কাজের স্বার্থে রেল রোকো

জামির মোল্লা   ১৪ই ফেব্রুয়ারি , ২০১৮

বেকার যুবকদের চাকরির প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। চাকরি দেওয়ার বদলে সরকারি দপ্তরে শূন্যপদের অবলুপ্তি ঘটানো হয়েছে। দেশের বৃহত্তম কর্মক্ষেত্র রেলেও ঘটানো হয়েছে শূন্যপদের অবলুপ্তি। ফলে চাকরির সুযোগ ক্রমশ সংকুচিত হয়ে আসছে। আগামী ১৬ই ফেব্রুয়ারি পশ্চিমবঙ্গে রেল রোকো করে বেকার যুবকদের চাকরির দাবি জানাবেন ভারতের গণতান্ত্রিক যুব ফেডারেশনের কর্মীরা।

ভারতীয় রেল আজ পৃথিবীর চতুর্থ বৃহত্তম রেলওয়ে। সারা ভারতে ছড়িয়ে আছে এই রেলপথ। উত্তরে জম্মু ও কাশ্মীরের বারামুল্লা থেকে দক্ষিণে কন্যাকুমারী অন্যদিকে পূর্বে আগরতলা থেকে পশ্চিমে গুজরাটের লালিয়া।

পৃথিবীর বৃহত্তম কর্মসংস্থানের ক্ষেত্র হলো ভারতীয় রেল। প্রতি বছর প্রায় ১০ হাজার নিয়োগ হতো। সেই রেলে বর্তমানে নিয়োগ হচ্ছে না। কর্মী সংকোচনের ফলে ভারতীয় রেলে সাড়ে ১৬ লক্ষ থেকে বর্তমানে ১২ লাখে নেমে এসেছে। আগামী দিনে এটাকে ৬-৭ লাখে নামিয়ে আনা হবে, তার প্রক্রিয়া চলছে। ১৯৯১ সালে নয়া উদার অর্থনৈতিক নীতি দেশে চালু হওয়ার সাথে সাথে কর্পোরেট পুঁজির চোখ পড়ে ভারতীয় রেলে। ভারতীয় রেলকে বেসরকারিকরণের লক্ষ্যে বিভিন্ন কমিটি গঠন করা হয় যেমন—প্রকাশ ট্যান্ডন কমিটি (১৯৯৪), রাকেশ মোহন কমিটি (১৯৯৮), অমিত মিত্র কমিটি (২০০৯), শ্রীমতী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় রেলমন্ত্রী থাকাকালীন, শ্যাম পিত্রোদা কমিটি, অনিল কাকোদর কমিটি (২০১২), বিবেক দেবরায় কমিটি (২০১৪)। এরমধ্যে অনিল কা‍‌কোদর কমিটি রেলের নিরাপত্তা নিয়ে বেশকিছু সুপারিশ করেছিল কিন্তু সরকার তা কার্যকর করেনি।

কর্মসংস্থানের ক্ষেত্রে সবচাইতে ক্ষতিকারক সুপারিশ ছিল রাকেশ মোহন, অমিত মিত্র ও বিবেক দেবরায় কমিটির। রাকেশ মোহন কমিটির সুপারিশ ছিল—২০ শতাংশ কর্মী হ্রাস করতে হবে। রেলে প্রতি বছর ৩ শতাংশ কর্মী অবসর নেয়। ১ শতাংশ কর্মী নিয়োগ করে। প্রতি বছর ২ শতাংশ কর্মী হ্রাস করে ১০ বছরের মধ্যে ২০ শতাংশ কর্মী সংকোচন করা হবে। এই কমিটির সুপারিশ কার্যকর করার মধ্যে দিয়ে বর্তমানে রেলে ৩ লক্ষের অধিক শূন্যপদ। পরপর ৩ বছর নিয়োগ না হলে পদ অবলুপ্ত হবে। রাকেশ মোহন কমিটির সুপারিশ মোতাবেক কর্মীসংকোচনের কথা উল্লেখ করা হয়। রেল পুলিশ (আর পি এফ)-এর প্রয়োজন নেই। ফলে যাত্রী নিরাপত্তা থাকবে না। ট্রেনে চুরি, ডাকাতি নিত্যনৈমিত্তিক ঘটনা হয়ে দাঁড়িয়েছে।

