Assembly Election 2026 Ratua

রতুয়া: যুবদের বাইক মিছিল, বাম বিকল্প গড়ার আহ্বানে বিপুল সাড়া

জেলা বাংলা বাঁচানোর ভোট

রতুয়া কেন্দ্রে সিপিআই(এম) প্রার্থী জহুর আলমের প্রচারে সায়রা শাহ হালিম।

উৎপল মজুমদার

প্রথম দফার নির্বাচনের শেষ দিনে মঙ্গলবার প্রচারে ঝড় তুললেন রতুয়া বিধানসভা কেন্দ্রের বামফ্রন্ট সমর্থিত সিপিআই(এম) প্রার্থী জহুর আলমের সমর্থকরা। 
বৃহস্পতিবার প্রথম দফার নির্বাচন হবে রাজ্যের ১৫২টি বিধানসভা কেন্দ্রে। তার মধ্যে মালদহের ১২টি আসন রয়েছে। 
মালদহের রতুয়া বিধানসভা কেন্দ্র দীর্ঘ সময় সিপিআই(এম)’র দুর্গ থেকেছে। এক সময় এই কেন্দ্র থেকে সিপিআই(এম) প্রার্থী হিসাবে নির্বাচিত হয়ে মহম্মদ আলি, মমতাজ বেগম বিধায়ক ছিলেন। পরবর্তীতে সিপিআই(এম) নেতা শৈলেন সরকার এখান থেকেই বিধায়ক নির্বাচিত হয়ে বামফ্রন্ট সরকারের মন্ত্রী হন। এলাকার নানা উন্নয়ন হয়েছে বামফ্রন্ট সরকারের মেয়াদেই। তা আজও এলাকার মানুষ মনে রেখেছেন। 
কিন্তু ২০১১ সালে সরকার পরিবর্তনের পর এই এলাকার উন্নয়ন অন্ধকারে ডুবে রয়েছে। এলাকার অন্যতম সমস্যা নদী ভাঙন। বিগত ১৫ বছরে সেই ভাঙন ও বন্যা রোধে তৃণমূল সরকার কোন ব্যবস্থা নেয়নি। এলাকার বিধায়কদের নিষ্ক্রিয়তা‌ এই সমস্যাকে চরম সীমায় নিয়ে গেছে। যা থেকে মুক্তি পেতে মানুষ মরিয়া হয়ে উঠেছেন। 
চোখে পড়ার মতো বিষয় হলো এই কেন্দ্রে এলাকার তরুণ প্রজন্ম বামফ্রন্ট প্রার্থীর হয়ে প্রচারে নেমেছেন। গত ১৮ এপ্রিল সিপিআই(এম) রাজ্য সম্পাদক মহম্মদ সেলিমের জনসভায় তরুণ প্রজন্মের উপস্থিতি সকলের নজর কেড়েছে।
সোমবারও প্রচারের শেষ পর্বে গোটা নির্বাচনী এলাকায় ঝড় তুলল এই যুব বাহিনী। প্রায় দু’হাজার বাইক নিয়ে কয়েক হাজার কর্মী গোটা এলাকায় প্রচার চালান। এই মিছিলে প্রার্থী জহুর আলম ছাড়াও রাজ্যের বিশিষ্ট সমাজকর্মী সায়রা শাহ হালিম, সিপিআই(এম)’র মালদহ জেলা সম্পাদক কৌশিক মিশ্র, সুশান্ত সিংহ, ভুবন চন্দ্র কুমার সহ এলাকার নেতা কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। 
গোটা নির্বাচনী এলাকায় ঘোরার সময় পথের দুধারে অসংখ্য মানুষ দাঁড়িয়ে থেকে উৎসাহিত করেন। কর্মসূচি শেষে সায়রা শাহ হালিম বলেন আজকের এই কর্মসূচি প্রমাণ করছে মানুষ এ রাজ্যে পরিবর্তন চাইছেন। যুব সমাজ বুঝতে পেরেছে এই সরকার থাকলে তাঁদের ভবিষ্যত অন্ধকার। কাজ নেই, শিক্ষা নেই। তাই এই অন্ধকার থেকে মুক্তি পেতে বামপন্থীরা একমাত্র বিকল্প।

Comments :0

Login to leave a comment