পিছনের দিকে বাংলা

চন্দন দাস   ১৪ই জানুয়ারি , ২০১৮

ইমাম মুয়াজ্জিনদের সংগঠন সভা করবে ধর্মতলায়। আগামী ১৬ই জানুয়ারি। তাঁদের দাবি — ভাতা বাড়াতে হবে। সরকারি ভরতুকিতে ইমাম, মুয়াজ্জিনদের ঘর চাই। এবং তালাক আইনের নামে শরিয়তের উপর হস্তক্ষেপ চলবে না।

পুরোহিত এবং ব্রাহ্মণরাও সংগঠন গড়েছেন। তৃণমূল কংগ্রেসের পৃষ্টপোষকতায় তাঁদের সভা হয়েছে বোলপুরে। তাছাড়া তাঁরা নিজেরাই সভা করেছেন গত ১০ই জানুয়ারি দক্ষিণেশ্বরে। তাঁদের সংগঠনের নাম পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য সনাতন ব্রাহ্মণ ট্রাস্ট। তাঁদের দাবি? ‘পূজক ব্রাহ্মণদের ভাতা চাই’, ‘ব্রাহ্মণ সন্তান এবং সন্ততিদের ক্ষেত্রে বিশেষভাবে কর্মসংস্থানের সুযোগ দিতে হবে’, ‘গৃহহীন পুরোহিত ব্রাহ্মণদের বাসগৃহের ব্যবস্থা করতে হবে’ ইত্যাদি। আপাতত ৯টি দাবি তাঁদের। সবই ‘ব্রাহ্মণ’-কেন্দ্রিক।

‘সনাতন ব্রাহ্মণ ট্রাস্ট’-র সভায় মমতা ব্যানার্জি রাজ্যের সেচমন্ত্রী রাজীব ব্যানার্জিকে পাঠিয়েছিলেন। ইমাম, মুয়াজ্জিনদের সভায় তৃণমূল কংগ্রেসের কোন নেতা, মন্ত্রীকে দেখা যাবে, তা সময় বলবে। গত কয়েক বছরে এমন সভায় তৃণমূল কংগ্রেসের মন্ত্রীদের বক্তৃতা করতে দেখা গেছে।

দশ বছর পিছনে যদি তাকাই পশ্চিমবঙ্গে ‘সনাতন ব্রাহ্মণদের’ সংগঠন দেখতে পাব না। ইমাম, মুয়াজ্জিনদের সংগঠনের এত মাতামাতি দেখতে পাব না। বিভিন্ন সংগঠনের মঞ্চে ভাতার টাকা বাড়ানোর দাবি কিছু ছিল। কিন্তু তা ছাপিয়ে ছিল — শিল্পের দাবি, জমির যথাযথ ক্ষতিপূরণের দাবি, কাজের দাবি।

তখন বিতর্কের বিষয় ছিল শিল্প এবং কৃষির বিকাশ। তার আগে কৃষিতে ব্যাপক অগ্রগতি ঘটেছিল। কিন্তু কৃষি আর প্রয়োজন অনুসারে কাজের সুযোগ তৈরি করতে পারছিল না। অথচ লক্ষ লক্ষ যুবক-যুবতী উঠে দাঁড়াচ্ছিলেন গ্রামে এবং শহরে। কাজ চাই — সময়ের দাবি হয়ে উঠেছিল। তাই শিল্প চাই হয়ে উঠেছিল অনিবার্য আকাঙ্ক্ষা। দশ বছর পার হয়েছে। বামফ্রন্ট সরকারে নেই। এখন, সরকারি সব হোর্ডিংয়ে আজকের মুখ্যমন্ত্রী, মমতা ব্যানার্জির নানা ধরনের হাসিমুখের প্রদর্শনী। আর এখন, আমার জন্মভূমিতে বিতর্কের বিষয় দাঁড়িয়েছে হিন্দু আর মুসলমান। ব্রাহ্মণ আর অব্রাহ্মণ। ইমাম আর পুরোহিত।

