প্রবল বর্ষণে বিপর্যস্ত উত্তরবঙ্গ

মৃত্যু ৬ জনের, জলমগ্ন গ্রাম-শহর, নদী ফুঁসছে<br> সরকার কোথায়, প্রশ্ন মিশ্রের

নিজস্ব সংবাদদাতা

শিলিগুড়ি, ১২ই আগস্ট — প্রবল বর্ষণের জেরে উত্তরবঙ্গের জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। বিভিন্ন নদীর জল ক্রমশ বাড়ছে। প্লাবিত এলাকা ও বানভাসি মানুষের সংখ্যা ক্রমশ বাড়ছে। গত ৪৮ঘণ্টা ধরে উত্তরবঙ্গে ভারী বৃষ্টির ফলে ৬ জনের প্রাণহানি ঘটেছে। দার্জিলিঙে ২ জন, কোচবিহারে একজন এবং জলপাইগুড়িতে ৩ জনের প্রাণহানি হয়েছে। দার্জিলিঙ শহরের কাছে শুক্রবার রাতে গড্ডিখানে তিনটি বাড়ি ভেঙে পড়ে। বাড়ি ভেঙে চাপা পড়ে নরবু তামাঙ (৭৮) এবং মনকুমারী রাই (৫১)-র মৃত্যু হয়েছে। একজনকে গুরুতর জখম অবস্থায় উদ্ধার করা হয়েছে। তাঁকে দার্জিলিঙ সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। ধূপগুড়িতে জলে বিদ্যুৎবাহী তার পড়ে থাকায় সাকোয়াঝোরা দুই নম্বর গ্রাম পঞ্চায়েতের গোঁসাইর হাট গ্রামে পুণ্যধর রায় নামে এক ব্যক্তির মৃত্যু হয়। জলপাইগুড়ি শহরতলির জয়পুর লাগোয়া মালপানি পাড়ায় কমলেন্দু রায় (১২) ও হরকুমার রায় (৫)-এর পুকুরের জলে ডুবে মৃত্যু হয়েছে। গাদং ২নম্বর গ্রামপঞ্চায়েতের ঘাটপাড় এলাকায় নৌকা করে মানুষকে উদ্ধার করে নিয়ে আশার সময় নৌকা উলটে যাওয়ায় ১১ জন জলে ভেসে যান। তাঁদের মধ্যে একজন বাদে বাকিরা সাঁতরে এবং উদ্ধারকারী মানুষের সহযোগিতায় জল থেকে উঠে আসতে সক্ষম হন। নিখোঁজ ব্যক্তির সন্ধান মেলেনি। কোচবিহারের তুফানগঞ্জ মহকুমার বলরামপুর এলাকায় কলার ভেলা থেকে জলে পড়ে গিয়ে নোয়াগাঁও স্কুলের নবম শ্রেণির ছাত্র তুষার কর্মকারের মৃত্যু হয়েছে। কোচবিহার ১ ও ২ নং ব্লকের তোর্ষা ও কালজানি নদী সংলগ্ন এলাকাগুলির পরিস্থিতি ভয়াবহ। বন্যা পরিস্থিত সবচেয়ে ভয়াবহ আকার নিয়েছে মাথাভাঙা মহকুমায়। মাথাভাঙা শহরের ১২টি ওয়ার্ড জলমগ্ন হয়ে পড়েছে। কোচবিহার শহরের বিস্তীর্ণ এলাকা জলমগ্ন।

পাহাড়ে বৃষ্টির দরুন সমতলের নদীগুলিতে ব্যাপক জলস্ফীতি ঘটেছে। কোথাও কোথাও বিপদসীমা ছুঁয়ে জল বইছে। শনিবার সকাল থেকে হালকা ও মাঝারি ধরনের বৃষ্টি চলছে। আবহাওয়াদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, আগামী আরও চারদিন উত্তরের এই অঞ্চলে ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।

এদিন সি পি আই (এম) রাজ্য সম্পাদক সূর্য মিশ্র বলেন, বন্যায় উত্তর ভাসছে, দক্ষিণ ডুবছে। সরকার কোথায়? বন্যাত্রাণের অপ্রতুলতা ও দুর্গতদের পাশে না দাঁড়ানোর রাজ্য সরকারের ভূমিকার তীব্র সমালোচনা করে মিশ্র বলেন,উত্তরবঙ্গে বন্যা পরিস্থিতির অবনতি ঘটছে। দক্ষিণবঙ্গের পরিস্থিতিও উদ্বেগজনক। দুর্গতদের জন্য ত্রাণ অপ্রতুল। রাজ্য সরকার ত্রাণের কাজে ব্যর্থ হলেও সি পি আই (এম) কর্মীদের বন্যা দুর্গতদের পাশে দাঁড়াতে হবে। দুর্গতদের প্রতি সর্বতোভাবে সহায়তার হাত বাড়িয়ে দিতে হবে।

