সীমান্তরক্ষীর গুলিতে
মৃত পাচারকারী

নিজস্ব সংবাদদাতা

বসিরহাট, ২রা জুলাই—রবিবার গভীর রাতে বি এস এফ-র সাথে সীমান্তে গোরু পাচারকারীদের গুলি বিনিময়ে মৃত্যু হয় পাচারকারী আলতাব হোসেনের। ঘটনাটি ঘটেছে উত্তর ২৪ পরগনার স্বরূপনগর ব্লকের তারালি সীমান্তে। জানা গেছে মৃত আলতাব হোসেন বাংলাদেশের সাতক্ষীরার বাসিন্দা। উভয়পক্ষের গুলি বিনিময়ের সময় দু’জন বি এস এফ জওয়ান গুরুতর জখম হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।

জানা গেছে, ২৫-৩০ জনের একটি পাচারকারীদল শতাধিক গোরু নিয়ে তারালি সীমান্ত দিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করছিল। ঠিক সেই সময় বি এস এফ-র ১৫২নং ব্যাটেলিয়নের জওয়ান বাধা দিতে যায়। শুরু হয় উভয়পক্ষের মধ্যে গুলি বিনিময়। বি এস এফ গোরুগুলি আটক করে ও একজন পাচারকারীকে গ্রেপ্তার করে।

অন্যদিকে, রবিবার বসিরহাটের ঘোজাডাঙা সীমন্তে দিয়ে ভারতে প্রবেশ করার সময় ৩ জন বাংলাদেশী ডাকাতকে ধরে ফেলে বি এস এফ। ধৃত ওই ডাকাতদলটিকে বি এস এফ বসিরহাট থানার পুলিসের হাতে তুলে দেয়। পুলিস ধৃতদের বসিরহাট আদালতে পাঠায়। আদালত তাদেরকে ১৪ দিনের জেল হেফাজতে পাঠায়।

পুলিস জানিয়েছে, বাংলাদেশের সাতক্ষীরার বাসিন্দা রনি দাস, জনি দাস, সঞ্জয় দাস ডাকাতি করে সীমান্ত পার হওয়ার সময় বি এস এফ-র হাতে ধরা পড়ে। ধৃতদের কাছ থেকে পুলিস ১০৯ গ্রাম সোনা ও নগদ ১৯ হাজার টাকা বাজেয়াপ্ত করে। ধৃতদের জেরা করে পুলিস জানতে পেরেছে ১৬ই জুন বাংলাদেশের ঢাকা শহরে সুনীল দাসের সোনার দোকানে ডাকাতি করে ধৃতরা। এরপর বাংলাদেশের বিভিন্ন জায়গায় গা ঢাকা দিয়ে থাকার পর এদিন ঘোজাডাঙা সীমান্তে বি এস এফ-র হাতে ধরা পড়ে যায়। পুলিসের জেরার মুখে ধৃতরা এও স্বীকার করেছে যে তারা ২০০ গ্রাম সোনা ডাকাতি করে।

Featured Posts

Advertisement