আজকের দিনে



 

ছবির খাতা

জনতার ব্রিগেড

আরো ছবি

ভিডিও গ্যালারি

Video

শ্রদ্ধাঞ্জলি

রাজ্য

জাতীয়

আন্তর্জাতিক

কলকাতা

জেলা

খেলা

সম্পাদকীয়

 

শতবর্ষে শ্রদ্ধা

আপনার রায়

গরিবের পাশে থেকেছে বামফ্রন্টই

হ্যাঁ
না
জানি না
 

ই-পেপার

Back Previous Pageমতামত

বিদ্যুৎ বিপর্যয়ে খনি গর্ভে
আটকে রইলেন শ্রমিকরা

নিজস্ব সংবাদদাতা

দুর্গাপুর, ৩১শে জুলাই — মঙ্গলবার বিদ্যুৎ পরিবাহী পাওয়ার গ্রিড বিভ্রাটকে কেন্দ্র করে আসানসোল-দুর্গাপুর শিল্পাঞ্চলে হয়রানি - দুর্ভোগ-অনিশ্চয়তার আতঙ্ক ছড়ালো। ভূগর্ভস্থ কয়লাখনিতে কর্মরত শ্রমিকরা আটক হয়ে পড়েন অনেক জায়গায়। এদিন প্রথম শিফ্‌টে খনিতে উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রার ধারে কাছে যায়নি। দ্বিতীয় শিফ্‌টেও খনিগর্ভ স্বাভাবিক হতে সময় নেয়। ফলে উৎপাদন ব্যাহত হয়েছে। বিভিন্ন রেল স্টেশনে ঘণ্টার-পর-ঘণ্টা ট্রেন দাঁড়িয়ে থাকে। একমাত্র কুটলি স্টেশনে দাঁড়িয়ে থাকা রাজধানী এক্সপ্রেসের যাত্রীরা রেলের ‘পরিষেবা’ পেয়েছেন। তাদের জন্য খাবার, পানীয় জল ইত্যাদির জোগান দিয়েছে রেল। রেলের আসানসোল ডিভিসনে ১৩টি স্টেশনে দূরপাল্লার গাড়ি দাঁড়িয়ে থাকে। ৭টা মালগাড়ি ও অনেকগুলি লোকাল ট্রেন বিভিন্ন স্টেশনে দাঁড়িয়ে থাকে। ঝাড়খণ্ডের মাওবাদী উগ্রপন্থী অধ্যুষিত ঘোরপারণ স্টেশনে হিমগিরি দাঁড়িয়ে থাকে। আতঙ্কিত যাত্রীদের পাশে রেলের সশস্ত্র বাহিনীর কেউ ছিলো না। কালকা দাঁড়িয়ে পড়ে সীতারামপুর স্টেশনে। অনন্যা অণ্ডালে। স্টেশনে পর্যাপ্ত খাবার নেই। নেই পানীয় জল। যাত্রীরা নাকাল হয়েছেন। অনেক যাত্রী টিকিট কেটেও ট্রেন পাননি। রেল কর্তৃপক্ষ যাত্রীদের টিকিট ফেরত নিয়ে টাকা ফেরত দেয়নি বহু জায়গায়। রেল ক্রসিং-এ মানকরে মালগাড়ি দাঁড়িয়ে পড়ায় বুদবুদ-গুসকরা রোডে যান চলাচলে বিঘ্ন তৈরি হয়। বিপদসঙ্কুল ভঙ্গুর পথে ঘুরে যান চলাচল করানো হয়।

ই সি এল-এর সোদপুর ৩ নম্বর কোলিয়ারি, চাপুইখাস কোলিয়ারি, সাতগ্রাম কোলিয়ারি ও চিনাকুড়ি ১ নম্বর খনিগর্ভে কর্মরত প্রায় ২০০ শ্রমিক আটক হয়ে পড়েন। দুপুরেই খনিগর্ভে খবর ছড়ায় ‘‘বিজলি গুল’’ হ্যায়। অর্থাৎ বিদ্যুৎ নেই। অনেকগুলি খনিতে ‘ইনক্লাইন’ (সুড়ঙ্গ) পথ ব্যবহার করে শ্রমিকদের খনি থেকে ওপরে তোলা হয়। ইনক্লাইন নেই, এমনখনিতে আটক হয়ে পড়েন শ্রমিকরা। খনিতে ওরা-নামার জন্য রয়েছে ‘ডুলি চালক’। বিদ্যুতে চলে। বিদ্যুৎ না থাকায় ফ্যান হাউস-এর ফ্যান ঘোরেনি। খনিগর্ভের হাওয়া বের করা ও ঢোকানোর জন্য ফ্যান হাউস কাজ করে। খনিগর্ভে ‘ভেন্টিলেশন’ মুখে শ্রমিকরা ছিলেন। প্রত্যেকের কাছে থাকা ক্যাপল্যাম্প-এর আলো ছিল। প্রথম শিফ্‌টে খনিগর্ভে শ্রমিকরা নেমেছিলেন বেলা ৮টায়। বেলা ৪টায় খনিথেকে উঠে আসার কথা। এদিন শ্রমিকদের ওপরে তোলা হয়েছে প্রায় বেলা সাড়ে ৫টা নাগাদ। কর্তৃপক্ষ জরুরী ভিত্তিতে কিছুক্ষণের জন্য বিদ্যুতের ব্যবস্থা করে এদের খনি থেকে ওপরে তুলে আনে।

দুর্গাপুর ইস্পাত, মিশ্র ইস্পাত, বার্নপুর ইস্কোতে কাজ হয়নি বলা চলে। বয়লার, ফার্নেস ইত্যাদির জন্য দরকার বিদ্যুতের। বিদ্যুৎ ছিলো না। সন্ধ্যার দিকে ধীরে-ধীরে রেল চলাচল স্বাভাবিক হয়। কারখানা, খনি ও স্বাভাবিক হতে শুরু করে।

মতামত
এই খবরটি সম্পর্কে আপনার মতামত
 

আমাদের এই খবরটি সম্পর্কে আপনার মতামত পেলে বাধিত থাকব। তবে যথাযথ যাচাই না করে ২৪ঘন্টার আগে আপনার মতামত ওয়েবসাইটে দেখা যাবে না।

Top
 
Name
Email
Comment
For verification please enter the security code below