জীবন জীবিকার স্বার্থেই নৈরাজ্যের শক্তির
বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানোর আহ্বান কৃষকসভার

নিজস্ব সংবাদদাতা

ডায়মন্ডহারবার, ১১ই আগস্ট — কৃষক, খেতমজুর, জীবন-জীবিকার স্বার্থেই নৈরাজ্যের শক্তির আক্রমণের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াতে হবে। মানুষকে সংগঠিত করেই ঐক্যবদ্ধভাবে আক্রমণের মোকাবিলা করতে হবে। শনিবার ডায়মন্ডহারবারে একথা বলেছেন পশ্চিমবঙ্গ প্রাদেশিক কৃষকসভার সম্পাদক নৃপেন চৌধুরী। ‍‌তিনি বলেছেন, কেন্দ্রের কংগ্রেস, তৃণমূল কংগ্রেস জোট সরকারের নীতির কারণেই কৃষক, খেতমজুরসহ গরিব মানুষের জীবন-জীবিকা আক্রান্ত। রাজ্যজুড়ে সন্ত্রাসের পরিবেশ তৈরির চেষ্টা করছে তৃণমূল কংগ্রেসের জোট সরকার। মানুষের গণতান্ত্রিক অধিকার কেড়ে নিতে চাইছে। আক্রান্ত গরিব-শ্রমজীবী মানুষ।

দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলা কৃষকসভায় আহ্বানে ডায়মন্ডহারবার রবীন্দ্রভবনে আয়োজিত এক সভায় নৃপেন চৌধুরী ছাড়াও বক্তব্য রাখেন প্রবীণ কৃষকনেতা সঞ্জয় পূততুণ্ড, তুষার ঘোষ, কৃষক সমিতির জেলা সম্পাদক অলোক ভট্টাচার্য, প্রভাত মণ্ডল প্রমুখ নেতৃবৃন্দ।

নৃপেন চৌধুরী এরাজ্যের বামপন্থী কৃষক আন্দোলনকে আরও শক্তিশালী করে গড়ে তোলার আহ্বান জানিয়ে বলেছেন, কৃষককে জমি থেকে উচ্ছেদ করার চক্রান্ত চলছে। আক্রান্ত কৃষকের পাশে কৃষকসভার কর্মীদের দাঁড়াতে হবে। সাধারণ মানুষের সঙ্গে নিবিড় যোগাযোগ গড়ে তোলার মধ্যে দিয়ে ঐক্যবদ্ধভাবে আক্রমণের মোকাবিলা করতে হবে। তিনি আরও বলেছেন, এরাজ্যের মন্ত্রীদের ভাতা বেড়েছে। গরিব মানুষের বিধবাভাতা, বার্ধক্য ভাতা বাড়ছে না। মানুষের এই দাবি নিয়ে তীব্র আন্দোলন গড়ে তোলার ডাক দেন তিনি। পঞ্চায়েত, ব্লক স্তরে কৃষক, খেতমজুরদের দাবি-দাওয়ার পাশাপাশি গরিব মানুষের দাবিগুলি নিয়ে ধারাবাহিক আন্দোলন গড়ে তুলতে হবে।

প্রবীণ কৃষকনেতা সঞ্জয় পূততুণ্ড বলেছেন, দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলায় সংগঠনকে আরও শক্তিশালী করে গড়ে তুলতে হবে। কৃষক, খেতমজুরের জীবন-জীবিকা আক্রান্ত। কংগ্রেস, তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বনাশা নীতির বিরুদ্ধে তীব্র আন্দোলন গড়ে তুলতে হবে। এই আন্দোলনে শামিল করতে হবে গরিব শ্রমজীবী মানুষকে।

Featured Posts

Advertisement