Post editorial

সৌজন্যে বিজেপি সরকার বিমাক্ষেত্রে লুট হবে মধ্যবিত্তের সঞ্চয়

উত্তর সম্পাদকীয়​

সুরজিৎ বোস
ইংরেজিতে একটি কথা আছে 'I endure your brutality, not your hypocrisy "আমি তোমার অত্যাচার সহ্য করতে পারি কিন্তু ভণ্ডামি সহ্য করতে পারবো না।’’
আমাদের দেশের বিজেপি পরিচালিত কেন্দ্রীয় সরকার দেশের আপামর জনগণের সঙ্গে বিশেষত মধ্যবিত্ত নিম্নবিত্ত শ্রমিক কৃষক মানুষের সাথে দুটি কাজই একসাথে করছেন। সম্প্রতি আমেরিকান প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প যে শুল্ক আক্রমণ নামিয়ে এনেছেন আমাদের দেশের বিরুদ্ধে তাতে নাজেহাল হয়ে আমাদের দেশের প্রধানমন্ত্রী দেশের এক প্রান্ত থেকে আরেক প্রান্তে জনগণকে বলে বেড়াচ্ছেন বিদেশি পণ্য বর্জনের কথা, দেশীয় শিল্পের গড়ে তোলার কথা। অপরদিকে তার চরম বিশ্বস্ত অর্থ মন্ত্রী গত ১৫ ডিসেম্বর লোকসভায় পেশ করলেন সবকা বিমা সবকি রক্ষা-বিমা বিল ২০২৫ এবং ১৭ডিসেম্বর রাজ্যসভায় পেশ করলেন একই বিল। এই বিলটি যথাক্রমে লোকসভা এবং রাজ্যসভায় বিরোধীদের আপত্তি সত্ত্বেও পাশ হয়ে গেল। এই বিলের মাধ্যমে বিমা ক্ষেত্রে বিদেশি লগ্নির সীমানা ১০০ শতাংশ করে দেওয়া হলো। যা সাম্প্রতিক অতীতে ছিল ৭৪ শতাংশ। এর আগে দফায় দফায় প্রথমে ২৬ শতাংশ তারপর ৪৯ শতাংশ এবং সাম্প্রতিক অতীতে ৭৪ শতাংশ বিদেশি লগ্নির অনুমতি ছিল বিমা ক্ষেত্রে। 
এর ফলে এখন দেশীয় বিমা ক্ষেত্র হয়ে দাঁড়াবে বিদেশি লগ্নিপুঁজির মৃগয়া ক্ষেত্র। অত্যন্ত খারাপ প্রভাব পড়বে দেশের গার্হস্থ্য সঞ্চয়ের উপর। প্রসঙ্গত বলে রাখা ভালো বিজেপি নেতৃত্বাধীন কেন্দ্রীয় সরকার সময়কালে সাধারণ মানুষের গার্হস্থ সঞ্চয় প্রচুর পরিমাণে কমে গেছে। ২০১৩ সালে দেশের মোট অভ্যন্তরীণ আয়ের প্রায় ৩৩ শতাংশ আসতো গার্হস্থ্য সঞ্চয় বা ডোমেস্টিক সেভিংস থেকে বর্তমানে কমতে কমতে তাই এসে দাঁড়িয়েছে ২৭ শতাংশ। এই গার্হস্থ্য সঞ্চয়ের একটা বড় অংশ আসে ভারতীয় জীবন বিমা নিগম এবং ভারতীয় সাধারণ বিমা অর্থাৎ সরকারি বিমা সংস্থা গুলি থেকে যা প্রায় ১৭ শতাংশ পারিবারিক সঞ্চয় থেকে এবং মোট গার্হস্থ্য সঞ্চয়ের প্রায় ৪৭৬। বিদেশিদের জন্য ১০০ শতাংশ বিমা ক্ষেত্র উন্মুক্ত হওয়ার ফলে এই গার্হস্থ্য সঞ্চয় গভীরভাবে আরও ক্ষতিগ্রস্ত হবে। বেশি বেশি মুনাফার লোভে এই বিদেশি বহু বহুজাতিক সংস্থাগুলি মোটা অঙ্কের প্রিমিয়াম নির্ধারিত করবে পলিসি গ্রহণের ক্ষেত্রে ফলে গাল ভরা কথা 'সবকা বিমা সবকি রক্ষা" কখনোই সম্ভব হবে না। 
