দক্ষিণ ২৪পরগনায়
দুটি ধর্ষণের অভিযোগ

নিজস্ব সংবাদদাতা   ১৫ই আগস্ট , ২০১৮

সোনারপুর ও বাসন্তী, ১৪ই আগস্ট — সোনারপুরে এক কিশোরীকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠল প্রতিবেশী এক যুবকের বিরুদ্ধে। সোমবার বিকালে ঘটনাটি ঘটেছে সোনারপুর থানার শ্রীপুর মোহিনীপল্লি এলাকায়। এই ঘটনায় নির্যাতিতা ওই কিশোরীর মেডিক্যাল পরীক্ষা করা হয়েছে সোনারপুর গ্রামীণ হাসপাতালে। নির্যাতিতার পরিবার অভিযুক্ত যুবক মিন্টু রায়ের বিরুদ্ধে সোনারপুর থানায় অভিযোগ দায়ের করেছে। পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে। ঘটনার পর এলাকা ছেড়ে চম্পট দিয়েছে অভিযুক্ত যুবক। এদিকে ১৩বছরের ওই কিশোরীকে ধর্ষণের ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয় মানুষেরা অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার ও কঠোর শাস্তির দাবিতে সরব হয়েছেন।

স্থানীয় মানুষ মঙ্গলবার অভিযোগ করে জানান, একই বাড়িতে ভাড়া থাকে নির্যাতিতার পরিবার ও অভিযুক্তর পরিবার। পেশায় অটো চালক অভিযুক্ত মিন্টু রায় বিবাহিত। সোমবার বিকালে ঘটনার সময় তার স্ত্রী বাড়িতে ছিল না। প্রতিবেশী ওই কিশোরীকে ঘরে ডেকে নিয়ে সে ধর্ষণ করে। এই ঘটনা জানার পর ওই কিশোরীর পরিবার স্থানীয় সোনারপুর থানায় ধর্ষণের অভিযোগ দায়ের করে। পুলিশ নির্যাতিতার মেডিক্যাল পরীক্ষা করাতে সোনারপুর গ্রামীণ হাসপাতালে নিয়ে যায়। ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। অভিযুক্তর খোঁজে তল্লাশি চলছে বলে থানার এক আধিকারিক জানান। নিরপেক্ষ তদন্ত ও অভিযুক্তের গ্রেপ্তারের দাবি তুলেছেন কিশোরীর হতদরিদ্র পরিবার।

এদিকে সোমবার বিকালে বাসন্তী থানা এলাকায় এক নাবালিকাকে ধর্ষণ করে খুনের চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে প্রতিবেশী এক যুবকের বিরুদ্ধে। নির্যাতিতা ওই নাবালিকাকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় ক্যানিং মহকুমা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। ঘটনার তদন্তে নেমেছে পুলিশ। অভিযুক্ত যুবক শহিদুল শেখ (৩০) পলাতক বলে জানা গেছে। ঘটনাটি ঘটেছে বাসন্তী থানার ভাঙনখালি এলাকায়।

স্থানীয় গ্রামবাসীরা জানান, ৮বছরের ওই নাবালিকাকে খাবার দেওয়ার নাম করে প্রতিবেশী যুবক তাকে পাশে ফাঁকা পরিত্যক্ত একটি ঘরে ডেকে নিয়ে যায়। তাকে ধর্ষণ করে। ধর্ষণের পর তাকে মারধোর করে। এই ঘটনায় ওই নির্যাতিতা জ্ঞান হারায়। নাবালিকা মারা গেছে ভেবে অভিযুক্ত তাকে ওই পরিত্যক্ত ঘরেই খড় চাপা দিয়ে দেয়। এদিকে নির্যাতিতার জ্ঞান ফিরলে সে গোঙাতে থাকে। স্থানীয় মানুষ সেই শব্দ শুনে খড় সরিয়ে তাকে উদ্ধার করে স্থানীয় বাসন্তী ব্লক হাসপাতালে নিয়ে যায়। তার পরিস্থিতি আশঙ্কাজনক হওয়ায় চিকিৎসকেরা ক্যানিং মহকুমা হাসপাতালে তাকে স্থানান্তরিত করেন। নির্যাতিতা ওই নাবালিকার পরিবার বাসন্তী থানায় শহিদুল শেখের বিরুদ্ধে ধর্ষণ ও খুনের চেষ্টার অভিযোগ দায়ের করেছে। ঘটনার পর গা ঢাকা দিয়েছে অভিযুক্ত। পুলিশ তার খোঁজে তল্লাশি করছে বলে জানা গেছে।

Current Affairs

Featured Posts

Advertisement