প্রত্যাশারও পরিবর্তন ঘটছে। পশ্চিমবঙ্গে কাজ পাওয়া যেতে পারে — তাই সিঙ্গুর, রাজারহাট, সল্টলেক, রঘুনাথপুর, শালবনী ঘিরে গভীর আশা সঞ্চারিত হয়েছিল। এখন? মুখ্যমন্ত্রী আহ্বান জানালেন, ‘বাইরে কাজ করতে হবে না, ফিরে আসুন। সরকার ৫০হাজার করে টাকা দেবে।’ তবু ফিরছেন না ভিন রাজ্যের বাসিন্দা বাংলার শ্রমিকরা।

আনন্দবাজার দেখা যাক। ১৪ই ডিসেম্বর, ২০১৭-র আনন্দবাজারে প্রকাশিত খবরের শিরোনাম —‘ঘরে ফিরবো কেন, প্রশ্ন শ্রমিকদের’। সংবাদদাতা জানাচ্ছেন — ‘‘গত বছর ‘নোটবন্দি’র পরই কাজের জায়গা ছেড়ে বাড়ি ফিরে আসেন ভিন রাজ্যে বাস করা কয়েক হাজার সোনার কারিগর। তাঁদের কেউ আজ চপ-মুড়ির দোকান দিয়েছেন, কেউ গিয়েছেন মাছের ব্যবসায়, কেউ বা চাষের কাজে মাঠে নেমেছেন। সে সময়ে রাজ্যসরকার ‘সমর্থন প্রকল্প’-এর ঘোষণা করেছিল। তবে বছর ঘুরতে চললেও প্রকল্প থেকে এখনও এক টাকাও পাননি দাসপুরের কোনও যুবক। সরকারি সাহায্যের আশা অবশ্য এখন কার্যত ছেড়েই দিয়েছেন তাঁরা। পাঁচ-ছমাস আগে থেকেই পুরানো পেশায় ফিরতে শুরু করেছিলেন স্বর্ণশিল্পীরা। মোটামুটি ২০ শতাংশ শ্রমিক বাদ দিলে বাদবাকি প্রায় সবাই ফিরেও গিয়েছেন। চাঁইপাটের বাসিন্দা দেবেন্দ্র পাঁজার কথায়, “আমরা ফিরে এসেছি। তবে বিকল্প কাজ পাইনি এখনও। সমর্থনের টাকাও আসেনি। ফের যদি কিছু লোক ফিরে আসে, তাঁদেরও তো অবস্থা একই হবে!”

পশ্চিমবঙ্গে কাজের সুযোগ পাওয়া যাবে না। ‘ভাতা’-ই এখানে সরকারের থেকে সর্বোচ্চ প্রাপ্তি। তাও মেলে না। এই বাস্তবতায় বাংলার যুবসমাজ নিজেদের গড়েপিটে নিচ্ছে। প্রবণতা স্পষ্ট দেখিয়ে দিচ্ছে — পশ্চিমবঙ্গ পিছন দিকে নড়ছে।

হতাশার পথ ধরে বিভাজনে :

এই হতাশা সাম্প্রদায়িকতার অনুকূল। সুদূর কেরালার পালাক্কাডে গত ডিসেম্বরে ইন্ডিয়ান মুসলিম লিগের বৈঠক হয়েছে। সেখানে পশ্চিমবঙ্গের পঞ্চায়েত নির্বাচন ছিল আলোচ্য বিষয়। অন্তত ৫০০টি আসনে লড়বে শরিয়তি আইন প্রতিষ্ঠার দাবিদাররা। অন্যদিকে গত মার্চে তামিলনাডুর কোয়েম্বাটোরে আর এস এস-ও বাংলাকে বিকাশের পক্ষে অনুকূল মনে করে গ্রহণ করেছে নজিরবিহীন ‘বাংলা প্রস্তাব।’ এমন সময়ে সেই তিনি, মমতা ব্যানার্জি নতুন প্রতীকে উপস্থিত হতে চলেছেন — ‘আসল হিন্দুত্বের’ প্রতীক।

