post editorial

উচ্ছেদ নয়, সব হাতে কাজ চাই

সম্পাদকীয় বিভাগ

ধ্রুবজ্যোতি সাহা

স্বাধীনতার পর ভারতবর্ষে রাষ্ট্রক্ষমতা বদলালেও শোষণের চরিত্র বদলায়নি। বেকারত্ব, দারিদ্র, শিক্ষার বাণিজ্যিকীকরণ, শ্রমের অনিশ্চয়তা, সাম্প্রদায়িক বিভাজন এবং সাম্রাজ্যবাদী আগ্রাসন যুবসমাজের ভবিষ্যৎকে ক্রমাগত অন্ধকারের দিকে ঠেলে দিচ্ছে। এই পরিস্থিতিতে নিরপেক্ষতা বা নীরবতা কোনও বিকল্প নয়। ইতিহাস শিক্ষা দেয়— সংগঠিত প্রতিরোধই একমাত্র পথ। ভারতের গণতান্ত্রিক যুব ফেডারেশন (ডিওয়অইএফআই) সেই সংগঠিত প্রতিরোধের রাজনৈতিক বাহন।
ডিওয়অইএফআই কোনও ক্লাব নয়, কোনও ক্যারিয়ারমুখী নেটওয়ার্কও নয়। এটি একটি গণতান্ত্রিক, সাম্রাজ্যবাদবিরোধী, বিজ্ঞানভিত্তিক সমাজতান্ত্রিক আদর্শে উদ্বুদ্ধ যুব সংগঠন। এর লক্ষ্য শুধু তাৎক্ষণিক দাবি আদায় নয়, বরং শোষণমুক্ত সমাজ গঠনের লড়াইয়ে যুবসমাজকে প্রস্তুত করা। ‘সকলের জন্য শিক্ষা, সকলের জন্য কাজ’—এই স্লোগান ডিওয়াইএফআই’র কর্মসূচি ও মতাদর্শের সারকথা বহন করে। যে সময় যুবসমাজকে বিভ্রান্ত করা হচ্ছে ভোগবাদ, সাম্প্রদায়িকতা ও ব্যক্তিকেন্দ্রিক স্বপ্নে, সেই সময়ে ডিওয়াইএফআই’র  মতাদর্শ যুবসমাজকে বিকল্প পথ দেখায় সংহতি, সংগ্রাম ও সমাজ পরিবর্তনের।
    যুবসমাজই সমাজ পরিবর্তনের সবচেয়ে সচল ও সাহসী শক্তি। ইতিহাসের প্রতিটি যুগান্তকারী বাঁকে আমরা দেখেছি, পুরানো শোষণমূলক ব্যবস্থার বিরুদ্ধে প্রথম সারিতে লড়াইয়ে থেকেছে তরুণ প্রজন্ম। সাম্রাজ্যবাদ, ফ্যাসিবাদ, সামন্ততন্ত্র কিংবা পুঁজিবাদী শোষণের বিরুদ্ধে সংগ্রামে যুবসমাজ বরাবরই অগ্রণী ভূমিকা পালন করেছে। সেই ঐতিহাসিক ধারাবাহিকতারই উত্তরাধিকার বহন করে আজকের ভারতের গণতান্ত্রিক যুব ফেডারেশন। 
ভারতের স্বাধীনতা সংগ্রাম থেকে শুরু করে স্বাধীনতা-পরবর্তী গণতান্ত্রিক আন্দোলনের প্রতিটি অধ্যায়ে যুবসমাজ ছিল আন্দোলনের প্রাণশক্তি। ক্ষুদিরাম, ভগৎ সিং, সূর্য সেন থেকে শুরু করে অগণিত নামহীন শহীদের আত্মত্যাগ প্রমাণ করে—যুবশক্তি কেবল আবেগের নয়, আদর্শ ও চেতনার শক্তি। ডিওয়াইএফআই সেই বিপ্লবী ঐতিহ্যকে কেবল স্মরণ করে না, বরং তা থেকে শিক্ষা নিয়ে বর্তমান বাস্তবতায় সংগঠিত সংগ্রামের পথে এগিয়ে চলে।
