জুভেন্টাসের বিরুদ্ধে আক্রমণই
অস্ত্র টটেনহ্যামের আজ
নামছে ম্যান সিটিও

সংবাদসংস্থা

তুরিন, ১২ই ফেব্রুয়ারি — রোনাল্ডো ও নেইমারের দ্বৈরথই আপাতত মূখ্য আকর্ষণ। খাতায় কলমে চ্যাম্পিয়ন্স লিগ প্রিকোয়ার্টার ফাইনালের রোমহর্ষক ম্যাচ। কিন্তু সবার অলক্ষ্যেই হাতছানি দিচ্ছে আরও একটি ম্যাচ। জুভেন্টাস ও টটেনহ্যাম হটস্পার।

একদিকে জোরাল আক্রমণ তো অন্যদিকে জমাট রক্ষণ। ইংলিশ প্রিমিয়র লিগের চতুর্থ স্থানে রয়েছে মৌরিসিও পোচেটিনোর দল। শেষ তিন ম্যাচে ম্যাঞ্চেস্টার ইউনাইটেড, লিভারপুল ও আর্সেনালের থেকে সাত পয়েন্ট জিতেছে। জানিয়ে দিয়েছেন, জুভেন্টাসের বিরুদ্ধে আক্রমণাত্মক আচরণে কোনোরকম লাগাম পড়াবেন না পোচেটিনো। ই পি এল জয়ের থেকে এখনও বহু দূরে। শীর্ষে থাকা ম্যান সিটির থেকে কুড়ি পয়েন্টে পিছিয়ে। তাও চ্যাম্পিয়ন হওয়ার স্বপ্ন দেখছেন। বিশেষ করে শেষ তিন ম্যাচে তিন বড় দলের বিরুদ্ধে দাপট দেখানোর পর। তুলনামূলক কঠিন গ্রুপে রিয়াল মাদ্রিদ, বরুসিয়া ডর্টমুন্ড ও আপোয়েলের বিরুদ্ধে খেলেছে টটেনহ্যাম। ডর্টমুন্ডের বিরুদ্ধে ৩৫ শতাংশ বল দখল রেখে জয় এবং সান্তিয়াগো বার্নাব্যুতে রিয়ালের সঙ্গে ১-১ গোলে ড্র টটেনহ্যামকে জুভেন্টাসের বিরুদ্ধে আগ্রাসী ফুটবল খেলার সাহস জুগিয়েছে।

ওল্ড লেডি অব তুরিনের বিরুদ্ধে কাজ যদিও ততটা সহজ নয়। তুরিনে নিজেদের ঘরের মাঠে খেলবে জুভেন্টাস বা বায়ানকোনেরি। তিন বছরে দুবার ফাইনালে পৌঁছেছে জুভেন্টাস। চলতি মরশুমের শুরুটা নড়বড়ে হলেও, টানা সপ্তমবার লিগ জয়ের সামনে দাঁড়িয়ে। টানা এগারো ম্যাচ অপরাজিত। এমনকি শেষ ষোলো ম্যাচে মাত্র একটি গোল হজম করেছে। অভিজ্ঞ ডিফেন্ডারদের পেরিয়ে হ্যারি কেন, বা হিউঙ মিন সঙদের গোল করা খুব সহজ নয়। উলটো দিকে গঞ্জালো হিগুইন, পাউলো দিবালা বা মারিও মানজুকিচের মতো ফুটবলার রয়েছে। তাই দুদলের লড়াই রোমাঞ্চকর হবেই। টটেনহ্যাম কোচ পোচেটিনো বলেছেন, ‘আর্সেনাল বা ম্যান ইউ-কে হারানো মানে ইউরোপের যেকোনও বড় দলকে হারানো সম্ভব। অবশ্যই জুভেন্টাস বড় দল। ইউরোপের অন্যতম সেরা। অবশ্যই ওদের দলে অনেক অভিজ্ঞ ফুটবলার আছে। যারা চ্যাম্পিয়ন্স লিগের মত বড় প্রতিযোগিতায় কিভাবে খেলতে হয় জানে। কারণ শেষ তিনবারের মধ্যে দুবারই ফাইনালে পৌঁছেছে ওরা।’

আবার অন্য ম্যাচে এফ সি বাসেলের বিরুদ্ধে খেলবে ম্যাঞ্চেস্টার সিটি। প্রিমিয়র লিগ জয়ের দাবিদার পেপ গুয়ার্দিওলার দল লেস্টার সিটিকে হারিয়ে প্রি –কোয়ার্টার ফাইনালে খেলতে নামবে। সুইস দল আপাতত ঘরোয়া লিগে দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে। মোট ২৯বার দুদল মুখোমুখি হলেও, বাসেল ঘরের মাঠে ম্যান সিটির বিরুদ্ধে ছয়টি ম্যাচ জিতেছে ২টি ড্র এবং পাঁচটি ম্যাচে হেরেছে। সেই আত্মবিশ্বাস নিয়েই এগতে চাইছে বাসেল। ডি ব্রুন, আগুয়েরো, সানেদের বিরুদ্ধে হালে পানি পাওয়া বেশ কঠিন।

Featured Posts

Advertisement