তৃণমূল কংগ্রেস না রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সঙ্ঘ(আর এস এস) — কে বড় হিন্দুত্ববাদী, তা নিয়ে প্রায় সাড়ে নকোটি মানুষের কোনও আগ্রহ থাকার কথা নয়। সম্প্রতি মমতা ব্যানার্জি বোলপুরে সভা করেছেন। সেখানে এই লড়াই থেকে তিনি সি পি আই(এম)-কে ‘ডিসকোয়ালিফাই’ করে দিয়েছেন। তিনি বলেছেন,‘‘সি পি এম তো ধর্মই মানে না। ওরা নাস্তিক।’’ তাঁর শংসাপত্র আমরা গ্রহণ করলাম। আমরা ধন্য। ভারতের স্বাধীনতা সংগ্রামের আপসহীন যোদ্ধা ভগৎ সিংয়ের পাশাপাশি আমাদের দাঁড় করিয়ে দিয়েছেন মমতা ব্যানার্জি, অবশ্যই না জেনে বুঝে। তবু গর্বটুকু আমাদের থাক।

আপাতত নাস্তিকতা, হিন্দুত্ব এবং ধর্মনিরপেক্ষতা নিয়ে আলোচনা তোলা থাক। আমরা ফিরে দেখি এবং সামনে তাকাই। হতাশার জন্মসূত্র খুঁজে দেখি।

নন্দীগ্রামের জনসভায়, ২০০৮-এ মমতা ব্যানার্জি বলেছিলেন,‘‘ভাতের কারখানা ধ্বংস করে মোটর গাড়ির কারখানা/সে হবে না, সে হবে না।’’ অর্থাৎ শিল্প বনাম কৃষি — এই ছিল তাঁর মনোভাব। সি পি আই(এম) তখনই বলেছিল, শিল্প বনাম কৃষি নয় — কৃষির অগ্রগতির পরিপ্রেক্ষিতে শিল্পের বিকাশ। সভ্যতার নিয়ম। অনেকেই বুঝতে চাননি। বামফ্রন্ট নাকি জমি কেড়ে নিচ্ছে, বেশি করে নিচ্ছে মুসলমানদের জমি — এই ছিল প্রচার। সি পি আই(এম)-র চোখে কৃষক মানে একটি সমাজ। তার মধ্যে ধনী আছেন আবার গরিব আছেন। ‘মুসলমান কৃষক’, ‘হিন্দু কৃষক’ — এই শব্দ প্রথম উচ্চারিত হতে দেখা যায় সেই নৈরাজ্যের কালে, দশ বছর আগে। এবং সেই মমতা ব্যানার্জির অনুগত মহল থেকে। সেই শুরু।

সিঙ্গুরে নব্বই ভাগ তৈরি হওয়া কারখানা ধ্বংস হলো। সেই জমিতে সরষের বীজ ছড়িয়ে মমতা ব্যানার্জি ঘোষণা করলেন জমি ফিরিয়ে দিয়েছেন। এখন, চাষই নেই সেই জমিতে। হিন্দু-মুসলমান নির্বিশেষে কৃষক বি ডি ও অফিসে ছুটছেন — জমি চাষযোগ্য করে দিতে হবে। কিন্তু এখন কে কার কথা শোনে? সেই সিঙ্গুর থেকেই গ্রামবাসীদের নতুন ভাগ ঘোষিত হয়েছিল — ‘ইচ্ছুক’ আর ‘অনিচ্ছুক’। শুধু সিঙ্গুরে তা সীমাবদ্ধ থাকেনি। নন্দীগ্রাম, কাটোয়াসহ রাজ্যের অনেক জায়গায় তা ছড়িয়ে দেওয়া হয়েছিল। নন্দীগ্রামে ভূমি উচ্ছেদ প্রতিরোধ কমিটিতে জামাত, বি জে পি একজোট। নতুন পতাকা — কালো রঙের। এখন? কালোপতাকা গুটিয়ে গেছে। নন্দীগ্রামে বজরঙ দলের মিছিল, সভা চলছে। তৃণমূল কংগ্রেসের একাংশ বজরঙ দলের সভার পক্ষে। আর একদল বজরঙ দলের উপর মারমুখী। অর্থাৎ — এখন নতুন ভাগ। কে কত বড় হিন্দু, কার হিন্দুত্বের পাশে কতজন — তা প্রমাণের কুরুক্ষেত্র হয়ে উঠেছে আমার বাংলা।