১৯৫৯ সালের ২৮ এপ্রিল কনস্টিটিউশন ক্লাব হলে অনুষ্ঠিত হয় নিখিল ভারত যুব ফেডারেশনের প্রথম সম্মেলন।  ভারতবর্ষের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে প্রতিনিধি  অংশগ্রহণ করেন। সম্মেলনের উদ্বোধনী ভাষণ দিয়ে সকল প্রতিনিধিকে উদ্বুদ্ধ করেন স্বাধীনতা সংগ্রামী তথা দিল্লির মেয়র শ্রীমতি অরুনা আসফ আলী ও সম্মানীয় অতিথি ডক্টর জ্ঞানচাঁদ। এই সম্মেলনে ভারতবর্ষের ১১ টি রাজ্যের ২ লক্ষ যুবক-যুবতী সদস্যদের মধ্য থেকে ২৫০ জন প্রতিনিধি অংশগ্রহণ করেন। এই সম্মেলনে বিদেশি অতিথি আমন্ত্রিত ছিলেন। সম্মেলনের সাফল্য কামনা করে বার্তা পাঠিয়েছিলেন দেশের উপরাষ্ট্রপতি তথা বিশিষ্ট দার্শনিক ডাঃ  সর্বপল্লী রাধাকৃষ্ণণ ও বোম্বের মেয়র। নিখিল ভারত যুব ফেডারেশনের সভাপতি হন প্রখ্যাত চলচ্চিত্র অভিনেতা বলরাজ সাহানি, উপ-সভাপতি নির্বাচিত হন কেরালার পি কে বাসুদেবন। প্রথম সাধারণ সম্পাদক হন সারদা মিত্র।
১৯৫৯ সালে নিখিল ভারত যুব ফেডারেশন গড়ে ওঠার পর ভারতবর্ষের যুব সমাজকে তাদের দাবি দাওয়া নিয়ে সচেতন করে তোলা এবং যুবদের গণসংগ্রামে শামিল করাই ছিল এই সংগঠনের মূল লক্ষ্য। কিন্তু কয়েক বছরের মধ্যেই এই সংগঠনের নেতৃত্বের মধ্যে আন্দোলন বিমুখতা লক্ষ্য করা যায়। বিশেষত তৎকালীন কেন্দ্রীয় সরকারের বিরুদ্ধে দৃঢ় রাজনৈতিক অবস্থান গ্রহণ করার ক্ষেত্রে অনীহা লক্ষ্য করা যায়। অথচ তখন দেশের অভ্যন্তরে অর্থনৈতিক সঙ্কট গভীরতর হয়ে উঠেছে। এবং কংগ্রেস পরিচালিত কেন্দ্রীয় সরকার গণতান্ত্রিক আন্দোলনের উপর আঘাত হানছে। দেখা যায় যুব জীবনের সঙ্কটের মোকাবিলার জন্য লড়াই সংগ্রাম করবার বদলে নিখিল ভারত যুব ফেডারেশনের নেতৃত্ব উৎসব পালনে ব্যস্ত হয়ে পড়েছে। ১৯৬৫ সালে রাজ্যের যুব উৎসবের প্রাঙ্গণে তৎকালীন সুবিধাবাদী, আপসকামী যুবনেতৃত্বের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ দেখান যুব সংগঠকদের উল্লেখযোগ্য অংশ।  তারা সিদ্ধান্ত নেন যে নতুন একটি যুব সংগঠন গড়ে তোলা দরকার যা বৈজ্ঞানিক সমাজতান্ত্রিক আদর্শ অনুসরণ করে যুব সমাজের দাবি-দাওয়া নিয়ে লড়াই আন্দোলন সংগঠিত করবে।