২০০৯ সালে মমতা ব্যানার্জি রেলমন্ত্রী হওয়ার পর বর্তমান পশ্চিমবঙ্গের অর্থমন্ত্রী অমিত মিত্রকে চেয়ারম্যান করে ‘অমিত মিত্র কমিটি’ তৈরি করা হয়। সেই কমিটি কর্মসংস্থান, পরিষেবা ও নিরাপত্তার ক্ষেত্রে ভয়ংকর সুপারিশ করেছিল। এই কমিটির সুপারিশে ব্যাপকভাবে আউটসোর্স চালু হয় আই আর সি টি সি (ইন্ডিয়ান রেলওয়ে ক্যাটারিং অ্যান্ড ট্রাভেলিং কর্পোরেশন)-এর মাধ্যমে রেল পরিষেবা, প্যান্রিন কার, রেলের খাবার, সাফাইকাজ, টিকিট বিক্রি এইসব‍‌ ক্ষেত্রে কর্মী নিয়োগ না করে আউটসোর্সিং-এর মাধ্যমে স্থায়ী পদে লোক নিয়োগ না করে চুক্তিভিত্তিক অস্থায়ী নিয়োগ শুরু হয়।

আই আর সি ও এন (ইন্ডিয়ান রেলওয়ে কনস্ট্রাকশন কোম্পানি লিমিটেড)-এর মাধ্যমে নতুন নির্মাণ, রেলপথ, ব্রিজ ইত্যাদি ‍‌তৈরি হতে শুরু হলো ঠিকা কর্মীর মাধ্যমে। রেলে সবচাইতে কর্মসংস্থানের বড় ক্ষেত্র ছিল ওয়ার্কশপগুলি। সেখানে আউটসোর্স শুরু হলো। আমাদের রাজ্যে লিলুয়া, কাঁচড়াপাড়া, জামালপুর এমনকি চিত্তরঞ্জন ওয়ার্কশপেও ঠিকা শ্রমিক নিয়োগ করা হয়েছে। অবসরপ্রাপ্তদের পুনর্নিয়োগ; অবসরের বয়সসীমা ৬৫ বছর করা হয়েছে। এরফলে কর্মসংস্থানের ক্ষেত্রটি বন্ধ হয়ে যাচ্ছে।

আর আই টি ই এস (রেল ইন্ডিয়া টেকনিক্যাল অ্যান্ড ইকনমিক সার্ভিস)-এর মাধ্যমে সমস্ত ধরনের মেইনটেনেন্স করা হচ্ছে। আউটসোর্সিং-এর মাধ্যমে কম বেতনে ঠিকা শ্রমিকদের নিয়ে কাজ করানোর ফলে তাদের রেলের প্রতি কোনও দায়বদ্ধতা থাকছে না। দুর্ঘটনা প্রতিদিন বাড়ছে। নিরাপত্তা কমছে। সঠিক সময়ে ট্রেন চলাচল প্রতিদিন বিঘ্নিত হচ্ছে। প্রায় প্রতিদিনই দূরপাল্লা এমনকি কম দূরত্বের ট্রেনও দেরিতে চলছে। আবার কিনা এই সরকার বুলেট ট্রেন চালানোর স্বপ্ন দেখছে! ২০১৪ সালে লোকসভা নির্বাচনের আগে নরেন্দ্র মোদী প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন, প্রতি বছর ২ কোটি বেকারের কর্মসংস্থান করবেন। ক্ষমতায় আসার পর কেন্দ্রীয় সরকারি দপ্তরের ১০ লক্ষ শূন্যপদ অবলুপ্তি ঘটিয়েছেন। তারমধ্যে শুধুমাত্র রেল দপ্তরেই ১ লক্ষ ৫০ হাজার। সম্প্রতি রেল দপ্তরে ২৬ হাজার নিয়োগের কথা বলেছে, কবে হবে তা কেউ জানে না।