জনজীবনে তীব্র হতাশা ফ্যাসিবাদের পথ প্রস্তুত করে। ভারতের শাসকরা বরাবর পশ্চিমবঙ্গে বামপন্থীদের এই শক্তিশালী ঘাঁটিটিকে দুর্বল করার চেষ্টা চালিয়েছে। মমতা ব্যানার্জি সেই কাজে রাজমিস্ত্রির কাজ করেছেন। তিনি বামফ্রন্ট সরকারের যাবতীয় অগ্রগতির কর্মসূচিকে নষ্ট করার চেষ্টা করেছেন। সমাজে হতাশা বেড়েছে। সঙ্গে সঙ্গে তিনি অজস্র প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। যা রাজ্যের মানুষের মধ্যে হঠাৎ দারুণ এক ‘পরিবর্তন’-র সওয়ারি হওয়ার আকাঙ্ক্ষার সৃষ্টি করেছিল। গ্রামের বেকার-আধা বেকারসহ এক কোটি মানুষের চাকরির ঘোষণা করেছিলেন তিনি। শিল্পে সবুজ বিপ্লবের প্রতিশ্রুতি ছিল। এমপ্লয়মেন্ট ব্যাঙ্ক গড়ে কাজের বন্দোবস্তের প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন। তিনি সংখ্যালঘুসহ পিছিয়ে থাকা মানুষের চাকরিতে বাড়তি সুযোগের ঘোষণা করেছিলেন। ফসলের ন্যায্য মূল্য, ফড়েদের দৌরাত্ম্য বন্ধ, কৃষক বাজার খুলে ফসলের নিয়মিত, যথাযথ বিপণনের ব্যবস্থা করবেন বলে ঘোষণা করেছিলেন।

কিচ্ছু হয়নি। তিনি কোনও প্রতিশ্রুতি রাখেননি। রাখতে পারার জন্য তিনি এইসব প্রতিশ্রুতি দেনওনি।

উলটে তাঁর সময়কালে দেদার জমি লুট হয়েছে। পঞ্চায়েত, পৌরসভার মতো নির্বাচিত সংস্থা বিরোধী দলের প্রতিনিধিদের লোভ দেখিয়ে, ভয় পাইয়ে, মেরে, খুন করে দখল করেছে তৃণমূল কংগ্রেস। কলেজ ইউনিয়নও দখল করার চেষ্টা হয়েছে। তারপর বন্ধ করার চেষ্টা হচ্ছে। মমতা ব্যানার্জি গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা তছনছ করে দিয়েছেন। পঞ্চায়েত, পৌরসভা হয়ে উঠেছে শাসক দলের দেদার কামাইয়ের জায়গা। পরীক্ষায় টোকাটুকি ফিরে এসেছে। পরীক্ষায় পাশ করেও চাকরি পাওয়ার জন্য শাসকদলের নেতাদের ঘুষ দেওয়া এক রীতিতে পরিণত হয়েছে। তথাকথিত ‘পরিবর্তন’ এক দুঃস্বপ্নের রাজত্ব হয়ে উঠেছে।

‘হিন্দুত্বের’ অর্থনীতি — মমতা-মোদী এপিঠ ও পিঠ :