১৯৬৭ সালে কলকাতার রামমোহন লাইব্রেরিতে পৃথক যুব সংগঠন গড়ার জন্য একটি প্রস্তুতি কমিটি গঠিত হয়। এই প্রস্তুতি কমিটির আহ্বায়ক ছিলেন দীনেশ মজুমদার। এই প্রস্তুতি কমিটিতে ছিলেন বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য, হরপ্রসাদ চ্যাটার্জি, সুবিনয় ঘোষ। সেখানে নতুন যুব সংগঠনের নামকরণ করা হয় ‘ গণতান্ত্রিক যুব ফেডারেশন ’ (ডিওয়াইএফ)। পশ্চিমবঙ্গ গণতান্ত্রিক যুব ফেডারেশনের রাজ্য সম্মেলনের আহ্বায়ক দীনেশ মজুমদার এক নতুন সংগঠন কি পরিস্থিতিতে গড়ে উঠবে তার প্রেক্ষাপট ও লক্ষ্য ব্যাখ্যা করে বলেছিলেন অর্থনৈতিক সঙ্কট ক্রমশ ঘনীভূত হয়ে উঠেছে, গণতন্ত্রের উপর আক্রমণ বৃদ্ধি পাচ্ছে ফলে রাজ্যজুড়ে শ্রমিক, কৃষক ও সামাজিক অন্যান্য অংশও সংগ্রামের পথ নিতে বাধ্য হচ্ছেন। এই অবস্থায় যুবসমাজ কেবলমাত্র দর্শকের ভূমিকা নিতে পারে না। শ্রমিক কৃষকের সহযোগী হিসাবে তাকে প্রতিষ্ঠিত করার নৈতিক দায়িত্ব থেকে এই সংগঠনের সৃষ্টি। যুব ফেডারেশন খেটে খাওয়া মানুষের প্রতি স্তরে তার পরিধি বৃদ্ধি করবে এবং এই ক্ষয়িষ্ণু সমাজ ব্যবস্থা থেকে উদ্ভূত নিরলম্ব ভবিষ্যৎ হতে পরিত্রাণ পাওয়ার জন্য বৈজ্ঞানিক সমাজতন্ত্রবাদই একমাত্র পথ, এই আদর্শ প্রচার করবেন গণতন্ত্র রক্ষার সংগ্রামের অনুসারী কর্তব্য হিসাবে সাম্রাজ্যবাদ বিরোধী সংগ্রামেও সংগঠন পিছিয়ে থাকবে না। সংগ্রামের পথ ধরেই এগিয়েছে ডিওয়াইএফ।
১৯৬৮ সালের ৭ থেকে ৯ জুন প্রথম রাজ্য সম্মেলন হয় কলকাতার ত্যাগরাজ হলে। এই সম্মেলনের পর থেকে আজও ৯  জুন আমরা ডিওয়াইএফ’র প্রতিষ্ঠা দিবস পালিত হয়। সেই সম্মেলনে সংগঠনের রাজ্য সভাপতি নির্বাচিত হন দীনেশ মজুমদার, সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য। ৯ জুন সম্মেলন শেষে শহীদ মিনার ময়দানে সন্ধ্যা  ৬ টায় সুবিশাল যুব সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। সমাবেশের বক্তব্য রাখেন জ্যোতি বসু ।
