আজকের দিনে



 

ছবির খাতা

জনতার ব্রিগেড

আরো ছবি

ভিডিও গ্যালারি

Video

শ্রদ্ধাঞ্জলি

রাজ্য

জাতীয়

আন্তর্জাতিক

কলকাতা

জেলা

খেলা

সম্পাদকীয়

 

শতবর্ষে শ্রদ্ধা

আপনার রায়

গরিবের পাশে থেকেছে বামফ্রন্টই

হ্যাঁ
না
জানি না
 

ই-পেপার

Back Previous Pageমতামত

রক্তচক্ষুকে পাত্তা না দিয়ে
স্তব্ধ রাজ্য

নিজস্ব প্রতিনিধি

কলকাতা, ২০শে সেপ্টেম্বর— সর্বাত্মক ধর্মঘটে স্তব্ধ হলো গোটা রাজ্য। হুমকি, হামলা রুখেই বৃহস্পতিবার ১২ঘণ্টার ধর্মঘটকে সফল করলেন এ রাজ্যের মানুষ।

পেট্রোপণ্যের মূল্যবৃদ্ধি, খুচরো ব্যবসায় বিদেশী বিনিয়োগ সহ কেন্দ্রের একের পর এক জনবিরোধী নীতির বিরুদ্ধে পশ্চিমবঙ্গের সব অংশের মানুষ এদিন প্রতিবাদ জানালেন। ধর্মঘটে শ্রমিক কর্মচারীরা যেমন অংশ নিলেন তেমনই কৃষক, খেতমজুররাও কৃষি কাজে না নেমে জানিয়ে দিলেন এই হরতালে তাঁদের সমর্থনের কথা। কেন্দ্রের সর্বনাশা নীতির প্রতিবাদে এদিন দোকান বাজারও বন্ধ ছিল। ছাত্র, যুব, শিক্ষক, মহিলারাও এই ধর্মঘটে অংশ নেওয়ায় জনজীবনে এই ধর্মঘটের ব্যাপক প্রভাব পড়ে। শুধু কাজে যোগ না দিয়ে ধর্মঘট সফল করাই নয়, এদিন মিছিল করে, অবস্থান বিক্ষোভে অংশ নিয়েই বামফ্রন্টের ডাকা হরতালকে সর্বাত্মক চেহারা দিলেন এ রাজ্যের মানুষ। এদিন সকালে কলকাতায় বামফ্রন্ট চেয়ারম্যান বিমান বসু সহ বামফ্রন্টের অন্যান্য নেতৃবৃন্দও হরতালের সমর্থনে মিছিলে অংশ নেন।

হরতাল ভাঙার জন্য গত কয়েকদিন ধরেই হুমকি দিচ্ছিল রাজ্যের তৃণমূল জোট সরকার। ধর্মঘট ভাঙার জন্য তৃণমূলের কর্মীরা বৃহস্পতিবার বেশ কিছু জায়গায় হামলাও চালায়। সি পি আই (এম) সহ বামফ্রন্টের বেশ কয়েকজন নেতা ও কর্মী এই হামলায় জখমও হন। বেশকিছু জায়গায় পুলিসও সি পি আই (এম) সহ বামফ্রন্টের কর্মী সমর্থকদের উপর হামলা চালায় এবং অনেককে গ্রেপ্তারও করে। ধর্মঘটে অংশ নেওয়ার জন্য এদিন কলকাতায় ৪৪জন সহ রাজ্যে মোট ৬৬৬জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলে পুলিস সূত্রে খবর। ধৃতদের মধ্যে অধিকাংশই বামফ্রন্টের নেতা ও কর্মী। যাঁদের মধ্যে পার্টির আসানসোল জোনাল কমিটির সম্পাদক পার্থ মুখার্জি, বৈদ্যবাটি জোনাল কমিটির সম্পাদক কমলেশ চৌধুরী প্রমুখ নেতৃবৃন্দও রয়েছেন।

