গণবিধ্বংসী অস্ত্ররোধ
আইন প্রয়োগ বুদ্ধগয়ার
সন্ত্রাসবাদী আক্রমণে

সংবাদসংস্থা

নয়াদিল্লি, ১৩ই ফেব্রুয়ারি — সন্ত্রাসবাদী হামলায় প্রথমবার গণবিধ্বংসী অস্ত্ররোধ আইন প্রয়োগ করতে চলেছে জাতীয় তদন্ত সংস্থা (এন আই এ)। বুদ্ধগয়ায় সন্ত্রাসবাদী হামলার ঘটনায় ওই আইন প্রয়োগের ফলে নয়া মাত্রা পেতে চলেছে।

গত ১৯শে জানুয়ারি সন্ত্রাসবাদী আক্রমণের ঘটনা ঘটে বুদ্ধগয়ায়। ৩রা ফেব্রুয়ারি কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের নির্দেশে ওই হামলার তদন্তের ভার বিহার পুলিশের থেকে নেয় এন আই এ। বস্তুত, ওই হামলার পর ঘটনাস্থল থেকে কিছু বিস্ফোরক উদ্ধারের পর প্রাথমিক সন্দেহের ভিত্তিতে গণবিধ্বংসী অস্ত্ররোধ আইনের কিছু ধারা প্রয়োগ করেছে তদন্ত সংস্থা। তবে ওই বিস্ফোরক বা বিস্ফোরণের যেসব বস্তু উদ্ধার হয়েছে তার প্রকৃত স্বত্বা জানা যাবে ফরেন্সিক পরীক্ষার তথ্য হাতে আসার পরেই। তবে তদন্ত সংস্থা সূত্রে দাবি করা হয়েছে, ‘বহু মানুষকে হত্যার জন্য ওইসব বিস্ফোরকে রাসায়নিক টক্সিন ব্যবহার করা হয়েছিল বলে মনে করা হচ্ছে।’

এই আইন প্রয়োগ করা হয় সেই ব্যক্তির বিরুদ্ধে যে কীনা গণবিধ্বংসী অস্ত্র ব্যবহারের মতো বেআইনি কার্যকলাপে যুক্ত থাকে। গণবিধ্বংসী অস্ত্রের অর্থ হলে পারমাণবিক, রাসায়নিক টক্সিন অথবা ব্যাকট্রোলজিক্যাল বস্তু থাকা। ওই আইনে ন্যূনতম শাস্তি হলো জরিমানাসহ পাঁচ বছরের কারাদণ্ড।

Featured Posts

Advertisement