পরবর্তীতে পশ্চিমবঙ্গে ডিওয়াইএফ’র মতো ভারতবর্ষের বিভিন্ন রাজ্যের বিপ্লবী যুব সংগঠনগুলি (কেরালায় ১৯৬৮ সালে সোশালিস্ট ইয়ুথ ফেডারেশন, ১৯৬৮ সালে পশ্চিমবঙ্গ, ত্রিপুরা, আসাম এই রাজ্য গুলিতে ডিওয়াইএফ, অন্ধ্র প্রদেশ, উত্তর প্রদেশ, পাঞ্জাব, বিহার, রাজস্থান, কর্নাটক এই রাজ্যগুলিতে নতুন করে নওজোয়ান ভারত সভা একত্রিত হয়ে পাঞ্জাবের লুধিয়ানায় ১-৩ নভেম্বর সর্বভারতীয় সম্মেলন মঞ্চে গড়ে তুলল ভারতের গণতান্ত্রিক যুব ফেডারেশন। সম্মেলন উদ্বোধন করেন কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের তৎকালীন উপাচার্য অধ্যাপক রামেন্দ্র কুমার পোদ্দার। সম্মেলনে অন্যতম অতিথি হিসাবে ছিলেন বীর শহীদ ভগৎ সিংয়ের সহকর্মী কিশোরী লাল ও শিব বর্মা। ১১ টি রাজ্যের সাত লক্ষ সদস্য নিয়ে সর্বভারতীয় সংগঠন পথ চলা শুরু হয়। এই সম্মেলন থেকে সভাপতি নির্বাচিত হন পি জয়রাজান এবং সম্পাদক হিসাবে নির্বাচিত হন হান্নান মোল্লা। পরে  ১৯৮৭ সালে ডিওয়াইএফ-কে ডব্লিউএফডিওয়াই (ওয়ার্ল্ড ফেডারেশন অব ডেমোক্রেটিস ইয়ুথ) আন্তর্জাতিক যুব সংগঠন স্বীকৃতি পায়।  ‘‘ সকলের জন্য শিক্ষা সকলের জন্য কাজ’’ স্লোগান হাজির করে। 
  দীর্ঘ লড়াই সংগ্রাম আন্দোলনের পথ বেয়ে ভারতের গণতান্ত্রিক যুব ফেডারেশনের এগিয়ে চলে । সকলের কাজের দাবিতে দুর্বার আন্দোলন গড়ে তোলে ভারতের গণতান্ত্রিক যুব ফেডারেশন। এই দীর্ঘ পথে অনেক কমরেড শহীদের মৃত্যুবরণ করেছেন। কাজের দাবিতে আন্দোলনে নেমে এসেছে শাসকের অত্যাচার। ডিওয়াইএফআই’র  কর্মীরা পথ থেকে সরে আসেনি। সকলকে ঐক্যবদ্ধ করে লড়াইয়ে অগ্রবর্তী হতে হবে। 
বেকারত্বের যন্ত্রণা আরও তীব্র হয়েছে। সেন্টার ফর মনিটরিং ইন্ডিয়ান ইকোনমিক’র — রিপোর্টে ভারতে বেকারত্বের হার ৯.২শতাংশ প্রায়। সরকারি কোষাগারের টাকা ব্যয় করে বহু  বিজ্ঞাপিত কেন্দ্রীয় সরকারের কর্মসংস্থান প্রকল্পগুলি প্রকৃত অর্থে কোনও কাজের সুযোগ তৈরি করতে পারেনি। মেক ইন ইন্ডিয়া, স্টার্ট আপ ইন্ডিয়া, স্কিল ডেভেলপমেন্ট— ইত্যাদি নানান রকমের প্রকল্পের কথা বলে দেশের তরুণ অংশকে প্রলুব্ধ করার চেষ্টা করলেও— আসলে বেকার যৌবনকে প্রতারিত করা হয়েছে।
 এক ভয়ঙ্কর কর্মহীনতার সময়ে যারা কাজ করছেন, আসলে তাদের কাজও অস্থায়ী। নিরাপত্তাহীনতার মধ্যে দিন যাপন করতে হচ্ছে। স্থায়ী কাজ না থাকায় টোটো , অটো, অন্যের বাড়িতে গৃহকর্ম, হকারি প্রভৃতি নিরাপত্তাহীন কাজ বাড়ছে। ছোট ছোট কারখানা যতটুকু আছে সেখানে ঠিকা শ্রমিক হিসাবে স্বল্পমজুরিতে শ্রমকে বেচতে বাধ্য হচ্ছে যৌবন।  