বিমা গ্রহণের মূল উদ্দেশ্য হলো জীবন সহ অন্যান্য ঝুঁকিপূর্ণ বিষয় থেকে আপৎকালীন সময় রক্ষা পাওয়া। মুনাফা লোভী যে বিদেশি কোম্পানিগুলো আসবে তাদের হাতে আমাদের জীবন কতটা সুরক্ষিত থাকবে, এ নিয়ে অবশ্যই প্রশ্নের অবকাশ থাকে। ২০০৮ সালে বিশ্বব্যাপী ব্যবসায়িক সঙ্কটের সময় পৃথিবীর অন্যতম বৃহৎ বিমা সংস্থা এআইজি (আমেরিকান ইন্টারন্যাশনাল গ্রুপ, খড়কুটোর মতো ভেঙে পড়ে। পরবর্তীতে ইউএস গভর্নমেন্ট ৮৫ বিলিয়ন ডলারের বেল-আউট প্যাকেজ দিয়ে এই সংস্থাকে কিছুটা রক্ষার চেষ্টা করে। প্রশ্ন হচ্ছে এই বিদেশি কোম্পানি যেগুলো আসছে, তারা কে কোথায় লগ্নি করছে তার স্বচ্ছতা আমাদের দেশবাসীর কাছে থাকবে না, চিট ফান্ডের মতো টাকা তুলে যদি কোনও কোম্পানি ব্যবসা গুটিয়ে নিজের দেশে পালিয়ে যায়, একজন সাধারণ মানুষ তার কোনও পরিবারের সদস্যের ডেথ -ক্লেম মেডিক্লেমের নিষ্পত্তির জন্য কোথায় খুঁজে বেড়াবে?

বিমা শিল্পের ক্ষেত্রে অতান্ত গুরুত্বপূর্ণ আরেকটি বিষয় হলো বিপণন। (ডিস্ট্রিবিউশন) চ্যানেল অর্থাৎ যে পদ্ধতিতে বিমা গ্রাহকের কাছে, সংস্থা পৌঁছায় পলিসি বিক্রয়ের জন্য। এই চ্যানেলের মধ্যমণি হলো এজেন্ট বন্ধুরা। অনলাইন মার্কেটিং-এর এত বাড়বাড়ন্তের যুগেও মোট ইন্সুরেন্স ব্যবসার এদেশের ৫৫শতাংশ ব্যবসা হয় এজেন্টের মাধ্যমে। ভারতীয় জীবন বিমা নিগমের মোট পলিসির ৯৩.৭ শতাংশ বিক্রয় হয় এজেন্টের মাধ্যমে। ফলে, বিদেশি সংস্থাগুলি নানারূপ প্রলোভন দেখিয়ে এদেশের মানুষের টাকা লুট করে, কোম্পানির যদি লাল বাতি জ্বালিয়ে দেয়, যে এজেন্টরা সাধারণ মানুষের কাছ থেকে পলিসি সংগ্রহ করে নিয়ে আসবে তাদের জীবনে নেমে আসবে দুঃসহ কালো অন্ধকার। 
সবচেয়ে বড় বিষয় হলো দেশের জনগণের টাকার রক্ষা করার জন্য ন্যূনতম কোনও নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা না রেখেই এই বিদেশিদের সামনে উন্মুক্ত করা হলো একশো শতাংশ বিমা ক্ষেত্রকে। রাজ্যসভার ২০২৪ সালের ৩ ডিসেম্বরের রিপোর্ট অনুযায়ী এই শিল্পে ৭৪ শতাংশ পর্যন্ত বিদেশি লগ্নি অনুমোদিত থাকলেও মাত্র ৩২.