সুদীপ্ত বসু
কামদুনি, ১৯শে জুন- নৃশংস সেই ঘটনার পরে দু-সপ্তাহও পেরোয়নি। ধর্ষণের পরে খুন হওয়া ছাত্রীর বাড়ির মাত্র ১০০ মিটারের মধ্যেই চলছে রীতিমতো ভূরিভোজ। ভরদুপুরে বড় বড় দুটি হাঁড়িতে চাপানো হয়েছে খিচুড়ি। পাশেই চলছে বেগুন ভাজা, পাঁপড় ভাজা। রান্নায় তদারকি, হাসি ঠাট্টা- সবই চলছে উচ্চগ্রামে। আয়োজনে তৃণমূল।
মহাভোজের এই আয়োজন কামদুনি গ্রামের স্কুল মাঠের উলটো দিকে একটি ক্লাবে। পাশের কালভার্ট পেরিয়ে কয়েক পা এগোলেই শোক, যন্ত্রণা, আতঙ্কে থম মেরে থাকা নিহত সেই ছাত্রীর বাড়ি। দুপুর থেকেই চলেছে তৃণমূলী ‘ফতোয়া’, খেতেই হবে এখানে এসে।
তৃণমূলী পতাকায় সাজানো বাঁশের মাচা। স্যান্ডো গেঞ্জি পরেই সেই মাচায় বসে মহাভোজের তদারকিতে ব্যস্ত রাজারহাট-নিউটাউনের তৃণমূল বিধায়ক সব্যসাচী দত্ত। কামদুনি তাঁর বিধানসভা এলাকার মধ্যে পড়ে না। রাজারহাট, মহিষাবাথান এলাকা জুড়ে রীতিমতো সন্ত্রাস সৃষ্টি করা পরিচিত দুষ্কৃতী ভজাই মাচায় বসে রয়েছে। বিধায়কের সঙ্গেই রয়েছেন অচেনা আরও বেশ কিছু যুবক। এই বাঁশের মাচা আসলে তৃণমলের চেকপোস্ট। এখান থেকেই নজরদারি চলছে কে আসছে –কে যাচ্ছে, কে কার সঙ্গে কথা বলছে। গোটা কামদুনি এখন তৃণমূলের ঘেরাটোপে।...
>>>