সরকারি ক্ষেত্রে রাষ্ট্রায়ত্ত শিল্পগুলি বিক্রির ফলে কর্মসংস্থান ব্যাপকভাবে সঙ্কুচিত হয়েছে। ভারতীয় রেলের আলাদাভাবে বাজেট হতো, কর্মসংস্থানের আলাদা চিত্রকে বোঝা যেত। ভারতবর্ষে কর্মসংস্থানের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্র ছিল ভারতীয় রেল। সরকারি মতে ভারতীয় রেলে শূন্য পদ ৩ লক্ষের বেশি। যদিও সঠিকভাবে তথ্য অনুসন্ধান করলে বোঝা যাবে চিত্রটা আরও অনেক অনেক বেশি। কার্যত ব্যাপক অংশ অস্থায়ী ঠিকা শ্রমিক নিয়োগ করে ভারতীয় রেলের কাজ চলছে। ভারতীয় রেলে বর্তমানে বহু পদকে অবলুপ্ত করা হচ্ছে। সঙ্কটের মুখে দাঁড়িয়ে রয়েছে আজকের যুব সমাজ।
বদলে যাচ্ছে সময়,বদলাচ্ছে পরিস্থিতি, এই সময়ের বাঁকে দাঁড়িয়ে নতুন চ্যালেঞ্জের সামনে যুব সমাজ, ডিওয়াইএফআই তার জন্মলগ্ন থেকে সকলের কাজের দাবিতে লড়াই করছে। এখন একদিকে নতুন প্রজন্মের হাতে কোনও কাজ নেই , অন্যদিকে দাঁড়িয়ে পুনর্বাসন ছাড়াই হকারদের উচ্ছেদ করা হচ্ছে ফলে কর্মসংস্থানের উপর আরও সঙ্কট তৈরি হচ্ছে। এআইআর’র নাম করে বৈধ ভোটারদের নাম বাদ দেওয়া হলো।  দেশের সরকার পাহাড়, জঙ্গল, জমি বিক্রি করে দিচ্ছে, গাছ কেটে সাফ হয়ে যাচ্ছে ফলে পরিবেশের ভারসাম্য হারাচ্ছে। সাম্রাজ্যবাদের আসল চেহারা ক্রমশ প্রকাশ্যে আসছে।  তাই এই সময় দাঁড়িয়ে সাম্রাজ্যবাদের বিরুদ্ধে সমাজতন্ত্রের পক্ষে লড়াই আরও প্রাসঙ্গিক। ৯ জুন আমাদের সংগঠনের প্রতিষ্ঠা দিবসের দিনেই সমস্ত প্রশাসনিক ভবনে আমাদের দাবিসনদ প্রদান করতে যাচ্ছি। সেই দাবি হলো:সকলের স্থায়ী কাজ চাই,পুনর্বাসন ছাড়া হকার উচ্ছেদ করা যাবে না, বৈধ ভোটারদের নাম অবিলম্বে  ভোটার তালিকায় যুক্ত করতে হবে। এই লড়াই তীব্র করাই এই সময়ের দাবি।


বদলাচ্ছে পরিস্থিতি, নতুন চ্যালেঞ্জের সামনে যুব সমাজ।  ডিওয়াইএফআই তার জন্মলগ্ন থেকে সকলের কাজের দাবিতে লড়াই করছে। এখন নতুন প্রজন্মের হাতে কাজ নেই, অন্যদিকে পুনর্বাসন ছাড়াই হকারদের উচ্ছেদ, কর্মসংস্থানের  সঙ্কট বাড়িয়ে তুলেছে। তাই দাবি:সকলের স্থায়ী কাজ,পুনর্বাসন ছাড়া হকার উচ্ছেদ নয়, বৈধ ভোটারদের ভোটার তালিকায় যুক্ত করা।

 

 

Comments :0

Login to leave a comment