আজকের দিনে



 

ছবির খাতা

জনতার ব্রিগেড

আরো ছবি

ভিডিও গ্যালারি

Video

শ্রদ্ধাঞ্জলি

সম্পাদকীয়

 

শতবর্ষে শ্রদ্ধা

আপনার রায়

গরিবের পাশে থেকেছে বামফ্রন্টই

হ্যাঁ
না
জানি না
 

ই-পেপার

Back Previous Pageমতামত

গয়না লুঠ করে যাওয়ার সময়
দৃষ্কৃতীদের হাতে খুন বৃদ্ধা

নিজস্ব প্রতিনিধি

কলকাতা, ২২শে আগস্ট — মঙ্গলবার মাঝরাতে এক বৃদ্ধা খুন হয়েছেন দুষ্কৃতীদের হাতে। ঘটনাটি ঘটেছে চিৎপুর থানা এলাকার পাইকপাড়ায়। বুধবার পুলিস জানিয়েছে, ঐদিন রাত আড়াইটে নাগাদ সম্ভবত ঘটনাটি ঘটেছে। ঐ ফ্ল্যাট বাড়ির এক তলায় বৃদ্ধা একাই থাকতেন। অবসরপ্রাপ্ত ব্যাঙ্ককর্মী বৃদ্ধা ফুলরেণু চৌধুরীর গয়না লুঠ করে যাবার সময় দুষ্কৃতীরা ক্রিকেটের ভাঙা স্ট্যাম্প দিয়ে তাঁর মাথায় আঘাত করে। ঐ আঘাতেই তাঁর মৃত্যু হয়েছে বলে মনে করছে পুলিস। এদিন সকালে ঘটনাস্থলে কলকাতা পুলিসের অন্যতম যুগ্ম–কমিশনার পল্লবকান্তি ঘোষ গিয়েছিলেন। আনা হয়েছিল ‘স্নিপার ডগ’ও।

চিৎপুর থানার পুলিস এবং সি আই ডি ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে। তদন্তের প্রাথমিক অনুমান, দুষ্কৃতীরা সংখ্যায় বেশি ছিল না। সন্দেহ করা হচ্ছে, তারা অবশ্যই এই বাড়িতে আগেও এসেছিল। কারণ তা না হলে সঙ্কীর্ণ গলি পথ ধরে বাড়ির পিছন দিকের লোহার গ্রিল কেটে ঢোকা এক প্রকার অসম্ভব ছিল। দুষ্কৃতীরা বৃদ্ধার গলার সোনার চেন, হাতের বালা লুঠ করে নিয়ে গেছে। তবে ঘরে ঢুকে আলমারি ভাঙার চেষ্টা করেনি। নিয়ে যায়নি আর কোন জিনিস। এর থেকেই পুলিস সন্দেহ করছে এক্ষেত্রে বৃদ্ধা কি চিনতে পেরেছিলেন কোন দুষ্কৃতীকে ? তাই খুন ?

অবসর গ্রহণের পরে গত ছয় বছর যাবৎ বৃদ্ধা পাইকপাড়ায় ২১ / এ / সি ‘মোহ নীড়’ নামে দাদার বাড়িতে একলাই থাকতেন। অনতিদূরেই থাকতেন আত্মীয় পরিজনেরা। মঙ্গলবার রাতে বৃদ্ধার বাড়ি থেকে একটা আওয়াজ শোনেন ওপরতলার বাসিন্দা পার্থ সরকার নামে জনৈক ব্যক্তি। ঐ আওয়াজে তাঁর আশঙ্কা হয় ফুলরেণু চৌধুরীর বাড়িতে কিছু একটা ঘটছে। তিনিই প্রথমে ঐ রাতেই বৃদ্ধার আশপাশের আত্মীয়দের ফোন করেন। কিন্তু তাঁদের কেউই রাতে আসেননি। কিছুক্ষণ বাদে আবার আওয়াজ হওয়ায় তিনি বেরিয়ে এসে দেখেন ওপর তলা থেকে একজন সাদা চাদর গায়ে ঢাকা দিয়ে সামনের গেট দিয়ে বেরিয়ে যাচ্ছে। তখন তিনি আবার বৃদ্ধার আত্মীয়দের ফোন করেন। প্রতিবেশীদেরও ডাকেন। তখনই প্রতিবেশীরা জানতে পারেন ঐ মর্মান্তিক ঘটনার কথা। খবর যায় থানায়। পুলিস এসে তদন্ত শুরু করেছে। তবে এখনো এই খুনের কোন কিনারা হয়নি। পুলিস এই খুনের ঘটনা থেকে আত্মীয় পরিজনেদেরও সন্দেহের বাইরে রাখছে না। সন্দেহের বাইরে নেই কাগজের হকার থেকে শুরু করে কেউই। কারণ যেহেতু বৃদ্ধা একাই থাকতেন সেহেতু কেবল অপারেটর, পাড়ার দোকানদার সকলেরই বাড়িতে আসা যাওয়া ছিল নিয়মিত।

মতামত
এই খবরটি সম্পর্কে আপনার মতামত
 

আমাদের এই খবরটি সম্পর্কে আপনার মতামত পেলে বাধিত থাকব। তবে যথাযথ যাচাই না করে ২৪ঘন্টার আগে আপনার মতামত ওয়েবসাইটে দেখা যাবে না।

Top
 
Name
Email
Comment
For verification please enter the security code below