পেনাল্টি ফস্কে পয়েন্ট
খোয়ালো মহামেডান

নিজস্ব প্রতিনিধি

কলকাতা, ২২শে আগস্ট— গোল নষ্টের খেসারত দিল মহামেডান। সহজ তিন পয়েন্টের পরিবর্তে হাতে এল এক পয়েন্ট। ক্যালকাটা পোর্ট ট্রাস্টের সঙ্গে গোলহীন ড্র করলো। দোষের ভাগীদার হলেন জয়ন্ত সেন।

প্রথমার্ধ এবং দ্বিতীয়ার্ধ মিলিয়ে প্রায় ডজনখানেক সুযোগ ফস্কেছেন অ্যালফ্রেড জারিয়ান, অসীম বিশ্বাসরা। ৫৭মিনিটে পেনাল্টি বক্সের মধ্যে অ্যালফ্রেডের উপর ঝাঁপিয়ে পড়ে ফাউল করেন পোর্টের ডিফেন্ডার সুকমল সাঁতরা। মহামেডানকে পেনাল্টিও দেন রেফারি অজিত দত্ত। কিন্তু জয়ন্ত সেনের নেওয়া শট সোজা ক্রসবারে লেগে ফিরে আসে। প্রাণ ফিরে পায় ক্যালকাটা পোর্ট ট্রাস্ট। জয়ন্ত পেনাল্টি শট নেওয়ায় মহামেডানের কোচ অলোক মুখার্জি অবশ্য বিস্মিত। ম্যাচ শেষে সেই বিস্ময় থেকেই জানান, ‘সাধারণত অ্যালফ্রেড পেনাল্টি শট নেয়। জয়ন্ত কেন নিল বুঝতে পারলাম না। তবে জয়ন্ত তো ভালোই পেনাল্টি শ্যুট করে।’ কিন্তু এতে সমর্থকদের মন ভরার কথা নয়। অত্যন্ত বিরক্তির সঙ্গেই মাঠ ছাড়েন সমর্থকরা।

গোল না পেলেও মহামেডান একেবারে ব্যর্থ হয়নি। ডিফেন্সকে আঁটোসাঁটো করে বেঁধে রেখেছিলেন ধনরাজন, কিংশুক, শেক আজিম, ফুলচাঁদ হেমব্রমরা। মাঝমাঠও সমানভাবে জমাট ছিল। মাঝমাঠ থেকে ফরোয়ার্ডে বলের জোগান ছিল নিয়মিত। কিন্তু মাঠের শেষপ্রান্তে পৌঁছে ব্যর্থ হয়েছেন অ্যালফ্রেড জারিয়ান, অসীম বিশ্বাসরা। পূর্ণতা দিতে পারেননি একটি পাসকেও। ম্যাচ শেষে তাই মহামেডান কোচ ক্ষোভ উগরে দিয়ে বলেন, ‘কোচ তো আর গোল করা শেখাতে পারে না। মাঠের বাইরে অনুশীলন করাতে পারে। মরসুমের প্রথম ম্যাচে জয় পেলে, বাকি মরসুমটা ভালো হয়।’ সঙ্গে এও জানান, ‘একটা গোল পেলেই ফর্মে ফিরে আসবে গোটা দল।’ ম্যাচ ড্র হওয়ায় খুশি ক্যালকাটা পোর্ট ট্রাস্টের কোচ মনোরঞ্জন ভট্টাচার্য। রেফারির পেনাল্টি মানতে না পারলেও, ম্যাচ নিয়ে খুশি। এবং মহামেডানের মতো শক্তিশালী দলের বিরুদ্ধে ছেলেরা যেভাবে খেলেছে তাতে ফুটবলারদের প্রশংসাও করেন তিনি।

Featured Posts

Advertisement