দার্জিলিঙের পাঙ্খাবাড়ির রাস্তায় বিরাট ধস নেমেছে। প্রায় পাঁচশো মিটার রাস্তা ধুয়ে গেছে। কালিম্পঙ যাবার রাস্তায় বেশ কিছু জায়গা চলাচলের পক্ষে বিপজ্জনক হয়ে পড়েছে। বৃষ্টির জেরে রেল লাইনের ওপর দিয়ে জল প্রবাহিত হবার দরুন নিউ জলপাইগুড়ি স্টেশনে ট্রেন চলাচল ব্যাহত হয়েছে। চারটি লোকাল যাত্রীবাহী ট্রেন বাতিল করা হয়েছে।

প্রবল বৃষ্টির জেরে শিলিগুড়ি শহরের মধ্যে দিয়ে বয়ে যাওয়া মহানন্দা নদীতেও জল বেড়েছে। নদীর দুপাশ জুড়ে বসবাসকারী মানুষদের সতর্ক করা হয়েছে। শিলিগুড়িতে গত ২৪ঘণ্টায় ৯২.৪ মিলিমিটার বৃষ্টি হয়েছে। বালাসন, জোরাপানি, মহিষমারি, পঞ্চনই ও ফুলেশ্বরী নদীতেও জল বেড়েছে। সেবক রোডে একটি শপিংমলের কাছে শুক্রবার রাতে গাছ ভেঙে পড়ার দরুন যান চলাচলে বিঘ্ন ঘটে। বিদ্যুৎবাহী তারের ওপর গাছের ডাল ভেঙে পড়লে বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে। খবর পেয়ে দ্রুত সেখানে পৌঁছে যান পৌর কর্পোরেশনের কর্মীরা। সুভাষপল্লিতেও গাছ পড়ে একই পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। শিলিগুড়ি সংলগ্ন ফকদইবাড়িতে প্রায় দুশ বাড়ি জলমগ্ন হয়ে পড়েছে। হাতিয়াডাঙ্গাও জলমগ্ন।

নকশালবাড়ি, বাগডোগরা, ফাঁসিদেওয়া প্রভৃতি অঞ্চল পরিদর্শন করেছেন মহকুমা পরিষদের সভাধিপতি তাপস সরকার। বাগডোগরাতে এশিয়ান হাইওয়ে ২ নির্মাণ কাজের দরুন নিকাশি ব্যবস্থা বেহাল হয়ে পড়েছে। বাগডোগরার স্টেশনপাড়া, আপার বাগডোগরা, ত্রৈলক্যনগর, বিহার মোড় প্রভৃতি এলাকা জলমগ্ন হয়ে পড়েছে। স্থানীয় হুলিয়া নদীতেও জল বেড়েছে। নকশালবাড়ির সাতভাইয়া, রথখোলা, রায়পাড়া, শালবস্তি, তোতাপাড়ায় জল জমেছে। নন্দপ্রসাদ বালিকা বিদ্যালয়ে অস্থায়ীভাবে থাকার ব্যবস্থা করা হয়েছে বলে জানান নকশালবাড়ি গ্রাম পঞ্চায়েত প্রধান রাধাগোবিন্দ ঘোষ। বাগডোগরা ও নকশালবাড়ি এলাকার চা বাগানগুলিতেও জল জমেছে। ফুলবাড়ি বাইপাসে ভোজনারায়ণ চা বাগানের সাথে সংযোগরক্ষাকারী সেতু ভেঙে পড়েছে বলে জানা গেছে।