এদিনের হরতাল কতটা সর্বাত্মক চেহারা নিয়েছিল তা আরো একটি তথ্য থেকেও স্পষ্ট। সকাল সাড়ে এগারোটা নাগাদ যে সময় কাজের চাপ সবচেয়ে বেশি থাকে, বৃহস্পতিবার সেই সময় সি ই এস সি এলাকায় অন্যান্য দিনের তুলনায় বিদ্যুতের চাহিদা ৩৩৫মেগাওয়াট কম ছিল। রাজ্য বিদ্যুৎ পর্ষদ এলাকায় দিনের সবচেয়ে কর্মব্যস্ত সময়ে বিদ্যুতের চাহিদা ছিল ১০৭৪মেগাওয়াট কম।

এদিনের ধর্মঘটে রাজ্যের সর্বত্রই পথঘাট ছিল শুনশান। কিছু সরকারী বাস চললেও পথে অন্যান্য যানবাহনের দেখা মেলেনি বললেই চলে। পরিবহন মন্ত্রী মদন মিত্র নানা হুমকি দেওয়া সত্ত্বেও অধিকাংশ বেসরকারী বাসই এদিন পথে নামেনি। হাতে গোনা কিছু বেসরকারী বাস পথে নামলেও তা প্রায় ফাঁকাই ছিল। অন্যান্যদিন দিনে ট্রাম কোম্পানির ১১০টি বাস চলেও। এদিন পথে নামে মাত্র ৫৭টি বাস। এস বি এস টি সি-র বাসও অন্যান্য দিনের তুলনায় কম ছিল। পথে ট্যাক্সি, অটো, ট্রাক সহ অন্যান্য যানবাহনও চোখে পড়েনি। হরতাল সমর্থকদের অবরোধে শিয়ালদহ দক্ষিণ শাখার ডায়মণ্ডহারবার, লক্ষ্মীকান্তপুর, নামখানা লাইনে ট্রেন চলাচল বন্ধ ছিল। অবরোধের কারণে হাওড়া ডিভিসনে ব্ল্যাক ডায়মণ্ড এবং গণদেবতা এক্সপ্রেস অনেক দেরিতে ছাড়লেও ব্ল্যাক ডায়মণ্ড এক্সপ্রেসকে অবরোধের জন্য লিলুয়া থেকে ফের হাওড়ায় ফিরিয়ে আনতে হয়। অনেক পরে অবরোধ উঠলে ফের ট্রেন ছাড়ে। অবরোধের ফলে মালদহের আদিনা স্টেশনে শতাব্দী এক্সপ্রেস, বালুরঘাট এক্সপ্রেস, পুরী এক্সপ্রেস, কাটিহার ডি এম ইউ এবং আনিদা প্যাসেঞ্জার আটকে পড়ে। অন্যান্য লাইনে ট্রেন ও মেট্রোরেল চললেও তা-ও ছিল কার্যত যাত্রীশূন্য। হুগলী নদীর ফেরি সার্ভিসও প্রায় মুখ থুবড়ে পড়ে। হুগলী নদী জলপথ পরিবহনে এদিন মাত্র ১৫জন কর্মী কাজে যোগ দেন। হাতেগোনা কর্মীদের দিয়ে দু’একটি লঞ্চ চালানোর চেষ্টা হয়। বাধাঘাট-আহিরীটোলা ফেরি সার্ভিস, কল্যাণপুর ফেরি সার্ভিস একেবারেই বন্ধ ছিল। রামকৃষ্ণপুর ঘাট ও শিবপুর ঘাটে কয়েকটি লঞ্চ চালানোর চেষ্টা হলেও তাতে লোকজন চোখে পড়েনি।

