দেওয়ানদিঘিতে পার্টিনেতা
খুনে অভিযুক্ত ২জনের
জামিন নাকচ হাইকোর্টে

নিজস্ব প্রতিনিধি

কলকাতা, ২২শে আগস্ট — বর্ধমানে সি পি আই (এম) নেতা কমরেড প্রদীপ তা এবং কমরেড কমল গায়েন হত্যা মামলায় দুই আসামীর জামিনের আবেদন প্রত্যাখান করলো কলকাতা হাইকোর্ট। এই হত্যা মামলায় এপর্যন্ত গ্রেপ্তার পাঁচ জন আসামীর মধ্যে বাবু সাঁইসহ তিন জনের জামিন আগেই মঞ্জুর হয়েছিল। আগে এই জামিন মঞ্জুর হওয়ার প্রেক্ষিতেই বুধবার বাকি দুই জনেরও জামিনের আবেদন করা হয়েছিল। সেই আবেদন সরাসরি নাকচ করেছে কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতির ডিভিসন বেঞ্চ। এদিন সকালে প্রধান বিচারপতি জয়নারায়ণ প্যাটেল এবং বিচারপতি জয়মাল্য বাগচীর এজলাসে আসামী ছোটন চক্রবর্তী এবং সুরজিৎ দাসের জামিনের আবেদন করা হয়। সেই আবেদনের বিরোধীতা করেন আবেদ আলি। আবেদ আলির পক্ষে আইনজীবী সুব্রত মুখোপাধ্যায় জোরালো সওয়াল করেন। তিনি বলেন, এদের বিরুদ্ধে সি আই ডি-র তদন্ত সাপেক্ষেই সাক্ষ্য প্রমাণের ভিত্তিতেই গ্রেপ্তার করা হয়। পুলিস প্রশাসন তাদের একপ্রকার বাধ্য হয় গ্রেপ্তার করতে। আদালত সপ্তাহ দুই আগে একই মামলায় গ্রেপ্তার অপর তিন আসামীর জামিন মঞ্জুর করলেও তা কখনই প্রশ্নাতীত নয়। উল্লেখ্য, সি পি আই (এম) নেতা কমরেড প্রদীপ তা এবং কমরেড কমল গায়েন হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার হওয়া সকলেই তৃণমূল কর্মী। ধৃত ছোটন চক্রবর্তী এবং সুরজিৎ দাসের বাড়ি দেওয়ান দিঘির মির্জাপুর গ্রামে। দুজনেই দাগী দুষ্কৃতী। বহু ‌অপরাধের ঘটনায় যুক্ত এই অপরাধীদের নাম রয়েছে পুলিসের খাতায়।

প্রধান বিচারপতি জয়নারায়ণ প্যাটেল এবং বিচারপতি জয়মাল্য বাগচী আইনজীবী সুব্রত মুখোপাধ্যায়ের বক্তব্য শোনেন এবং যে তিন আসামীর আগে জামিন মঞ্জুর হয়েছে তার রায় খতিয়ে দেখে আদালতেই বিস্ময় প্রকাশ করে বলেন, কীভাবে এদের জামিন গ্রাহ্য হলো। তারপরই তাঁরা এদিন আসামী ছোটন চক্রবর্তী এবং সুরজিৎ দাসের জামিনের আবেদন অগ্রাহ্য করেছেন। নিহত কমরেড প্রদীপ তা’র স্ত্রীর পক্ষের আইনজীবী ছিলেন তাপস মাইতি এবং ভাইয়ের পক্ষের আইনজীবী ছিলেন নিশিথ অধিকারী।

Featured Posts

Advertisement