৬৭ শতাংশ ছিল বিদেশি ইকুইটি, যার টাকার পরিমাণে ৩১,৩৬৫.৫৭ কোটি টাকা। মাত্র চারটি বিমা সংস্থা ৭৪ শতাংশ পর্যন্ত বিদেশি লগ্নি করতে সমর্থ হয়েছিল Ageas, Future Generali, Aviva এবং Credit Access Life Insurance Company। এতদসত্ত্বেও নির্লজ্জ সাদর আমন্ত্রণ বিদেশি বেনিয়াদের বিমা ক্ষেত্রকে সম্পূর্ণ উন্মুক্তকরণের মাধ্যমে।
বিমা বিল ২০২৫ মূলত কার্যকরী হলো দেশের তিনটি প্রধান বিমা সংক্রান্ত আইনের সংশোধন করার জন্য এই তিনটি আইন হলো যথাক্রমে বিমা আইন ১৯৩৮, ভারতীয় জীবন বিমা নিগম আইন ১৯৫৬ এবং আইআরডিএ আইন ১৯৯৯। এক ঝলক দেখে নেওয়া যাক এই তিনটি বিমা আইনের গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলি কি আছে:
বিমা আইন, ১৯৩৮ (insurance act, 1938)-এদেশে ব্রিটিশ সাম্রাজ্যকালে বিমা ক্ষেত্রকে নিয়ন্ত্রণ করার জন্য এই আইন গঠিত হয়েছিল। এই আইন ভারতের বিমা সংস্থাগুলোর কাজকর্ম, লাইসেন্সিং, পলিসি সংক্রান্ত বিভিন্ন নিয়ম-নীতি, রিজার্ভ ফান্ডের প্রয়োজনীয়তা, সর্বোপরি বিমা গ্রাহকদের সমস্ত রকমের স্বার্থ রক্ষার জন্য, আইনি কাঠামো তৈরি করে দেশের বিমা ব্যবস্থাকে স্থিতিশীল এবং সুরক্ষিত করার চেষ্টা করে এই আইনের মূল উদ্দেশ্য চারটিঃ- ১. বিমা ব্যবসা নিয়ন্ত্রণ-ব্যবসা পরিচালনা, বিমা কোম্পানি গঠনে ভূমিকা পালন করা এবং রেজিস্ট্রেশন সংক্রান্ত নিয়ম-কানুন নির্ধারণ করা; ২. পলিসি ও গ্রাহকদের সুরক্ষা: বিমা পলিসির শর্তগুলিকে ঠিক করা, পলিসি গ্রাহকদের অধিকার প্রতিষ্ঠা করা, কোম্পানিগুলির দায়বদ্ধতা স্পষ্ট করে দেওয়া, কোম্পানিগুলি যদি কোনও ভুল তথ্য দেয় অথবা জালিয়াতি করে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করা যেটা ধারা ৪৫ উল্লেখিত। ৩. অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা; বিমা কোম্পানিগুলি যাতে বাধ্যতামূলকভাবে রিজার্ভ ফান্ডের ব্যবস্থা রাখে এবং আর্থিক স্বচ্ছতা বজায় রাখে, তা সুনিশ্চিত করা: ৪. বিভিন্ন বিমা ব্যবসার প্রকৃতি ঠিক করা: জীবন বিমা, সাধারণ বিমা, এই দুই ধরনের বিমার ক্ষেত্রেই নির্দিষ্ট আইন প্রণয়ন করা, সেই কারণেই এই আইনটিকে ভারতীয় বিমা শিল্পের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপনকারী আইন হিসাবে মেনে চলা হয়।