ধর্মঘটের সমর্থনে রাজ্যের সমস্ত প্রান্তেই দোকান, বাজারও ছিল বন্ধ। কিছু জায়গায় হুমকি দিয়ে, হামলা চালিয়ে তৃণমূলের নেতা কর্মীরা হাতেগোনা কিছু দোকান, বাজার খুললেও সেখানে সারাদিন ধরে কার্যত মাছি তাড়াতে হয়েছে। ব্যাঙ্ক, বীমা, বি এস এন এল-র মতো প্রায় সব কেন্দ্রীয় সরকারী দপ্তর, সওদাগরি অফিসসহ রাজ্যের বেসরকারী অফিসগুলিতে এদিন কোনো কাজ হয়নি বললেই চলে। হরতালের বিরোধিতা করে রাজ্য সরকার তার দপ্তর ও অফিসগুলি খোলা রাখলেও বেশিরভাগ জায়গাতেই কর্মী সংখ্যা ছিলো নগণ্য। এদিন মহাকরণে ৮৮শতাংশ কর্মী উপস্থিত ছিলেন বলে মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি দাবি জানালেও সারাদিন ধরে মহাকরণের চেহারা কিন্তু মুখ্যমন্ত্রীর এই দাবির সত্যতা নিয়েই প্রশ্ন তুলে দিয়েছে। চাকরি-ছেদ ও বেতনকাটার হুমকি সত্ত্বেও জেলার রাজ্য সরকারী দপ্তরগুলিতেও কর্মীসংখ্যা ছিল কম। কোথাও বা মাত্র ২০ থেকে ৩০শতাংশ কর্মচারীকে কাজে যোগ দিতে দেখা গেছে।

রাজ্যের শিল্পাঞ্চল, উত্তরবঙ্গের চা বলয়েও ধর্মঘটের প্রভাব ছিল ব্যাপক। ৭৫শতাংশের বেশি চা শ্রমিক এদিন ধর্মঘটে অংশ নেন। বিধাননগরের সেক্টর ফাইভেও ধর্মঘটে অভূতপূর্ব সাড়া মিলেছে। সেখানে কোনো সংস্থাতেই ২০ থেকে ২৫শতাংশের বেশি কর্মী উপস্থিত ছিলেন না। আই টি ক্ষেত্রে ১৫০০০জন কর্মীর মধ্যে এদিন মাত্র ৭৪৫জন কাজে যোগ দেন। কলকাতা বন্দরে ৫০শতাংশ এবং হলদিয়া বন্দরে হরতালে অংশ নেন ৭০শতাংশ শ্রমিক। অনেক চটকল সম্পূর্ণ বন্ধ ছিল। খোলা চটকলগুলির বেশিরভাগ জায়গাতেই কাজে যোগ দেননি ৭০শতাংশ শ্রমিক। কয়েকটি চটকলে উপস্থিতি ছিল ৫০শতাংশ। ধর্মঘটে হকার, মুটিয়া, নির্মাণ কর্মী, আই সি ডি এস, আশা, পৌরস্বাস্থ্যকর্মী, মিড ডে মিল কর্মীদের অংশগ্রহণ ছিল সর্বাত্মক। ইন্ডিয়ান অয়েল, ও এন জি সি, অয়েল ইন্ডিয়া, বি পি সি এল এবং এইচ পি সি এল-এ ধর্মঘট ছিল প্রায় ১০০ শতাংশ সফল।

