কিশোরী পাচারের অভিযোগে
কারাদণ্ড বাংলাদেশি যুবকের

নিজস্ব সংবাদদাতা

জলপাইগুড়ি, ১৩ই মার্চ— ভারতের এক কিশোরীকে বাংলাদেশে পাচারের অভিযোগে এক যুবককে সশ্রম কারাদণ্ডের নির্দেশ দিল আদালত। বাংলাদেশ থেকে বেআইনিভাবে অনুপ্রবেশ করে প্রতিবেশীর সহযোগিতায় এক কিশোরীকে অপহরণ করে বাংলাদেশে নিয়ে যাওয়ার অভিযোগে গ্রেপ্তার হয় অভিযুক্ত চন্দন রায়। মঙ্গলবার তাকে পাঁচ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড ও ১০ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে ছয় মাসের কারাবাসের নির্দেশ দিয়েছেন জলপাইগুড়ি জেলা দায়রা আদালতের অ্যাডিশনাল থার্ড কোটের বিচারক রাজীব সাহা।

সরকারি আইনজীবী সঞ্জয় দাস জানান, শহরের দেবনগর এলাকার এক বাড়িতে চন্দন রায় যাতায়াত করত। এরপর ২০১৩ সালের ৮ই মার্চ ওই বাড়ির এক কিশোরীকে অপহরণ করে চন্দন বাংলাদেশের রঙপুরের লালমণির হাট এলাকায় নিয়ে যায়। ঐ কিশোরীর উপর অমানুষিক অত্যাচার চালানো হতো বলে অভিযোগ। ঘটনার বেশ কয়েক মাস পর নিজের বাড়িতে ফোন করে জানায় কিশোরীটি। এরপর কিশোরীর পরিবারের পক্ষ থেকে ২০১৪ সালের ২১শে এপ্রিল জলপাইগুড়ি কোতোয়ালি থানায় অভিযোগ দায়ের করা হয়।

২০১৬ সালের ১৮ই জুন চন্দনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। অন্য দিকে প্রতিবেশী যুবক গোবিন্দ রায়কেও এই কিশোরী অপহরণে যুক্ত থাকার অভিযোগে ২০১৪ সালের ২৪শে এপ্রিল গ্রেপ্তার করে পুলিশ। মঙ্গলবার জেলা দায়রা আদালতের অ্যাডিশনাল থার্ড কোটের বিচারক রাজীব সাহা অভিযুক্ত চন্দনকে ৫ বছরের সাজা ১০ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরও ছয় মাসের কারাদণ্ডের নির্দেশ দেন ।

জানা গেছে, চন্দন রায় বাংলাদেশের বাসিন্দা। বেআইনিভাবে ভারতে এসে শিলিগুড়িতে এক মিষ্টির দোকানে কাজ করত। ঐ কিশোরীর প্রতিবেশী গোবিন্দ রায় এর সাথে তার পরিচয় হয়। এরপর গোবিন্দর সহযোগিতায় ঐ কিশোরীর বাড়িতে যাতায়াত করত চন্দন। সেই সুযোগ নিয়েই কিশোরীকে অপহরণ করে বাংলাদেশে নিয়ে যায় বলে জানা গেছে।

Featured Posts

Advertisement