শিবানন্দ পাল
কবি জীবনানন্দ দাশ 'সাতটি তারার তিমির' কবিতায় লিখেছিলেন,‘‘... যে ভিক্ষুক প্রতারিত রাজপথে ফেরে / আঁজলায় স্থির শান্ত সলিলের অন্ধকারে / খুঁজে পায় জিজ্ঞাসার মানে। ...’’ আকাশের গায়ে 'সলিলের অন্ধকার' দেখেছিলেন জীবনানন্দ। আমাদের অনেকেরই তেমন করে আকাশ দেখার অভ্যাস নেই। কিন্তু কেউ কেউ রাতের আকাশে খুঁজে বেড়ান স্বাতী, সপ্তঋষি, অরুন্ধতীদের! তাদের নিয়ে কবিতা গান লেখেন।
অন্যদিকে বিশ্বের সেরা মানমন্দিরগুলোও সারারাত জেগে থাকে। আকাশের গভীর অন্ধকারে শক্তিশালী দূরবীক্ষণ যন্ত্রের সাহায্যে জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা খুঁজে চলেন অনেক প্রশ্নের উত্তর। ক্ষীণ ও ক্ষুদ্র দেখতে কোনও নক্ষত্রপুঞ্জের আলো দেখে তাঁরা বিশ্লেষণ করেন সেটি বিমূর্ত কি না! মূর্ত হলে কতদূরে? কি রকমের? সেই বিজ্ঞানীরাই বলতে শুরু করেছেন, তাঁদের পর্যবেক্ষণ হুমকির মুখে। কারণ যন্ত্রপাতির আবর্জনায় ভরে যাচ্ছে আকাশ। আশঙ্কা এরপর তারা, নক্ষত্র অথবা ক্ষীণতর নক্ষত্রপুঞ্জদের আর খুঁজে পাবেন না।
নতুন গবেষণায় বলা হয়েছে, মহাকাশে বিচরণশীল কৃত্রিম উপগ্রহের বহর যেভাবে আকাশকে প্রতিদিন উজ্জ্বল করে তুলছে, তাতে রাতের অন্ধকারে দূরবীক্ষণ যন্ত্রের পর্যবেক্ষণ জটিল থেকে জটিলতর হয়ে যাবে। অগণিত কৃত্রিম উপগ্রহের ভিড়ে রাতে অন্ধকারের গভীরতা নষ্ট হচ্ছে। উপগ্রহ থেকে বিচ্ছুরিত আলো উদ্দিষ্ট লক্ষ্যপূরণে বাধা হয়ে দাঁড়াচ্ছে। অতিরিক্ত আলোর ঝলকানি দূরবীক্ষণ যন্ত্রের ছবিকে অস্পষ্ট করে তুলছে।
জ্যোতির্বিজ্ঞানী অলিভিয়ের হাইনট তাঁর সাম্প্রতিক গবেষণা পত্রে হিসাব কষে দেখিয়েছেন, জ্যোতির্বিজ্ঞানের চলমান গবেষণা যদি অব্যাহত রাখতে হয়, তবে পৃথিবীর কক্ষপথে এক লক্ষের বেশি উপগ্রহ থাকা উচিত নয় এবং সেগুলির উজ্জ্বলতা এমন মাত্রায় রাখতে হবে, যাতে খালি চোখে দেখা না যায়। কিন্তু বাস্তবে তা হচ্ছে না। রাতের আকাশে ক্রমশ তারা খসে যাওয়ার যে দৃশ্য অহরহ দেখা যায়, এখনকার দিনে আসলে তার অনেকগুলিই হয়তো কোনও কৃত্রিম উপগ্রহের পরিক্রমা।
২০১৯ সাল থেকে আকাশে কৃত্রিম উপগ্রহের সংখ্যা দ্রুত বেড়ে চলেছে। বর্তমানে ১৪ হাজারেরও বেশি উপগ্রহ পৃথিবীকে প্রদক্ষিণ করে, যার মধ্যে স্পেসএক্স সংস্থার স্টারলিঙ্ক সিস্টেমের আধিপত্য সব থেকে বেশি। এরসাথে যদি অচল বা অকেজো উপগ্রহগুলো গোনা হয়, তাহলে সংখ্যাটা দাঁড়াবে প্রায় ৩২,০০০। অর্থাৎ প্রায় ১৮,০০০ অচল উপগ্রহের বর্জ্য ইতিমধ্যেই রাতের আকাশকে ভারাক্রান্ত করে তুলেছে। এরা আকাশের চেহারা শুধু কলঙ্কিত করছে না, দৃষ্টিপথেও বাধা তৈরি করে দূরবীক্ষণ যন্ত্রের কার্যক্ষমতা দুর্বল করছে। বিজ্ঞানীদের মাথায় হাত, এরপর সংখ্যা যদি আরও বেড়ে যায় কী হবে?