সরকারের হুমকি উপেক্ষা করে ধর্মঘটে সাধারণ মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ দেখে ভীত সন্ত্রস্ত তৃণমূল কর্মীরা এদিন রাজ্যের নানা প্রান্তে হামলাও চালায়। যেমন, উত্তর ২৪ পরগনার নৈহাটিতে সি পি আই (এম) কর্মীরা ধর্মঘটের সমর্থনে অবস্থান বিক্ষোভ করার সময় বাঁশ রড নিয়ে হামলা চালায় তৃণমূল। এই হামলায় পার্টির জেলা কমিটির সদস্যা গার্গী চ্যাটার্জি সহ মোট ১২জন জখম হন। একইরকমভাবে তৃণমূলের হামলায় খড়দায় ৩জন, বনগাঁয় ৩জন এবং নিমতায় ১জন সি পি আই (এম) কর্মী জখম হয়েছেন। এই হামলার প্রতিবাদে এদিন রাতে নৈহাটিতে বড় মিছিলও হয়। বাঁকুড়ার বড়জোড়ায় সি পি আই (এম) পখন্না-২ আঞ্চলিক কমিটির দপ্তরে তৃণমূল হামলায় আহত হন ২জন সি পি আই (এম) কর্মী। বর্ধমানে বিরাটা হাউজিংয়ের কাছে পার্টির এক শাখা দপ্তরে হামলা চালিয়ে ভাঙচুরের পাশাপাশি তৃণমূলী হামলাকারীরা পার্টির দুই জেলা কমিটির সদস্য শৌভিক চট্টরাজ এবং দিলীপ দুবেকেও মারধর করে। জলপাইগুড়ি জেলার আলিপুরদুয়ারে বিবেকানন্দ গ্রাম পঞ্চায়েত অফিসের সামনে তৃণমূল কর্মীরা হরতাল সমর্থক জেরিনা বিবিকে ব্যাপক মারধর করে হাত ভেঙে দেয়, তাঁর শ্লীলতাহানিরও চেষ্টা করে। কলকাতায় সিঁথিতে তৃণমূলের কাউন্সিলর শান্তনু সেনের নেতৃত্ব তৃলমূলীরা হামলা চালালে পার্টির আঞ্চলিক কমিটির সদস্য বিমল সরকার, রঞ্জিত মুখার্জি, রাজা মুখার্জিসহ আরো কয়েকজন আহত হন। তৃণমূলের এই হামলাকারীরাই এরপর মিছিল করে ফোয়ারার মোড়ে গিয়ে মনোজ সাঁতরা, বুজু সহ বেশ কিছু পার্টিকর্মীকে মারধর। যাদবপুর বিধানসভার বাঁশদ্রোণী এলাকায় চিরন্তনী পার্কে তৃণমূলের হামলায় জখম হন এস এফ আই দক্ষিণ ২৪পরগনা জেলা কমিটির সদস্য অরিজিৎ দত্ত। এই হামলার সময়েই দক্ষিণ যাদবপুর ৩নম্বর আঞ্চলিক কমিটির সম্পাদক প্রদীপ দত্ত, মহিলা সমিতির নেত্রী প্রীতিকণা বোস সহ কয়েকজন মহিলাকেও মারধর করে তৃণমূল। হাওড়াতেও বকুলতলা, আমতলা সহ বেশ কিছু জায়গায় ধর্মঘট ভাঙার চেষ্টায় সি পি আই (এম)র অবস্থান বিক্ষোভ ও মিছিলে হামলা চালায় তৃণমূল। কোচবিহারের বিভিন্ন জায়গায় হরতাল ভাঙার চেষ্টায় তৃণমূল কার্যত তাণ্ডব চালায়। সি পি আই (এম)সহ বামফ্রন্টের কর্মী সমর্থকদের উপর হামলা চালানোর পাশাপাশি সেখানে রাজ্যের জোট শরিক এস ইউ সি-র কর্মী সমর্থকদেরও বেধড়ক মারধর করে তৃণমূল।

এদিন কলকাতার অধিকাংশ অটো-রুটই বন্ধ ছিল। বিশেষ করে যে অটো-রুটগুলি বামপন্থীদের ডাকা বন্ধে তৃণমূলী ইউনিয়ন জোর করে খোলা রাখে, যেমন শিয়ালদহ থেকে বড়বাজার, ধাপা, বৈশালী, বেলেঘাটা ইত্যাদি রুটেও অটো চলেনি। কিছু অটো তৃণমূলের ঝাণ্ডা লাগিয়ে চললেও রাস্তায় মানুষ না থাকায় বেলা বাড়তেই সেগুলিও বন্ধ হয়ে যায়। ৪২নম্বর রুট সহ কয়েকটি রুটে তৃণমূলীরা বাস চালাবার চেষ্টা করলেও যাত্রীর অভাবে তাও বন্ধ হয়ে যায়।

