নির্বাসিত পেরুর অধিনায়ক

  ১৬ই মে , ২০১৮

জুরিখ, ১৫ই মে— শিয়রে বিশ্বকাপ। প্রাথমিক দল ঘোষণা হয়ে গেছে। কোমড় বেঁধে প্রস্তুতিতে নেমে পড়ার কথা। শুরুতেই ধাক্কা পেরু। অধিনায়ক পাওলো গেরেরার নির্বাসনের পরিমাণ বাড়ালো ক্রীড়াক্ষেত্রের সর্বোচ্চ আদালত। আর্জেন্টিনার বিরুদ্ধে যোগ্যতা অর্জন পর্বের ম্যাচের পরই ডোপ পরীক্ষায় ধরা পড়েছিলেন গেরেরা। চায়ের সঙ্গে কোকেন সেবনের অভিযোগ ওঠে। তা স্বীকার করেও নিয়েছিলেন গেরেরা। তবে পারফরম্যান্স ভালো করার জন্য তা করেননি বলেই জানিয়েছিলেন। গত অক্টোবরে দশ মাসের জন্য নির্বাসিত করা হয়েছিল তাঁকে। পরে তা কমিয়ে ছয় মাসে করা হয়। দশদিন আগেই সেই শাস্তি শেষ হয়েছিল। কিন্তু সর্বোচ্চ ক্রীড়া আদালতের রায়ে সেই শাস্তি ছয় মাস থেকে বাড়িয়ে চোদ্দোমাস করা হলো। ফলে বিশ্বকাপের সময় খেলতে পারবেন না।

মুনিরকে নিয়ে দড়ি টানাটানি

জুরিখ, ১৫ই মে— দড়ি টানাটানিতে অবশেষে পরাজিত মরোক্কো। মুনির এল হাদাদিকে দলে নেওয়া হলো না। অথচ চেষ্টা কম করেনি। দড়ি টানাটানি হয়েছিল স্পেনের সঙ্গে। মরোক্কোর বংশোদ্ভুত মুনিরের বেড়ে ওঠা স্পেনের হয়ে। স্পেনের প্রথম একাদশে সুযোগ পাওয়ার সম্ভাবনা কম। তাই মরোক্কো ফুটবল সংস্থার সঙ্গে যৌথভাবে ক্রীড়ানাগরিকত্ব বদলের আবেদন করেন মুনির। ফিফার নিয়ম অনুযায়ী কোনও ফুটবলার একটি দেশের হয়ে আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেললে সে আর ক্রীড়া নাগরিকত্ব বদল করতে পারে না। ২০১৪ সালে ম্যাসিডোনিয়ার বিরুদ্ধে স্পেনের হয়ে খেলেছিলেন মুনির। তাই সর্বোচ্চ ক্রীড়া আদালতে মরোক্কোয় খেলার আবেদন খারিজ হয়ে যায় মুনিরের। বিশ্বকাপে স্পেন, ইরান ও পর্তুগালের সঙ্গে একই গ্রুপে রয়েছে মরোক্কো।

শ্রমিকদের বিনামূল্য খাবার নোভগ্রোদে

নিঝনি নোভগ্রোদ, ১৫ই মে— সোভিয়েত যুগের কথা মনে করালো নিঝনি নোভগ্রোদ। যখন মাঠের ফসল কাটার জন্য কৃষকদের সঙ্গে হাত মেলাতো ছাত্ররা। সেরকমভাবেই নিঝনি নোভগ্রোদের স্টেডিয়াম তৈরির জন্য পৌরসভা কর্মীদের সাহায্য চাইল ক্রীড়ামন্ত্রক। ১৫ই এপ্রিল ৪৫ হাজার আসন বিশিষ্ট স্টেডিয়াম তৈরির কাজ শেষ হওয়ার কথা। কিন্তু তা সম্ভব হয়নি। তাই ক্রীড়ামন্ত্রকের থেকে সাহায্যের আবেদন করা হয় স্থানীয় পৌরসভা কর্মীদের। শ্রমিক সংখ্যা না বাড়ালে সময় মতো স্টেডিয়াম তৈরির কাজ শেষ করা সম্ভব নয়। এই কাজের জন্য পারিশ্রমিক দেওয়া হবে না। তবে স্টেডিয়াম তৈরির কাজে এগিয়ে আসা শ্রমিকদের জন্য বিনামূল্যে খাবার, থাকার জায়গা ও যন্ত্রপাতি দিচ্ছে প্রশাসনই।

ভিসা পেলেন সাংবাদিক

মস্কো, ১৫ই মে— রটেছিল ভিসা দেওয়া হয়নি। প্রত্যাখ্যান করা হয়েছে জার্মানির সাংবাদিক হাজো সেপেল্টকে। দোষ ছিল রাশিয়ার অ্যাথলিটদের ডোপিংয়ের খবর প্রকাশ করেছিলেন জার্মানির এ আর ডি টেলিভিশন চ্যানেলের এই সাংবাদিক। তাই তাঁকে ভিসা দিতে অস্বীকার করা হয়েছিল। সেই খবর প্রকাশ হওয়ার চব্বিশ ঘন্টার মধ্যেই ভিসা পেলেন ওই জার্মান সাংবাদিক। রিপোর্ট অনুযায়ী, সাংবাদিককে ভিসা দিতে অস্বীকার করার পরেই জার্মানির বিদেশ মন্ত্রী বিশেষভাবে আবেদন করেছিলেন যেন সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার করা হয়। সেই আবেদনে সাড়া দিয়েই নাকি এই ভিসা দেওয়া হয়েছে। তবে সেই খবরের সত্যতা নিয়েও প্রশ্ন রয়েছে।

Current Affairs

Featured Posts

Advertisement