শুক্রবার রাত থেকে প্রবল বর্ষণে জলপাইগুড়ি জেলার মালবাজার মহকুমা ও রাজগঞ্জ ব্লকের উত্তর ও দক্ষিণ মিলনপল্লির বিস্তীর্ণ এলাকা প্লাবিত হয়েছে। শনিবার দুপুরে তিস্তা ব্যারেজ থেকে ৩৯৪৩.৯৩ কিউসেক জল ছাড়া হয়েছে। ২৭টি লকগেট খুলে রাখা হয়েছে। ফলে মিলনপল্লির একটা বড় অংশ প্লাবিত হয়েছে। তিস্তাপাড়ের মিলনপল্লি, চাপাডাঙ্গা, বাসুসুবাসহ একাধিক গ্রামে শুক্রবার রাত থেকে তিস্তার জল ঢুকতে শুরু করে। শনিবার বিকাল পর্যন্ত প্রায় ১৫বিঘা কৃষি জমি তিস্তা নদীগর্ভে চলে গেছে। মাল ব্লকের চাঁপাডাঙ্গা বাঁধ বিপজ্জনক হয়ে পড়েছে। বেশ কয়েকটি বাড়ি ও কৃষিজমি নদীগর্ভে চলে গেছে। গজলডোবার বিস্তীর্ণ এলাকাও জলের তলায়। প্রবল বৃষ্টিতে চেল, ঘিষ, লিস নদীর জল অস্বাভাবিক বেড়ে যাওয়ায় বিপদের সৃষ্টি হয়েছে। ঘিষ নদীর জলে রেলওয়ে ও সড়ক সেতু প্রায় ছুঁই ছুঁই করছে। জলঢাকা নদীতেও জলস্ফীতি ঘটায় নাগরাকাটায় বেশ কিছু বাড়ি জলমগ্ন হয়ে পড়েছে। জলপাইগুড়ি শহরতলির জয়পুর লাগোয়া মালপানি পাড়ায় খেলতে গিয়ে কমলেন্দু রায় (১২) ও হরকুমার রায় (৫)-এর পুকুরের জলে ডুবে মৃত্যু হয়েছে। এরা সম্পর্কে কাকা ও ভাইপো।

শুক্রবার রাত থেকে জলপাইগুড়ি শহরের গোটা পৌরএলাকা জলমগ্ন হয়ে পড়ে। পান্ডাপাড়া, অশোকনগর, মহামায়াপাড়া, কংগ্রেসপাড়া, চুনীলাল রোড, নিউটাউনপাড়া, পরেশমিত্র কলোনি, আনন্দপাড়া, বৌবাজার, কদমতলা, ডিবিসি রোড, হাসপাতাল পাড়া, রায়কতপাড়াসহ বিভিন্ন এলাকা জলমগ্ন হয়ে পড়ে। শহরের মধ্যে দিয়ে প্রবাহিত করলা নদীতে জলস্ফীতির দরুন দিনবাজার এলাকায় শনিবার সকাল থেকেই কোমর সমান জল দাঁড়িয়ে যায়। সকালে বামফ্রন্টের কাউন্সিলররা শহরের ২৫টি ওয়ার্ড ঘুরে দুর্গত মানুষদের সাথে কথা বলেন। বামফ্রন্টের কাউন্সিলর প্রদীপ দে, দুর্বা ব্যানার্জি, কাবেরী চক্রবর্তীরা জানান, জলপাইগুড়ি পৌর প্রশাসন অপরিকল্পিতভাবে নিকাশি ব্যবস্থার কাজ করার দরুন শহর জলবন্দি হয়ে পড়েছে। বৃষ্টির জেরে জলপাইগুড়ি রাষ্ট্রীয় বালিকা বিদ্যালয়ের প্রায় ৭মিটার প্রাচীর ভেঙে পড়েছে। মাত্র কয়েকমাস আগেই এই প্রাচীরটি তৈরি করা হয়েছিল। জলপাইগুড়ি সদর হাসপাতালের ভেতরেও জল জমেছে। হাসপাতালের ভেতরে গাছ উপড়ে পড়ার দরুন বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ রয়েছে। গোটা শহর জুড়েই বিদ্যুৎ বিভ্রাট চলছে। তিস্তা নদীর অসংরক্ষিত অঞ্চল ও জলঢাকা নদীতে হলুদ সংকেত দেওয়া হয়েছে। আবহাওয়াদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, জলপাইগুড়িতে ২৯৫.২, হাসিমারায় ৪৭৮.১, বারোভিষায় ১৪১.০, চেপানিতে ৩৮১.৪, দোমোহনীতে ২৫৩.৮, বক্সাতে ৪৪৫.০, আলিপুরদুয়ারে ৩৯০.৪, মাথাভাঙায় ১৮৭.৬ মিলিমিটার বৃষ্টি হয়েছে। গত ১৫বছরে এতো বৃষ্টি হয়নি বলে জানা গেছে।

প্রবল বৃষ্টিতে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে মালবাজার পৌরসভার বিভিন্ন এলাকা। লাগাতার বৃষ্টিতে শহরের ১, ২, ১১, ১২ ও ১৩ নং ওয়ার্ডের প্রচুর বাড়ি জলমগ্ন হয়ে পড়েছে। ১১নং ওয়ার্ডের ৪৩টি বাড়ি জলের তলায় চলে গেছে। জলের তোড়ে একটি পাকা বাড়ির নীচে মাটি সরে যাওয়ায় আশঙ্কাজনক অবস্থায় বাড়িটি ঝুলছে। ১১ নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর মহুয়া ঘোষের নেতৃত্বে ত্রাণ শিবির খোলা হয়েছে।