পৃথিবীর নিম্ন কক্ষপথে ১৭ লক্ষেরও বেশি নতুন উপগ্রহ স্থাপন করার পরিকল্পনা রয়েছে। এরমধ্যে মহাকাশ ভিত্তিক ডেটা সেন্টারের জন্য স্পেসএক্স সংস্থার পরিকল্পনা দশ লক্ষ উপগ্রহ পাঠানোর। এরসাথে বিশ্বব্যাপী যোগাযোগ পরিষেবা চালু রাখার জন্য স্বয়ংক্রিয় প্রযুক্তি ব্যবস্থা "আইওটি"-র উপগ্রহ পরিষেবা আছে। আছে ই-স্পেসের 'সিনামন' এবং চীনের 'সিটিসি-১' ও 'সিটিসি-২' দুটি বিশাল উপগ্রহ নেটওয়ার্ক প্রজেক্ট, যারা আরও কয়েক লক্ষ উপগ্রহ যুক্ত করবে। আছে রিফ্লেক্ট অরবিটালের মহাকাশ দর্পণের পরিকল্পনা।
হাইনট তাঁর গবেষণায় দেখিয়েছেন, অদূর ভবিষ্যতে এমন একটা সময় আসছে যখন রাতের আকাশে দীর্ঘ সময় ধরে শত শত উপগ্রহ একসঙ্গে দেখা যাবে, কারণ কয়েক হাজার উপগ্রহ তখন একসঙ্গে আকাশ পরিক্রমা করবে। উপগ্রহগুলোর এই সংখ্যা এমনও হতে পারে সাধারণত পরিষ্কার আকাশে খালি চোখে যতগুলি 'তারা' আমরা দেখতে পাই প্রায় তার সমান। জ্যোতির্বিজ্ঞানের বিজ্ঞানীরা বলেছেন, স্পষ্টভাবে প্রমাণিত এটা অত্যন্ত বিপজ্জনক প্রবণতা। নক্ষত্রপুঞ্জ থেকে বিক্ষিপ্ত ও বিচ্ছুরিত আলো রাতের আকাশকে আলোকিত করে। উপগ্রহের আলো সেই পরীক্ষা-নিরীক্ষায় বাদ সাধে। হাইনটের কথায়, "এখনও পর্যন্ত আমরা ব্যাপারটা সামলে নিয়েছি, কিন্তু এরপর কি পরিস্থিতি হবে বলা মুশকিল!"
