয়ে কমিশনের শুনানিতে বলেন, তথ্য কমিশন ও প্রধানমন্ত্রী দপ্তরের জবাব দেওয়ায় ঢিলেমি করা একটা রুটিন বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। শুনানিতে প্রধানমন্ত্রীর দপ্তর থেকে ভারপ্রাপ্ত অফিসার জানিয়েছেন, যা ঢিলে হয়েছে তা অনিচ্ছাকৃত। এতে কোনও খারাপ উদ্দেশ্য নেই। এই নিয়ে প্রধানমন্ত্রী দপ্তরের অফিসারকে ঢিলেমির দায়িত্ব কার তা লিখিতভাবে জানানোর নির্দেশ দেন তথ্য কমিশনার মাথুর।

Current Affairs

Featured Posts

Advertisement