রাকেশ মোহন কমিটির আরও মারাত্মক সুপারিশ ছিল—রেলকে পুনর্গঠন করার। ‘কোর অ্যাক্টিভিটিজ’ এবং ‘নন কোর অ্যাক্টিভিটিজ’-এর মাধ্যমে চিহ্নিত করা হয়। যাত্রী ও পণ্য এটা কোর অ্যাক্টিভিটিজ বাকি সব নন কোর অ্যাক্টিভিটিজের মধ্যে পড়ে। এগুলি সব বেসরকারিকরণ করা হবে। কিন্তু সেই সুপারিশ সংসদের ভিতরে ও বাইরে তীব্র আন্দোলনের ফলে কার্যকর করতে পারেনি। সুচতুরভাবে কিছু কার্যকর করে যেমন ক্যাটা‍রিং সার্ভিস, ট্র্যাক মেরামতি ইত্যাদি বেসরকারিকরণ করে ইউ পি এ সরকারের সময় পারেনি কারণ বামপন্থীদের উপর নির্ভর করে দেশের সরকার চলছিল। স্ট্যান্ডিং কমিটিতে জোরালো প্রতিবাদ ছিল। তারপর সরকারের পরিবর্তন হয়। পরবর্তীকালে বিবেক দেবরায় কমিটির সুপারিশ এন ডি এ সরকার কার্যকর করে। সেই কমিটির সুপারিশ শুধু ‘নন কোর’ নয় যাত্রী ও পণ্য পরিবহণ ও বেসরকারিকরণ হবে। প্রায় ৬৭ হাজার কিলোমিটার রেলের ট্র্যাক প্রাইভেট সেক্টরে চলে যাবে। ইতিমধ্যে সেই কাজ শুরু হয়েছে। টাটা গোষ্ঠীর ট্রেন চালু হবে তার ট্রায়াল শুরু হয়েছে। সারা দেশের ৫০০-৫৫০টি বড় বড় রেল স্টেশন চিহ্নিত হয়েছে ধীরে ধীরে বিক্রি করা হবে। ফলে ভারতীয় রেল আরও দুর্বল হবে। এয়ার ইন্ডিয়ার মতো ভারতীয় রেলও বেসরকারিকরণ হবে। রেল সমস্ত সামাজিক দায়বদ্ধতা থেকে নিজেকে গুটিয়ে নিতে চাইছে। রেল যোগাযোগ ছাড়া যেখানে যাতায়াতের কোনও বিকল্প নেই সেই জায়গাগুলিতে কিংবা অলাভজনক বলে রেল রুট বন্ধ করে দেওয়া হচ্ছে। সম্প্রতি আমাদের রাজ্যে ৮টি রুট বন্ধ করার জন্য ঘোষণা করেছে। ঠিক একইভাবে এই ক‍‌মিটির সুপারিশ মেনে ২০১০ সালে রেলমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি রেলমন্ত্রী থাকার সময় পশ্চিমবঙ্গের লাভপুর-আহমদপুর রেল রুটটি বন্ধ করা হয়েছিল। এই রুট বন্ধ হওয়ার কারণে আহমদপুর রেণুকা সুগার মিলটি বন্ধ হয়ে যায়। ধ্বংস হলো শিল্প। কাজ হারাল মানুষ।