কলকাতার গার্ডেনরিচ-মেটিয়াব্রুজ, তারাতলা, বেলেঘাটা, কাশীপুর বেলগাছিয়া এলাকার সমস্ত কারখানা বন্ধ ছিল। মধ্য-পূর্ব কলকাতার ছোট সব কারখানা বন্ধ ছিল। বড় কারখানাগুলিতে অধিকাংশতেই উপস্থিতির হার ৫০শতাংশের কম ছিল। গার্ডেনরিচ শিপ বিল্ডার্স-এ তৃণমূলী হুমকি ভয় দেখানো সত্ত্বেও মাত্র ৪০শতাংশ উপস্থিতি ছিল। সি ই এস সি-র জরুরী বিভাগ ছাড়া সাধারণ দপ্তরগুলিতে ২৫শতাংশও কর্মীরা আসেননি। কলকাতা কর্পোরেশন জরুরী বিভাগ ছাড়া অন্যান্য বিভাগ এবং সদর দপ্তরে মাত্র ৫০শতাংশ কর্মী উপস্থিত ছিলেন। গড়িয়াহাট মার্কেট, খিদিরপুর অরফানগঞ্জ বাজার, ফ্যান্সি মার্কেট, কালীঘাট হকার্স কর্নার, শিয়ালদহের কোলে মার্কেট, বৈঠকখানা বাজার, কলেজ স্ট্রিট বই পাড়া, প্রেস, ডিমপট্টি, পাঞ্চিং কারখানা, কাগজের পাইকারি বাজার সহ সবই বন্ধ ছিল।

হাওড়া ও হুগলীর শিল্পাঞ্চলেও এদিন হরতালে ভালো সাড়া মিলেছে। উত্তরপাড়া থেকে বাঁশবেড়িয়া পর্যন্ত ছোট ও মাঝারি সব কারখানা বন্ধ ছিল। বড় কারখানাগুলিতে কর্মী সংখ্যা ছিল নগণ্য। যেমন শালিমার করখানায় মাত্র ১৫জন কর্মী যোগ দেন। বেশিরভাগ চটকল, জি এম কটন-ও ছিল বন্ধ। এরই মাঝে এদিন তারকেশ্বরে রাজ্যের মন্ত্রী রচপাল সিংয়ের নেতৃত্বে তৃণমূলের এক বিশাল বাইকবাহিনী গ্রামে গ্রামে হুমকি দেয়। পার্টির পতাকা ও পোস্টার ছিঁড়ে দেয়।

দক্ষিণ ২৪পরগনার বিষ্ণুপুর শিল্পাঞ্চলে এদিন কোনো কারখানাই খোলেনি। প্রায় ৭০শতাংশ কর্মী কাজে যোগ না দেওয়ায় ফলতা শিল্পাঞ্চলও কার্যত স্তব্ধ হয়ে পড়ে। বজবজ, মহেশতলা শিল্পাঞ্চলেও প্রায় ৮০শতাংশ শ্রমিক ধর্মঘটে অংশ নেন। ধর্মঘটের সমর্থনে দুর্গাপুর শিল্পাঞ্চলেও ছিল দারুণ সাড়া। স্তব্ধ ছিল নদীয়ার কল্যাণী শিল্পাঞ্চল। তবে তৃণমূল মারাত্মক সন্ত্রাসের পরিবেশ তৈরি করায় এবং এর আগের ধর্মঘটে অংশ নেওয়ার জন্য প্রচুর ঠিকা কর্মীকে পরবর্তী সময়ে কাজে যোগ দিতে না দেওয়ায় আতঙ্কের কারণেই এদিন হলদিয়া শিল্পাঞ্চলে শ্রমিকদের উপস্থিতি কিছুটা বেশি ছিল।

মতামত
এই খবরটি সম্পর্কে আপনার মতামত
 

আমাদের এই খবরটি সম্পর্কে আপনার মতামত পেলে বাধিত থাকব। তবে যথাযথ যাচাই না করে ২৪ঘন্টার আগে আপনার মতামত ওয়েবসাইটে দেখা যাবে না।

Top
 
Name
Email
Comment
For verification please enter the security code below