যে কোনও ধরনের সাম্প্রদায়িকতাকে চ্যালেঞ্জ করতে হলে তার অর্থনীতির বিরোধী, প্রতিবাদী হতে হবে। বিকল্প উপস্থিত করতে হবে। ভারতে হিন্দুত্বসহ যে কোনও সাম্প্রদায়িকতার যারা কারবারি, তারা মূলত উদার অর্থনীতির সমর্থক। অর্থাৎ ঢালাও বেসরকারিকরণ, বহুজাতিকদের হাতে যথেচ্ছ দেশের সম্পদ তুলে দেওয়ার পক্ষে তারা। ১৯৪৯-র ২রা সেপ্টেম্বর টাইমস অব ইন্ডিয়ায় লেখা হচ্ছে,‘‘সঙ্ঘ নেতারা শিল্প জাতীয়করণের বিরোধিতা করছেন। জমিদারি প্রথা বিলোপের জন্য চাপ সৃষ্টি করারও বিরোধিতা করছেন তাঁরা।’’ জনসঙ্ঘ প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পর প্রথম বড় মাপের আন্দোলন কী? গ্রামে কৃষি সমবায় গড়ে তোলার জন্য নেহরু সরকারের নীতির বিরোধিতা করা। সেই আন্দোলন যে কোনও মাত্রার, রকমের ভূমিসংস্কারের বিরোধী ছিল। বিহারে উচ্চবর্ণের ভূস্বামীদের সশস্ত্র বাহিনী রণবীর সেনার সঙ্গে ঘনিষ্ট যোগাযোগ ছিল সঙ্ঘ, বি জে পি-র। ১৯৯৮-এ বাজপেয়ী সরকার ক্ষমতায় আসার কয়েকদিনের মধ্যেই ৩৪০টি পণ্যকে নিয়ন্ত্রণহীন আমদানির তালিকায় পাঠিয়ে দেন।

সেদিনও, ওই ১৯৯৮-এ মমতা ব্যানার্জি চুপ করেছিলেন। আজও মোদী সরকার যখন একক ব্র্যান্ডের খুচরো ব্যবসায়, বিমান, নির্মাণসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে ঢালাও বিদেশি লগ্নির দরজা খুলে দিলেন, তখন মমতা ব্যানার্জি চুপ। তৃণমূল কংগ্রেসের অর্থনীতি আর সঙ্ঘ, বি জে পি-র অর্থনীতির কোনও তফাৎ নেই। নিজের শাসনে তিনি সরকারি সংস্থাগুলিকে গুটিয়ে দিচ্ছেন। যদিও ২০১১-তে, দলের ইশ্‌তেহারের ২৪-২৫ পাতায় মমতা ব্যানার্জি লিখেছিলেন,‘‘কিন্তু সর্বাগ্রে চেষ্টা হবে সম্ভাব্য বন্ধ ও রুগ্‌ণ কারখানাকে বাঁচিয়ে তোলা।...আগের কারখানার পুনরুজ্জীবন, নয়তো নতুন কারখানা করার উদ্যোগ নিতে হবে। অর্থাৎ,‘শিল্পের জমিতে শিল্প’ — এই নীতিতে কাজ হবে।’’

কিন্তু গত ফেব্রুয়ারিতে সেই মমতা ব্যানার্জিই রাজ্যের ৯০টি রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থার মধ্যে ৪৬টি গুটিয়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। গত পাঁচ বছরে রাজ্য সরকারের কোনও ক্ষেত্রেই নতুন স্থায়ী নিয়োগ হয়নি। রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থাগুলিরও শূন্যপদ পূরণ হয়নি। ওই ৯০টি সংস্থায় শূন্যপদ ছিল প্রায় ৫০ হাজার। অর্থাৎ ৪৬টি সংস্থা গুটিয়ে দেওয়ার মাধ্যমে ওই সংস্থাগুলির শূন্যপদগুলিরও অবলুপ্তি ঘটালেন মমতা ব্যানার্জি।

তাহলে? অর্থনীতিতে মোদীর পথই মমতার পথ। অর্থাৎ ‘হিন্দুত্বের অর্থনীতিই’ তাঁর অর্থনীতি।

Current Affairs

Featured Posts

Advertisement