রাকেশ মোহন কমিটির সুপারিশ ছিল পৃথক রেল বাজেট তুলে দিয়ে রেলের স্বয়ংসম্পূর্ণ ব্যবস্থাকে ধ্বংস করা। বাজপেয়ী সরকারের সময় এই সুপারিশ কার্যকর করতে পারেনি দেশজোড়া আন্দোলনের ফলে। পরবর্তীকালে বিবেক দেবরায় কমিটির সুপারিশ কার্যকর করে মোদী সরকার। এরফলে রেল তার গুরুত্ব হারাল। ‘‘প্ল্যানিং কমিশন’’ তুলে দিয়ে ‘‘নীতি আয়োগ’’ হওয়ার ফলে রেলের উন্নয়নের কাজে বাধা হয়ে দাঁড়াল। ভারতীয় রেল যখন থেকে সামাজিক দৃষ্টিভঙ্গি থেকে বেরিয়ে এসে ব্যবসায়িক দৃষ্টিভঙ্গির দিকে প্রবেশ করল তখনই সর্বনাশ দেখা দিল। গরিব মহিলা, ছাত্রছাত্রীদের কনসেশন তুলে দেওয়া হলো।

বিবেক দেবরায় কমিটি সুপারিশ করেছে মেট্রো রেলকে ভারতীয় রেলের বাইরে আনতে হবে। কলকাতা মেট্রো রেল এখনও ভারতীয় রেলের আওতাধীন। দিল্লি মেট্রো রেলের কিছু অংশ বেসরকারি হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে। তার ফলে দিল্লি মেট্রোতে অস্বাভাবিক ভাড়া বৃদ্ধি হয়েছে। যেমন কলকাতা মেট্রোতে ৩ কিমি পর্যন্ত ভাড়া ৫ টাকা আর দিল্লিতে ২ কিমি পর্যন্ত ১০ টাকা। কলকাতায় ২৫ ‍কিমি পর্যন্ত যাত্রা পথের ভাড়া ২৫ টাকা আর দিল্লিতে সমপরিমাণ যাত্রা পথের ভাড়া ১৫০ টাকা। রেল বেসরকারিকরণ হলে দেশের জনগণের কি মারাত্মক অবস্থা হতে পারে তা সহজেই অনুমেয়। ট্রেনের টিকিট কাউন্টারে লোক নিয়োগ না করে বিভিন্ন এজেন্সির হাতে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।

দেবরায় কমিটির সুপারিশ অনুযায়ী রেলের ট্র্যাক, কোচ বিক্রি হবে। ইতিমধ্যে দক্ষিণ রেলে বাঙ্গালোর থেকে চেন্নাই পর্যন্ত একটি লাইন বিক্রি করা হয়েছে। দুরন্ত এক্সপ্রেসের ‍‌ কয়েকটি কোচ বিক্রি হয়েছে। যার যাত্রীভাড়া প্রায় দ্বিগুণ। কমিটির সুপারিশ অনুযায়ী যাত্রীভাড়া ও পণ্য মাশুল বাড়াতে হবে। জনগণের চাপে লোকাল ট্রেনের ভাড়া না বাড়লেও এক্সপ্রেস ট্রেনের ভাড়া প্রায়শই বাড়ছে। তৎকাল, প্রিমিয়াম তৎকালের নামে কার্যত টাকা লুট করা হচ্ছে। অন্যদিকে যাত্রী সুরক্ষা ও নিরাপত্তার বিষয়টি উপেক্ষিত।

রিডেভেলপমেন্ট অব স্টেশন-এর নামে স্টেশন সংলগ্ন জমি ও এয়ারস্পেস সমস্ত দীর্ঘমেয়াদী লিজ দেওয়ার নামে কার্যত বিক্রি করা হচ্ছে। ইতিমধ্যে বোম্বে, বান্দ্রা, আগ্রা, ম্যাঙ্গালোর স্টেশনকে লিজ দেওয়া হয়েছে। আমাদের রাজ্যের হাওড়া স্টেশনের ক্যাবওয়ে লিজ দেওয়া হয়েছে। লিজ‍‌ দেওয়ার আগে ক্যাবওয়েতে গাড়ি রাখলে ৪০ টাকা লাগত। বর্তমানে ২০০ টাকা ‍‌দিতে হয়। স্টেশনগুলি ঘিরে যে কর্মসংস্থানের সুযোগ আছে তা বন্ধ হয়ে যাবে। এবং প্রচুর টাকা দিয়ে ব্যবসা করতে হবে। বর্তমানে প্ল্যাটফর্ম ‍ টিকিটের দাম ১০ টাকা। বান্দ্রা স্টেশন লিজ দেওয়ার ফলে প্ল্যাটফর্ম টিকিটের দাম হয়েছে ৩০ টাকা।

