আজকের দিনে



 

ছবির খাতা

জনতার ব্রিগেড

আরো ছবি

ভিডিও গ্যালারি

Video

শ্রদ্ধাঞ্জলি

রাজ্য

জাতীয়

আন্তর্জাতিক

কলকাতা

জেলা

খেলা

সম্পাদকীয়

 

শতবর্ষে শ্রদ্ধা

আপনার রায়

গরিবের পাশে থেকেছে বামফ্রন্টই

হ্যাঁ
না
জানি না
 

ই-পেপার

Back Previous Pageমতামত

পাঁচ কিমি এলাকাজুড়ে কাঁটাতারের বেড়া দেবার প্রস্তুতি
নিজভূমে পরবাসী হবার আশঙ্কায়
পুণ্ডিবাড়ির ৩গ্রামের ৪০০পরিবার

নিজস্ব সংবাদদাতা

কোচবিহার, ১৭ই জুলাই — নিজভূমে পরবাসী হবার আশঙ্কায় রয়েছেন পুণ্ডিবাড়ি গ্রাম পঞ্চায়েতের তিস্তা পয়স্তি, অন্দরান কুচলিবাড়ি এবং তিস্তাপারের হোসেনের চরের গ্রামের মানুষ। এই তিনটি গ্রাম মিলিয়ে প্রায় ৪০০পরিবার রয়েছে। ভারত বাংলাদেশ সীমান্ত সংলগ্ন এই অঞ্চলে কাঁটাতারের বেড়া দেওয়া হলে এই পরিবারগুলিকে বেড়ার ওপারে চলে যেতে হবে। তিস্তা পয়স্তি থেকে হোসেনের চর পর্যন্ত ৫কিমি এলাকাজুড়ে কাঁটাতারের বেড়া দেবার পরিকল্পনা নিয়েছে বি এস এফ। ইতোমধ্যেই জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে কেন্দ্রীয় পূর্তদপ্তর সমীক্ষার কাজ শেষ করেছে। ওই এলাকার বাসিন্দা অনিল রায়, ফুলতি রায়, গজেন ডাকুয়াদের কথায়, কাঁটাতারের বেড়ার ওপারে চলে যেতে হলে তাঁদের নিরাপত্তা বিঘ্নিত হবে। বাংলাদেশ সীমান্তের দিকে কোন পাহারাই থাকবে না। ফলে ওপার থেকে দুষ্কৃতীরা অবাধে ঢুকে পড়বে ভারতের সীমানায়। ফসল কেটে নিয়ে যাবে, গবাদি পশুও নিয়ে যাবে। তাদের বাধা দেবার সামর্থ্য থাকবে না। অনেক সীমান্তবর্তী অঞ্চলে এই ধরনের ঘটনা ঘটছে। এছাড়াও ভারতের নাগরিক হয়েও কাঁটাতারের গেট দিয়ে নিজের দেশে ঢুকতে গেলে প্রতিনিয়ত পরিচিতিপত্র দেখাতে হবে। রাত বিরাতে বিপদ আপদ হলে বি এস এফ-কে ডেকে গেট খোলাতে হবে। এছাড়াও আরো হাজারো সমস্যা রয়েছে। গ্রামবাসীদের অভিযোগ, নিজেদের সীমানার মধ্যেই এভাবে কাঁটাতারের বেড়া দেবার জন্য ভারতীয় ভূখণ্ডের আয়তনই কমছে। মহকুমা শাসক এবং বি ডি ও-র কাছে আন্তর্জাতিক সীমান্ত আইন মেনে জিরো পয়েন্ট থেকে ১৫০মিটার দূরে কাঁটা তারের বেড়া দেবার দাবি জানিয়েছেন গ্রামবাসীরা।

গ্রাম পঞ্চায়েত সদস্য পূর্ণিমা রায় বলেন, এই এলাকার মানুষরা যাতে নিজভূমে পরবাসী না হয়ে পড়েন তারজন্য প্রশাসনের দ্বারস্থ হবেন তিনি। সীমান্তের বাসিন্দা হিসেবে নিরাপত্তার কারণে সবাই চায় কাঁটাতারের বেড়া হোক। কিন্তু আন্তর্জাতিক আইন মেনেই কাঁটাতারের বেড়া দেওয়া হোক। কেন্দ্রীয় পূর্তদপ্তর যেভাবে সমীক্ষা করেছে তাতে জিরো পয়েন্ট থেকে কোথাও এক কিমি আবার কোথাও বা তারও বেশি এলাকা কাঁটাতারের বেড়ার ওপারে চলে যাবে। গ্রামবাসীরা আতঙ্কে ভুগলেও বি এস এফ কর্তৃপক্ষ তা মানবে কিনা সেবিষয়ে প্রশ্ন উঠেছে। মেখলিগঞ্জের বিধায়ক পরেশ অধিকারীও এভাবে কাঁটাতারের বেড়া দেবার বিষয়ে কেন্দ্রীয় সরকারের দৃষ্টি আকর্ষণ করবেন বলে জানান।

মতামত
এই খবরটি সম্পর্কে আপনার মতামত
 

আমাদের এই খবরটি সম্পর্কে আপনার মতামত পেলে বাধিত থাকব। তবে যথাযথ যাচাই না করে ২৪ঘন্টার আগে আপনার মতামত ওয়েবসাইটে দেখা যাবে না।

Top
 
Name
Email
Comment
For verification please enter the security code below