লাগাতার বৃষ্টিতে মেটেলি ব্লকের বিভিন্ন এলাকা জলমগ্ন হয়ে পড়েছে। বাতাবাড়ি, উত্তর ও দক্ষিণ ধূপঝোরা, বিধাননগর গ্রাম পঞ্চায়েতের মাথাচুলকা, শালবাড়ি ইত্যাদি এলাকায় বহু বাড়ি জলমগ্ন হয়ে পড়েছে। বিধাননগর ও মাটিয়ালি বাতাবাড়ি ২নং গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকার বেশ কয়েকটি বাঁধ ভেঙে গেছে জলের তোড়ে। মূর্তি, নেওড়া, ইনডঙ, কুর্তি ইত্যাদি নদীগুলোতে জল বেড়ে যায়। ধানসহ অন্যান্য খেতের ফসল নষ্ট হয়ে গেছে। মেটেলি চালসা চা বাগানেও জল জমেছে।

আলিপুরদুয়ার জেলায় স্বাভাবিক জীবনযাত্রা ব্যাহত হয়ে পড়েছে। জেলার সঙ্কোশ, রায়ডাক, ধার্সি, কালকুট, কালজানি, গদাধর, বাসরাসহ বিভিন্ন নদীতে জলস্ফীতি ঘটেছে। ভুটানে প্রবল বৃষ্টির দরুন নদীগুলি আরও বিপজ্জনক হয়ে পড়েছে। সমস্ত নদীতে বিপদসীমার ওপর দিয়ে জল বইছে। জেলার সর্বত্র লক্ষ লক্ষ মানুষ গৃহহীন হয়ে একেবারে খোলা আকাশের নিচে এসে আশ্রয় নিয়েছেন। চারিদিকে জল আর জল। ধারাবাহিক বৃষ্টিতে টেলিফোন ও মোবাইল ফোন পরিষেবাও বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। ইতোমধ্যেই জেলার বিভিন্ন এলাকায় আশ্রয়ের জন্য ২৭২টি শিবির খোলা হয়েছে। বৃষ্টির মধ্যে পরিবার পরিজন নিয়ে রাস্তায় উঠে আসা দিশাহারা মানুষজন শিশু ও বৃদ্ধ বৃদ্ধাদের নিয়ে একটু নিরাপদ আশ্রয়ের জন্য শিবিরগুলোতে ভিড় জমাচ্ছেন। কিন্তু পর্যাপ্ত জায়গা মিলছে না। বক্সা ব্র্যাঘ্র প্রকল্পের বন্যপ্রাণ বিপন্ন হয়ে পড়েছে বৃষ্টির দরুন। এই ব্র্যাঘ্র প্রকল্পের মধ্যে অবস্থিত বেশ কয়েকটি নজরমিনার ও সেতু ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। বক্সা ব্র্যাঘ্র প্রকল্পের উপক্ষেত্র অধিকর্তা কল্যাণ রাই জানিয়েছেন, বেশ কিছু ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া গেছে। তবে বন্যপ্রাণীরা নিরাপদ জায়গায় আশ্রয় নিয়েছে। পূর্ব বিভাগের জঙ্গলই বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে জানা গেছে।

বন্যা পরিস্থিতি উত্তর দিনাজপুর জেলার ইসলামপুর ও চোপড়ায়, রায়গঞ্জ, চাকুলিয়াতে। ডাউক, মহানন্দা,  গামারি, নাগর, কুলিক, সুঁই নদীর জলে প্লাবিত ইসলামপুরের মাটিকুণ্ডা, আগডিমটি খুন্তি, মরিচাগছ উত্তর, দক্ষিণসহ লালমনগছ, গোয়ালগছ, চান্দাপাড়া, নয়াবাড়ি গ্রাম। চোপড়ায় বহু মানুষ গৃহবন্দি হয়ে পড়েছেন। জলমগ্ন হেমতাবাদ, কালিয়াগঞ্জের বিভিন্ন এলাকা। বেহাল নিকাশি ব্যবস্থার কারণে প্লাবিত রায়গঞ্জের একাধিক এলাকা। জলবন্দি বীরনগর, ইন্দিরা কলোনি, রবীন্দ্রপল্লি, অশোকপল্লি, নেতাজীপল্লি এলাকার বাসিন্দারা। চাকুলিয়ার অবস্থা ভয়ংকর হয়ে উঠেছে। ডাইটন, শিমুলিয়া, বস্তাডাঙ্গী, সুর্যাপুরের কয়েক হাজার মানুষ মহানন্দার জলে জলবন্দি হয়ে পড়েছেন।

দক্ষিণ দিনাজপুর জেলাতেও গঙ্গারামপুরসহ বিভিন্ন এলাকায় জল জমেছে। জেলার আত্রেয়ী, পুনর্ভবাসহ বিভিন্ন নদীতে জল বেড়েছে।

Featured Posts

Advertisement