কমোড থেকে উদ্ধার
দুদিনের শিশুর দেহ

সংবাদসংস্থা

তিরুবনন্তপুরম, ১৬ই এপ্রিল— কমোডের ভিতর দুদিনের শিশুর দেহ! বাড়ির কাজের লোক ভেবেছিলেন, কমোডে কাদা জল এল কী করে? আসলে রক্ত জমাট বেঁধে জলের রং পালটে যায়। কেরালার মালাপ্পুরমে গত সপ্তাহে ঘটনাটি ঘটেছে। সোমবার তা প্রকাশ্যে এসেছে।

কারিনকাল্লাথানির বাসিন্দা ৫০ বছরের ভাগীরথী প্রতিদিনের মতোই কাজে গিয়েছিলেন ডা. আব্দুল রহমানের বাড়িতে। শৌচাগার পরিষ্কার করতে গিয়ে কমোডে কর্দমাক্ত জল চোখে পড়ে তাঁর। সঙ্গে সঙ্গেই বাড়ির মালিককে খবর দিয়েছিলেন ভাগীরথী। পরের দিনই কমোড সাফাই করতে আসেন প্লাম্বাররা। কিছুটা জল পরিষ্কার করতেই একটি শিশুর মাথা বেরিয়ে আসে। রক্ত জমে গিয়েই জলের রং কাদার মতো হয়ে যায় বলে জানা গিয়েছে। পলাক্কাডের নাত্তুকাল থানার পুলিশ ঘটনাটির তদন্ত শুরু করেছে। তারা জানিয়েছে, ওই মেয়ে শিশুটিকে কমোডের ভিতর ফেলে দেওয়া হয়েছিল। শৌচাগার থেকে কোনও বাজে গন্ধও পাওয়া যায়নি। পুরোপুরিভাবে দেহটি পচেও যায়নি। কিন্তু কমোডের ভিতর রক্তের দাগ দেখা গিয়েছে। প্রাথমিক তদন্তের পর পুলিশের অনুমান, ওই শিশুর মা শৌচাগারের ভিতরই প্রসব করেন এবং শিশুটিকে কমোডে ফেলে ফ্লাশ করে দেন। পুলিশ জানিয়েছে, চিকিৎসক আব্দুল রহমান প্রতিদিন সন্ধ্যায় বাড়িতে রোগী দেখেন। এছাড়াও তাঁর একটি ক্লিনিক রয়েছে। কীভাবে শৌচাগারে ঢুকে প্রসব করে সন্তানকে ফেলে রেখে মা পালিয়ে গেল, তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ। সোমবার রাত পর্যন্ত পাওয়া খবর অনুযায়ী, ওই শিশুর বাবা মায়ের কোনও খোঁজ মেলেনি। এতদিন ধরে একটি শিশুর দেহ কমোডের ভিতর থাকলেও তা কেন কারও চোখে পড়েনি সেই দিকটিও তদন্তে উঠে এসেছে। ওই চিকিৎসককেও জিজ্ঞাসাবাদ করছে পুলিশ। মেয়ে হওয়ায়ই এই ঘটনা ঘটানো হয়েছে বলেও মনে করা হচ্ছে।

Current Affairs

Featured Posts

Advertisement