দেশে ফেরানো হচ্ছে
নির্বাসিত হার্দিক-রাহুলকে

  ১২ই জানুয়ারি , ২০১৯

সিডনি, ১১ জানুয়ারি— টেলিভিশনে একটি অনুষ্ঠানে আপত্তিকর মন্তব্যের জেরে নির্বাসিত করা হলো হার্দিক পান্ডিয়া এবং লোকেশ রাহুলকে। তবে নির্বাসনের সময়সীমা জানানো হয়নি। দেশে ফেরত পাঠানো হচ্ছে এই দুই ক্রিকেটারকে। বোর্ডের তরফে রাতে এক ইমেলে বলা হয়, অস্ট্রেলিয়ার পাশাপাশি নিউজিল্যান্ড সিরিজেও তাঁদের বিকল্প খেলোয়াড়ের নাম শীঘ্রই জানিয়ে দেওয়া হবে। অর্থাৎ, নিউজিল্যান্ডেও নির্বাসন বহাল থাকছে হার্দিক-রাহুলের ওপর। তদন্ত শেষ হওয়ার পর পরবর্তী সিদ্ধান্ত জানাবে বোর্ড। নির্বাসনের পাশাপাশি এই ঘটনার তদন্তও হবে। হার্দিক, রাহুলকে নতুন করে শো কজ নোটিস পাঠানো হয়েছে। সংবাদ সূত্রে খবর, নতুন নোটিসে তাঁদের জানানো হয়েছে, শুধুমাত্র আন্তর্জাতিক ক্রিকেটই নয়, ভারতীয় বোর্ডের আয়োজিত, স্বীকৃত সমস্ত টুর্নামেন্টে খেলার ব্যাপারে নিষেধাজ্ঞা জারি হয়েছে এই দু’জনের নামে। শুধু তাই নয়, প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে বোর্ড, আইসিসি, রাজ্য ক্রিকেট সংস্থার কোনও ইভেন্ট বা অনুষ্ঠানেও অংশগ্রহণ করতে পারবেন না হার্দিক, রাহুল। সম্প্রতি বোর্ডের মুখ্য কার্যনির্বাহী আধিকারিক রাহুল জোহরির ক্ষেত্রেও এমন পদক্ষেপ নিয়েছিল প্রশাসকদের কমিটি।

সিডনিতে সাংবাদিক সম্মেলনে অধিনায়ক বিরাট কোহলি পরিষ্কার করে দেন, হার্দিকদের পাশে দলের কোনওরকম সমর্থন নেই। বোর্ডের প্রথম নোটিসের পর ক্ষমা চেয়েছিলেন হার্দিক। এদিন দলের সঙ্গে অনুশীলনেও অংশ নেন এই দুই ক্রিকেটার। সাংবাদিক সম্মেলনে কোহলি বলেন, ‘মন্তব্য পুরোপুরি ওদের ব্যক্তিগত। এতে দলের সংস্কৃতি প্রকাশ পায় না। দলে তার কোনও প্রভাব পড়বে না।’ কোহলি আরও বলেন, ‘ঘটনার গভীরতা বিচার করে এটুকু বলতে পারি, কড়া সিদ্ধান্ত নেওয়া প্রয়োজন। আশা করি ওরা বুঝতে পারবে, বিষয়টি একেবারেই ঠিক হয়নি।’ অধিনায়কের মন্তব্যের পরই নির্বাসনের বিষয়টি আরও সহজ হয়ে যায়। উল্লেখ্য, ৮২ বছর পর কোনও ভারতীয় ক্রিকেটারকে শৃঙ্খলাভঙ্গের কারণে এভাবে দেশে ফেরত পাঠানো হলো। ১৯৩৬ সালে ইংল্যান্ড সফর থেকে ফেরত পাঠানো হয়েছিল কিংবদন্তি লালা অমরনাথকে। শৃঙ্খলাভঙ্গের নানা ঘটনা ঘটলেও এরপর কাউকে এভাবে দেশে ফেরানো হয়নি।





Current Affairs

Featured Posts

Advertisement