হাইনট বলেছেন, "সূর্যের আলোয় আলোকিত উপগ্রহগুলো দূরবর্তী ছায়াপথগুলোর চেয়ে অনেক বেশি উজ্জ্বল। সেগুলো যখন কোন পর্যবেক্ষণাধীন লক্ষ্যবস্তুর পথ অতিক্রম করে, তখন তার অতিরিক্ত উজ্জ্বল আলোকরশ্মি লক্ষ্যবস্তুর ছবিকে ঝলসে দেয়।"
সমস্যা কতটা জটিল হতে পারে তার ব্যাপ্তি পরিমাপ করতে, হাইনট নক্ষত্রপুঞ্জগুলোর বর্তমান অবস্থানের সঙ্গে প্রস্তাবিত উপগ্রহগুলোর অবস্থান, গতি এবং উজ্জ্বলতার সিমুলেশন চিলির আন্দিজ পর্বতমালার সেরো পাচোন চূড়ায় অবস্থিত বিশ্বের বৃহত্তম ভেরা সি রুবিন মানমন্দিরের ৩,২০০ মেগাপিক্সেলের ডিজিটাল ক্যামেরা এবং যন্ত্রপাতিতে পরীক্ষা করেন। ফলাফলে আতঙ্কিত হাইনট পরিষ্কার বলেছেন, "এমনটা হলে প্রায় ৬০,০০০ উপগ্রহের বহর উন্মুক্ত আকাশের প্রশস্ত পথে প্রাচীর হয়ে দাঁড়াবে। সেজন্য সংশ্লিষ্ট সকলের বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে বিবেচনা করে একটি নিয়ন্ত্রণযোগ্য সীমারেখা তৈরি করার কথা ভাবা উচিত। নচেৎ অদূর ভবিষ্যতে উপগ্রহের সংখ্যা যদি কয়েক লক্ষ বা মিলিয়নে পৌঁছায় তাহলে কি হবে ভাবা যাচ্ছে না।"
স্পেসএক্স-এর প্রস্তাবিত দশ লক্ষ উপগ্রহের ডেটা-সেন্টার কনস্টেলেশনের জন্য বিপদটা হাইনট অঙ্ক কষে দেখিয়েছেন, রাত শুরু হওয়ার দু'ঘণ্টার মধ্যেই আকাশের বড় অংশ জুড়ে দূরবীক্ষণ যন্ত্রের ছবিতে একাধিক উপগ্রহের বহর ধরা পড়বে। ভিজিবল লাইট ট্রান্সমিশনের ফোকাল রিডিউসার লো ডিসপারসন স্পেক্টোগ্রাফ টু (FORS2) ক্যামেরার ছবিতে ফুটে উঠবে এরকম কয়েক ডজন বহর, যা লক্ষ্যবস্তুর ছবির পরিসরে প্রাচীর হয়ে ২৮ শতাংশ দৃশ্যমানতা কমিয়ে দেবে। সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে প্রায় ৮,৬৮৪ ফুট উঁচুতে অবস্থিত সেরো পাচন পর্বতের চূড়ায় রুবিন মানমন্দিরের কাজকর্ম মাথায় উঠবে। এমনিতেই মানমন্দিরের ক্যামেরায় অতিরিক্ত উজ্জ্বল আলোর ঝলকানি লক্ষ্যবস্তুর উপর এমন প্রভাব সৃষ্টি করে যে অংশত ছবি অস্পষ্ট হয়ে যায়। প্রস্তাবিত আলোকসীমার চেয়ে উপগ্রহগুলোর উজ্জ্বলতা সামান্য বেশি হলেই প্রতি রাতে রুবিনের মতো ক্যামেরার বেশিরভাগ ছবি বেশ কয়েক ঘণ্টার জন্য অব্যবহারযোগ্য হয়।
'ম্যাগনিটিউড ৭-কে' হচ্ছে সঙ্কটপূর্ণ সীমা। ভালো আবহাওয়ায় এই মাত্রায় অন্ধকার আকাশে উপগ্রহগুলো খালি চোখে দেখা যায় না, রুবিনের মতো ক্যামেরা সেসময় অতিরিক্ত আলো এড়িয়ে লক্ষ্যবস্তুর ছবি ভালোভাবে তুলতে পারে। উপগ্রহগুলোর বিচ্ছুরিত সূর্যালোক যদি এর চেয়ে বেশি মাত্রার হয়, তাহলেই ক্ষতির সম্ভাবনা। ছবির দৃশ্যমানতা হারিয়ে যায়, এক্সপোজারের সময় বাড়ে, শনাক্তযোগ্য গ্রহাণুর সংখ্যা কমে যায়, অনুসন্ধান দুর্বল হয়। বিস্তৃত মডেলিং পরীক্ষায় হাইনট দেখেছেন, উপগ্রহগুলো যদি নির্ধারিত ক্ষীণতার লক্ষ্যমাত্রা বজায় রাখেও, প্রযুক্তিগত ত্রুটি এবং অন্যান্য সাধারণ সমস্যায় ক্ষতির পরিমাণ যদি 'গ্রহণযোগ্য' মাত্রার কাছাকাছি রাখা সম্ভব হয়, তাহলেও উপগ্রহগুলোর মোট সংখ্যা ১ লক্ষের নিচে রাখা উচিত। স্পষ্টত সংখ্যাটা তিনি ৫০,০০০ মধ্যে সীমিত রাখার কথা বলেছেন!