এলআইসি আইন, ১৯৫৬( LIC act, 1956) এই আইনের মূল বিষয় ছিল ২৪৫টি বেসরকারি জীবন বিমা সংস্থাকে একত্রিত করে দেশের জীবন বিমা ব্যবস্থাকে জাতীয়করণ করা। এর ফলে এই বেসরকারি সংস্থাগুলির সমস্ত কর্মচারী, পলিসি হোল্ডার এবং সম্পত্তি রাষ্ট্রের মালিকানাধীন আসে, লাইফ ইন্সুরেন্স কর্পোরেশন অব ইন্ডিয়া ( LICI) প্রতিষ্ঠিত হয় এই আইনের মূল উদ্দেশ্য হলো: ১. জীবন বিমা শিল্পকে জাতীয়করণ ও প্রতিষ্ঠা: ১৯৫৬ সালে তৎকালীন সংসদে এই আইনটি পাশ করার মাধ্যমে দেশের সমস্ত জীবন বিমা ব্যবসাকে সরকারি অধীনে আনা হয় অর্থাৎ এলআইসি’র অধীনে আনা হয়। ২.উদ্দেশ্য: জীবন বিমা ব্যবসাকে দেশব্যাপী ছড়িয়ে দেওয়া, বিশেষ করে গ্রামাঞ্চলে এবং সস্তায় সাধারণ মানুষকে জীবন বিমা পলিসি প্রদান করা। ৩. কর্তৃত্ব ও নিয়ন্ত্রণ: আইনটি এলআইসি-কে তার কার্যক্রম পরিচালনা, পলিসি তৈরি এবং বিমা ব্যবসার নিয়ন্ত্রণ করার ক্ষমতা দেয়। ৪. সরকারি নিয়ন্ত্রণ: দেশের সরকার এলআইসি’র জন্য নিয়ম-কানুন তৈরি করতে পারে এবং এলআইসি -কে এমনভাবে পরিচালনা করতে হবে যাতে দেশের সমস্ত সম্প্রদায়ের উপকার হয়। ৫. সংবিধিবদ্ধ সংস্থা: এলআইসি অ্যাক্ট ১৯৫৬ -এর ধারা ৩ অনুযায়ী এলআইসিআই ভারত সরকারের মালিকানাধীন একটি সংস্থা পণ্ডিত জহরলাল নেহরুর নেতৃত্বে তৎকালীন সরকার চেয়েছিলেন এই আইনটির মাধ্যমে ভারতের জীবন বিমা ক্ষেত্রকে এক করে একটি শক্তিশালী এবং রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন বিমার সংস্থা তৈরি করার যা দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নেও ভূমিকা রাখে, এ কথা বলা বাহুল্য যে এই কাজটি প্রায় ৭০ বছর ধরে ভারতীয় জীবন বিমা নিগম অসাধারণ ভালোভাবে করে চলেছে।
৬. গভর্নমেন্ট গ্যারান্টি: এলআইসি অ্যাক্ট ১৯৫৬-এর ধারা ৩৭ অনুযায়ী, কোনও কারণে যদি ভারতীয় জীবন বিমা নিগম বন্ধ হয়ে যায় বা দেউলিয়া হয়ে যায়— বোনাস সমেত সমস্ত জমা টাকা দেশের সরকার জীবন বিমা গ্রাহকদের ফেরত দিতে বাধ্য থাকবে।
আইআরডিএ অ্যাক্ট ১৯৯৯: এই আইনের মাধ্যমে দেশের সরকার জীবন বিমা এবং সাধারণ বিমা বিমা ক্ষেত্রকে বেসরকারিকরণ করে।
