আজকের দিনে



 

ছবির খাতা

জনতার ব্রিগেড

আরো ছবি

ভিডিও গ্যালারি

Video

শ্রদ্ধাঞ্জলি

সম্পাদকীয়

বড় গলা

অর্ধেক আকাশ

 

শতবর্ষে শ্রদ্ধা

আপনার রায়

গরিবের পাশে থেকেছে বামফ্রন্টই

হ্যাঁ
না
জানি না
 

ই-পেপার

Back Previous Pageমতামত

তৃণমূলী দুষ্কৃতীদের হাতে হেনস্তা
তুফানগঞ্জের সি পি আই (এম) কাউন্সিলর

নিজস্ব সংবাদদাতা

তুফানগঞ্জ, ৩১শে জুলাই — তৃণমূল কংগ্রেস আশ্রিত দুষ্কৃতীদের হাতে হেনস্তা হলেন তুফানগঞ্জ পৌরসভার ৫নং ওয়ার্ডের সি পি আই (এম) কাউন্সিলর কাকলি দে বর্মা। সোমবার রাত ৮টা নাগাদ এই ঘটনা ঘটে। মিথ্যে অভিযোগ এনে তাঁকে আটক করে রাখা হয় ইলাদেবী বালিকা প্রাথমিক বিদ্যালয়ে। খবর পেয়ে পুলিস ঘটনাস্থলে এসে তাঁকে থানায় নিয়ে আসে। পরে জামিন অযোগ্য ধারায় গ্রেপ্তার করা হয় ওই কাউন্সিলরকে। মঙ্গলবার তাঁকে আদালতে তোলা হলে আদালতের নির্দেশে অন্তর্বর্তী জামিনে তিনি মুক্তি পান।

৫নং ওয়ার্ড এডুকেশন কমিটির সভাপতি কাকলি দে বর্মা। জানা গেছে, ইলাদেবী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মিড ডে মিল রান্নার কাজের জন্য স্কুল প্রাঙ্গণে দীর্ঘদিন আগে পৌরসভা থেকে একটি ঘর তৈরি করে দেওয়া হয়। ৩ ফুট ইটের গাঁথনির উপরে বাঁশের বেড়া ও উপরে অ্যাসবেস্টাস দিয়ে তৈরি করা হয় ঘরটি। কিন্তু বর্তমানে সেই ঘরটি ভেঙে পড়ায় পুনরায় তৈরির প্রয়োজন হয়েছে। পুরোনো ঘরের সামগ্রী বিক্রি করে যে টাকা পাওয়া যাবে তা দিয়েই নতুন ঘর তৈরির সিদ্ধান্ত নেয় ওয়ার্ড এডুকেশন কমিটি। ঘর তৈরির জন্য পৌরসভা টেন্ডার ডাকে এবং ওয়ার্ক অর্ডার দেওয়া হয়। পুরোনো ঘরের জিনিস বিক্রির দায়িত্ব দেওয়া হয় বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকার হাতে। সোমবার বিকেলে এক ব্যক্তি পুরোনো ঘরের ইট, অ্যাসবেস্টাস, বেড়া ইত্যাদি কিনে নেন। স্কুলের প্রধান শিক্ষিকার উপস্থিতিতে তিনি জিনিসগুলি নিয়ে যাচ্ছিলেন। তখন হঠাৎ তৃণমূল কংগ্রেসের কিছু লোকজন বিদ্যালয়ে এসে প্রধান শিক্ষিকাকে আটক করে। তারা অভিযোগ তোলে, ওয়ার্ড এডুকেশন কমিটির সভাপতি কাকলি দে বর্মার সাথে যোগসাজশ করেই প্রধান শিক্ষিকা এসব সামগ্রী গোপনে বিক্রি করেছেন।

এরপর প্রধান শিক্ষিকা দিপালী পাল ফোনে ওয়ার্ড এডুকেশন কমিটির সভাপতি কাকলি দে বর্মাকে সমস্ত ঘটনা জানান। রাত প্রায় ৮ টা নাগাদ কাকলী দে বর্মা স্কুলে এসে পৌঁছালে ওই তৃণমূলী দুষ্কৃতীরা তাঁকে ঘিরে ধরে। তাঁকে চোর অপবাদ দেওয়া হয়। তাঁকে দীর্ঘক্ষণ ওই স্কুলের একটি ঘরে আটকে রাখা হয়। এরপর পুলিসে খবর দেওয়া হলে পুলিস ঘটনাস্থলে পৌঁছে ওই কাউন্সিলরকে থানায় নিয়ে আসে। অভিযোগ, খবর পাওয়ার অনেক পরে রাত প্রায় ১০ টা নাগাদ পুলিস সেখানে যায়। মহকুমাশাসক ও পুলিস আধিকারিকদের সমস্ত সত্য ঘটনা জানানো হলেও কাকলি দে বর্মাকে ছাড়া হয়নি। পুলিস তাঁকে জামিন অযোগ্য ধারায় গ্রেপ্তার করে। মঙ্গলবার মহকুমা বিচারকের এজলাসে তুফানগঞ্জ আদালতে তোলা হয় কাকলি দে বর্মাকে। ওয়ার্ড এডুকেশন কমিটির সভাপতি কাকলি দে বর্মার পক্ষে সওয়াল করেন আইনজীবী কুশল গুহ রায়, অতুল সরকার, মলয় চক্রবর্তী সহ ৮জন আইনজীবী।

তুফানগঞ্জ পৌরসভার ৫নং ওয়ার্ডের সি পি আই (এম) কাউন্সিলর তথা ওয়ার্ড এডুকেশন কমিটির সভাপতি কাকলি দে বর্মাকে সম্পূর্ণ মিথ্যে অভিযোগে জামিন অযোগ্য ধারায় গ্রেপ্তার করার ঘটনার তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছে সি পি আই (এম)। মঙ্গলবার পার্টির পক্ষ থেকে সমগ্র তুফানগঞ্জ শহরে বিক্ষোভ মিছিল ও সভা হয়। বিভিন্ন সভায় বক্তব্য রাখেন পার্টি নেতা তমসের আলি, সুভাষ ভাওয়াল, অজয় বাগচী ও বাদল পাল।

মতামত
এই খবরটি সম্পর্কে আপনার মতামত
 

আমাদের এই খবরটি সম্পর্কে আপনার মতামত পেলে বাধিত থাকব। তবে যথাযথ যাচাই না করে ২৪ঘন্টার আগে আপনার মতামত ওয়েবসাইটে দেখা যাবে না।

Top
 
Name
Email
Comment
For verification please enter the security code below