উত্তর প্রদেশের বিধায়ক
কেনাবেচায় বি জে পি

সংবাদসংস্থা   ১৪ই মার্চ , ২০১৮

লক্ষ্ণৌ, ১৩ই মার্চ— নরেশ আগরওয়ালের বি জে পি-তে চলে যাওয়া জমিয়ে দিয়েছে উত্তর প্রদেশের রাজ্যসভা নির্বাচনকে। তাঁর বিধায়ক পুত্র বি জে পি-কে ভোট দেবে বলে সমাজবাদী পার্টির প্রাক্তন হেভিওয়েট নেতা আগরওয়ালের ঘোষণা হতাশ করেছে বহুজন সমাজ পার্টির প্রার্থীকে। এর মধ্যেই মঙ্গলবার স্ক্রুটিনির সময় খারিজ হয়ে গিয়েছে নির্দল প্রার্থী মহেশচন্দ্র শর্মার মনোনয়ন। অন্যদিকে, বি জে পি নেমে পড়েছে বিধায়ক কেনাবেচায়।

৪০৩-সদস্যের বিধানসভায় মায়াবতীর দলের আসন সংখ্যা ১৯। প্রয়োজনের তুলনায় ১৮টি কম। এই পরিস্থিতিতে, আগরওয়ালের পুত্র নিতিন গেরুয়া দলটিকে ভোট দিলে বহুজন সমাজ পার্টির ভীমরাও আম্বেদকারের জয় আরও দুরুহ হয়ে দাঁড়াবে।

রাজ্য থেকে কোনও প্রার্থীকে রাজ্যসভা নির্বাচনে সরাসরি জয়ের জন্য পেতে হবে অন্তত ৩৭টি ভোট। বি জে পি-কে পরাস্ত করতে যোগ্যতম প্রার্থীকে সমর্থনের জন্য ইতিমধ্যেই সমাজবাদী পার্টি ও বহুজন সমাজ পার্টির মধ্যে নির্বাচনী সমঝোতা হয়েছে। সমাজবাদী পার্টির রয়েছে ৪৭ জন বিধায়ক। নিজেদের একজন প্রার্থীকে (জয়া বচ্চন) জেতানোর পরেও তাদের হাতে থাকবে ১০টি ভোট, যা যাবে বহুজন সমাজ পার্টির দিকে, যারা গোরখপুর ও ফুলপুর লোকসভা আসনের উপনির্বাচনে সমাজবাদী পার্টির প্রার্থীকে সমর্থন করার কথা ঘোষণা করেছে। এছাড়াও কংগ্রেসের রয়েছে ৭টি আসন, আর এল ডি-র একটি, যা মায়াবতীর প্রার্থীকে ম্যাজিক ফিগারের পৌঁছে দিতে সাহায্য করতে পারে। এই অবস্থায় নরেশ আগরওয়ালের পুত্র নিতিনের ভোট হয়ে যাবে গুরুত্বপূর্ণ, যখন বি জে পি পুরোদমে নেমে পড়েছে বিধায়ক কেনাবেচায়। সমাজবাদী পার্টির নেতা সুনীল সিং সজন বলেছেন, বহুজন সমাজ পার্টির একমাত্র প্রার্থীকে হারাতে বিধায়ক কেনাবেচায় নেমে পড়েছে বি জে পি।

বিধানসভায় বি জে পি-র আসন সংখ্যা ৩২৪। রাজ্য থেকে ১০টি আসনের মধ্যে আটটি আসনে জয়ের জন্য যা যথেষ্ট। যদিও তারা ১১ জনকে মনোনয়ন দিয়েছে। আটটি আসনে জয়ের পর তাদের হাতে উদ্বৃত্ত থাকবে ১৮টি ভোট। দলের রাজ্য শাখার সহসভাপতি জে পি এস রাঠোর সংবাদসংস্থা পি টি আই-কে বলেছেন, বৃহস্পতিবার, মনোনয়ন প্রত্যাহারের শেষ দিনে সব স্পষ্ট হয়ে যাবে।

Featured Posts

Advertisement