হাইনট সবচেয়ে বিপজ্জনক হিসাবে চিহ্নিত করেছেন মার্কিন স্টার্টআপ রিফ্লেক্ট অরবিটালের মহাকাশ দর্পণের প্রকল্পকে। রাতের পৃথিবীতে সূর্যের আলো পাঠানোর জন্য বড় বড় আয়নার মতো উপগ্রহ ব্যবহার করতে চায় আমেরিকা। প্রাথমিক একটা নমুনা দিয়ে ইতিমধ্যে পরিকল্পনা শুরু করার কথা বলেছে। ২০৩৫ সালের মধ্যে এরকম ৫০,০০০ উপগ্রহের বহর তারা কক্ষপথে স্থাপন করবে। মাথার উপরে এই উপগ্রহগুলো সূর্যের প্রতিফলিত আলোয় চাঁদের চেয়ে চারগুণ বেশি উজ্জ্বল শুক্রগ্রহের মতো জ্বলজ্বল করবে। কোনও সন্দেহ নেই সরাসরি লক্ষ্যবস্তু না করা হলেও তীব্র এই আলো আকাশের দৃশ্যসীমায় প্রাচীর হয়ে মানমন্দিরের কাজকর্ম অচল করে দেবে।
৫০,০০০ উপগ্রহের বহর রাতের আকাশ সামগ্রিকভাবে তিন থেকে চার গুণ বেশি উজ্জ্বল করবে। আকাশের নির্মল অন্ধকার দূর হয়ে ক্ষীণ ছায়াপথ ও গ্রহগুলোর গভীর পর্যবেক্ষণ দুরূহ করে তুলবে। প্রভাব পরবে জ্যোতির্বিজ্ঞানে। তাতে নক্ষত্রপুঞ্জের বাস্তুতন্ত্র, এমনকি জৈবিক ঘড়ির চলাচল ব্যাহত হতে পারে। মহাসমুদ্রে কর্মরত বিশাল নৌবহরের রক্ষণাবেক্ষণ, প্রয়োজনীয় রকেট উৎক্ষেপণ বা মহাকাশযানের ফিরে আসা, বায়ুমণ্ডলও প্রভাবিত হতে পারে। প্রাণীজগতের খাদ্য শৃঙ্খলাও বিপর্যস্ত হতে পারে। হাইনট তাঁর গবেষণাকে শুধুমাত্র আকাশের সীমানায় সীমাবদ্ধ রেখেছেন। বলেছেন, আমি শুধু জ্যোতির্বিজ্ঞানের উপর এর প্রভাব পরিমাপ করেছি। অন্যরা নিজেদের ক্ষেত্রে কি প্রভাব পড়তে পারে তা নিশ্চয়ই মূল্যায়ন করবেন।
সেজন্য হাইনটের গবেষণা একটি সুনির্দিষ্ট নীতিগত মানদণ্ডের প্রতি সকলের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে। উপগ্রহের সংখ্যা নিয়ন্ত্রণের মতো তার উজ্জ্বলতা নিয়ন্ত্রণ করাও সমানভাবেই গুরুত্বপূর্ণ— এ ধরনের গবেষণা এই প্রথম। সুপারিশগুলোর সামান্যতম বিচ্যুতি বিশ্বের সবচেয়ে সংবেদনশীল মানমন্দিরগুলো অচল করে দিতে পারে। সেজন্য ইএসও’র মহাপরিচালক জেভিয়ার বারকন্স বিষয়টি আরও ব্যাপক আঙ্গিকে তুলে ধরে বলেছেন, "মানবজাতির জন্য জ্যোতির্বিজ্ঞান- বৈজ্ঞানিক, প্রযুক্তিগত, অর্থনৈতিক এবং শিক্ষাগত বিপুল সহযোগিতা করে মহাবিশ্বে আমাদের অবস্থান চিহ্নিত করেছে। পৃথিবীর নিম্ন-ভূ-কক্ষপথে পরিকল্পিত বিপুল