মূল বিষয়গুলি: ১ নিয়ন্ত্রণ এবং তদারকি, বৃদ্ধি উন্নয়নের প্রচার ২. বিমা এজেন্টদের প্রশিক্ষক, যোগ্যতার ঠিক করা, লাইসেন্স প্রদান ৩. বিমা কোম্পানিগুলির আর্থিক স্থিতিশীলতা ঠিক করা, বিমা পলিসি শর্ত ও প্রিমিয়াম ঠিক করা ৪. পলিসি হোল্ডারদের অভিযোগ নিষ্পত্তির জন্য একটি পরিকাঠামো গঠন করা
এই তিনটি আইন সংশোধনের জন্যই বিমা বিল ২০২৫ তৈরি হয়েছে।
অতীত অভিজ্ঞতা বলছে এই ধরনের সংশোধনীর মাধ্যমে সরকার যে সমস্ত নতুন আইন প্রণয়ন করে তাতে আপামর জনগণের আরও বেশি করে সর্বনাশের পথই সুনিশ্চিত হয়। এই আইন গুলির সংশোধনীর মাধ্যমে মূলত লাভজনক রাস্তাগুলিকে ধ্বংস করে মানুষের আর্থিক নিরাপত্তাকে বেশি বেশি করে বিঘ্নিত করে বিদেশের হাতে গরিব মধ্যবিত্ত মানুষের টাকা তুলে দেওয়ার রাস্তাকে আরও পরিষ্কার করার হলো। বর্তমানে ভারতীয় জীবন বিমা নিগমের মোট সম্পত্তির পরিমাণ ৬০.১৯ লক্ষ কোটি টাকা, সাধারণ বিমা নিগমের সম্পদ ১,৮৭,৬১৫ ৭৪ কোটি টাকা। এই বিপুল পরিমাণ সম্পত্তির মালিক দেশের জনগণ। দেশের আর্থিক পরিকাঠামো উন্নয়নের জন্য শুধুমাত্র ভারতীয় জীবন বিমা নিগমই বিগত পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনাগুলোতে বিনিয়োগ করেছিল প্রায় ২২ লক্ষ কোটি টাকা। 
বিমা ক্ষেত্র বেসরকারিকরণের সময় সরকারের আশ্বাস ছিল যে বেসরকারি বিমা সংস্থাগুলি দেশের পরিকাঠামো উন্নয়নের জন্য বছরে দেড়শো বিলিয়ন ডলার করে বিনিয়োগ করবে, অথচ বিমা ক্ষেত্র বেসরকারিকরণের ২৫ বছর নয়া পয়সাও বেসরকারি সংস্থাগুলো দেশের পরিকাঠামোগত উন্নয়নের জন্য বিনিয়োগ করেনি, বিল ২০২৫-এও এই আশার বাণী বর্ষণ করা হয়েছে যে বিদেশি সংস্থাগুলির কাছে ১০০ শতাংশ বিমা ক্ষেত্র উন্মুক্ত হলে বিপুল পরিমাণ বিদেশি মুদ্রা এদেশের অর্থনীতিতে প্রবাহিত হবে, আমরা জানি এ কেবল কথারই কথা, এ হলো সামান্য পরিমাণ বেনোজল ঢুকিয়ে বিপুল পরিমাণ ঘোর জল বের করে নেওয়ার চক্রান্ত। এই সম্পত্তি দেশের জনগণের টাকায় তৈরি। এই বিপুল পরিমাণ ধনরাশি বিদেশিদের হাতে তুলে দেওয়ার চক্রান্ত যেকোনও মূল্যে আমাদের বন্ধ করতে হবে। তাই এই স্বৈরাচারী, অনৈতিক, দেশের খেটে খাওয়া মানুষের সম্পদ লুণ্ঠনকারী এই ঘৃণ্য বিলের বিরুদ্ধে সমস্ত বিমা গ্রাহক, বিমা এজেন্ট, কর্মচারী এবং সাধারণ মানুষকে নিয়ে ঐক্যবদ্ধ আন্দোলন গড়ে তুলতে হবে।

Comments :0

Login to leave a comment