বিবেক দেবরায় কমিটির সুপারিশ অনুযায়ী ১০০ শতাংশ এফ ডি আই চালু হবে। এর ফলে দেশের নিরাপত্তা বিঘ্নিত হবে। ভারতের বর্তমান শাসকদল জনগণের স্বার্থ না দেখে কর্পোরেটদের স্বার্থই বেশি করে দেখছে।

এক সময় পশ্চিমভারত ও পূর্বভারতে ব্রডগেজ লাইন চালু হওয়ার কারণে আমাদের পশ্চিমবঙ্গে উন্নয়ন হয়েছিল বিশেষ করে শিল্পের বিকাশ ঘটে। বামপন্থীদের দাবি মতো কলকাতা, শা‍লিমার ও সাঁত্রাগাছিতে নতুন টার্মিনাল গড়ে উঠেছে। বর্তমানে আমাদের রাজ্যে নতুন শিল্প গড়ে না ওঠার কারণে রেলপথের দাবি তুলনামূলক কম হচ্ছে। শিল্প হলে নতুন রেল লাইনের সুযোগ ছিল তাও হচ্ছে না। মেট্রো রেলের কাজেও অগ্রগতি নেই। কয়েক বছর ধরে কাজ থমকে আছে। বর্তমান রাজ্য সরকার থাকার ফলে কোনও শিল্পের পরিবেশ নেই। জমি দেওয়ার কাজে কোনও সহযোগিতা না করার ফলে রেলের কাজ অনেকক্ষেত্রে বাধাপ্রাপ্ত হচ্ছে। মমতা ব্যানার্জি রেলমন্ত্রী থাকার সময় পশ্চিমবঙ্গের জন্য রেলের কারখানা, নতুন নতুন রেল লাইন, স্টেডিয়াম থেকে শুরু করে অনেক প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন কিন্তু কোথায়? আজও তা রূপায়িত হয়নি।

তাই কেন্দ্রীয় সরকারের রেলের বেসরকারিকরণ, পুনর্নিয়োগের বিরুদ্ধে শূন্যপদে নিয়োগের দাবিতে ভারতের গণতান্ত্রিক যুব ফেডারেশন দীর্ঘদিন ধরে লড়াই করছে। এই লড়াই-এর সাথে যুক্ত হয়েছে পশ্চিমবঙ্গের ৮টি রুটে ট্রেন বন্ধ করে দেওয়ার সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে। ১৩ই ফেব্রুয়ারি সর্বভারতীয় ‘রেল রোকো’ কর্মসূচি পালিত হয়েছে। আমাদের পার্শ্বশিক্ষকদের ঐদিন পরীক্ষা থাকার কারণে ১৬ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ সারা রাজ্যব্যাপী ‘রেল রোকো’ কর্মসূচি পালিত হবে।

সকলের কাছে আমাদের আবেদন বেকার যুবদের কাজের স্বার্থে, রেলের বেসরকারিকরণ রুখতে এবং দেশের সম্পদ ভারতীয় রেলকে রক্ষা করতে আমাদের আন্দোলনের পাশে সবাইকে পেতে চাইছি। আপনাদের সকলকে সাথে নিয়েই এই আন্দোলনকে তীব্রতর করতে চাই। আসুন সকলে মিলে ১৬ই ফেব্রুয়ারি রাজ্যব্যাপী ‘রেল রোকো’ কর্মসূচিতে শামিল হই।

Current Affairs

Featured Posts

Advertisement