সংখ্যক স্যাটেলাইট সেই সক্ষমতার জন্য একটি চ্যালেঞ্জ, যা ভবিষ্যতে স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণ সীমিত করার বিষয়ে আমাদের সতর্ক করে এবং জ্যোতির্বিজ্ঞানী, প্রকৌশলী, স্যাটেলাইট অপারেটর ও সংশ্লিষ্ট অংশীদারদের এবিষয়ে কঠোর প্রশমন ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য আহ্বান জানায়।"
স্বাভাবিকভাবেই হাইনটের গবেষণা বিজ্ঞানের সমস্ত মহলে নীতিগত বিতর্কের ঝড় তুলেছে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের স্পেসএক্স প্রায় ১৫০০ এবং এফসিসি রিফ্লেক্ট অরবিটাল ইতিমধ্যেই তাদের ১৮০০-এর বেশি উপগ্রহ উৎক্ষেপণের অনুমোদন চেয়ে মার্কিন ফেডারেল কমিউনিকেশনস কমিশনে আবেদন করেছে। ইউরোপীয় সাউদার্ন অবজারভেটরি, রয়্যা ল অ্যাস্ট্রোনমিক্যাল সোসাইটি এবং ইন্টারন্যাশনাল অ্যাস্ট্রোনমিক্যাল ইউনিয়ন সেই আবেদনগুলোর জবাবে হাইনটের গবেষণাকে ভিত্তি হিসাবে ব্যবহার করতে চায়। ৩০টির বেশি দেশের ২৫০০ বিজ্ঞানী মার্কিন ফেডারেল কমিউনিকেশনস কমিশনকে চিঠি লিখে দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন। ইএসও’র কর্মকর্তা বেটি কিওকো বলেছেন, "বিষয়টি আলোকীয় জ্যোতির্বিজ্ঞানে গভীর সঙ্কট ডেকে এনেছে। সিদ্ধান্ত নেওয়ার ভার ফেডারেল কমিউনিকেশনস কমিশনের। আমরা অপেক্ষা করছি। আশা করবো নিয়ন্ত্রক সংস্থাগুলো এই দৃষ্টিভঙ্গির সঙ্গে সহমত হয়ে কাজ করতে চাইবে।"
ইউরোপীয় সাউদার্ন অবজারভেটরি-র জ্যোতির্বিজ্ঞানী অলিভিয়ের হাইনটের পিয়ার-রিভিউড এই গবেষণাপত্র "অ্যাস্ট্রোনমি অ্যান্ড অ্যাস্ট্রোফিজিক্স জার্নালে" প্রকাশের জন্য গৃহীত হওয়ার সংবাদ প্রকাশ করেছে 'দ্য ব্রাইটার সাইড অফ নিউজ' ২ জুলাই, ২০২৬ সংখ্যায়। এতেই বিশ্বজুড়ে বিতর্ক আরও বেড়েছে। কিন্তু বিজ্ঞানীদের তর্কবিতর্কে চীনের প্রাচীর স্বয়ং মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প। বিজ্ঞানীদের মাথা ব্যথার কারণ থাকলেও বিশ্ব উষ্ণায়ন যেভাবে মাত্রা ছাড়িয়েছে তার জন্য অনেকাংশে তিনি দায়ী। বোঝা যাচ্ছে সেভাবেই হয়তো রাতের আকাশও দখল হয়ে যাবে, আকাশে স্বাতী, অরুন্ধতীদের আর দেখা যাবে না।
Sattelite
কৃত্রিম উপগ্রহের ভিড়ে ঢাকা পড়ছে আকাশ
×
Comments :0